গৌরীপুরের দশ গ্রামে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গৌরীপুর, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের দশটি গ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন ছাড়া নদের পানিতে প্লাবিত হয়েছে আরও কয়েকটি গ্রাম।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কমপক্ষে ১৫ বছর ধরে বর্ষাকালে ভাংনামারী ইউনিয়নের ওই গ্রামগুলোয় ভাঙন দেখা দেয়। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অসংখ্য পরিবার নিজেদের বাড়িঘর ও ফসলের জমি হারিয়ে গ্রামছাড়া হয়েছে। কিন্তু সরকারি উদ্যোগে বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। এছাড়াও নদে অবৈধ ও অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের কারণে নদের পাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বছরের বেশিরভাগ সময় নদ শুকিয়ে হাঁটু পানি থাকলেও বর্ষা মৌসুমে উজানের ঢলে পানি বেড়ে শুরু হয় ভাঙন। গত কয়েক বছরে এই ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের প্রায় কয়েকশত একর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে বসতভিটা হারিয়েছে দুই শতাধিক পরিবার।

ভাংনামারী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, নদ ভাংনের শিকার মানুষের দুর্দশা। এরমধ্যে ব্রহ্মপুত্র নদ ভাটিপাড়া গ্রামবাসীর ঘরের দুয়ারে চলে এসেছে। এরমধ্যে অনেক পরিবারের বাড়ি-ঘর নদে বিলীন হয়ে গেছে। গ্রামবাসী ঘর-বাড়ি, গাছ-পালা কেটে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, চলতি বছর বর্ষার শুরুতেই অনন্তগঞ্জ, ভাটিপাড়া, ভাংনামারীর চর, উজান কাশিয়ারচর, বয়রা, খোদাবক্সপুর, দূর্বাচর, চরভাবখালী, গজারিপাড়া, সহ দশ গ্রামে ভাঙন শুরু হয়েছে।

এরমধ্যে খোদাবক্সপুর, ভাটিপাড়া, উজানকাশিয়ার চর গ্রামের তিন কিলোমিটার এলাকায় গত দশদিন ধরে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়তে শুরু করলে নদের তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। পানি কমার সময় ভাঙনের মাত্রা আরও বাড়বে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। নদের পাড়ে ভাঙন শুরু হওয়ায় ভিটে, গাছপালা সরাতে দেখা গেছে নদ পাড়ের বাসিন্দাদের। বসত ভিটার পাশাপাশি ফসলি জমিও বিলিন হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র নদে। এছাড়াও ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে উজানকাশিয়ার চর গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা।

খোদাবক্সপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল খালেক বলেন, এখন পর্যন্ত সাতবার বাড়ি ভাঙছে নদের পানিতে। ৫৬ কাঠা জমি নদে বিলীন হয়েছে। নতুন ভাঙনে এখন হারালাম ভিটা। মাথা গোঁজার আশ্রয়ের জায়গাটুকু রইল না।

ভাঙনের শিকার ভাংনামারী ইউনিয়নের বাসিন্দা হাফিজুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর আমাদের জমি বাড়ি নদে বিলীন হয়। আমাদের ২০ কাঠা জমি ভাঙতে ভাঙতে আড়াই কাঠাতে ঠেকেছে। আমরা ছাড়াও এলাকার আরও ২০টি পরিবারের একই অবস্থা৷

ভাংনামারী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, উজানকাশিয়ার চর গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৬৯টি ঘর, একটি কমিউনিটি সেন্টার, ও কয়েকশ বাড়ি ব্রহ্মপুত্র নদে ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ভাঙন না ঠেকালে মানুষ ভিটেহারা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ময়মনসিংহের নির্বাহী প্রকৌশলী আখলাক উল জামিল বলেন, ভাঙনের খবর পেয়ে ইতোমধ্যে জায়গাগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙনের জন্য দায়ী হল অপরিকল্পিতভাবে ব্রহ্মপুত্র নদ খনন করা ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। বালু তোলার ফলে সৃষ্ট গর্তের কারণে পানির স্রোত বাড়ায় ভাঙন বাড়ছে।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক দিদার আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী বলেন, আমরা এরইমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার খোঁজ নিয়েছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্রম্মপুত্র নদের খনন কাজ চলছে। নদী খননের ফলে কয়েকটি স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়। ফলে কয়েকটি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিআইডব্লিউটিএর সঙ্গে কথা হয়েছে যেন গ্রামগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

ভালুকায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল যুবকের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের ভালুকায় অজ্ঞাত গাড়িকে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় তাসিন হোসেন (১৮) নামে কাভার্ড ভ্যানের এক হেলপারে মৃত্যু হয়েছে।

নিহত তাসিন হোসেন খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি থানা এলাকার আব্দুল হান্নানের ছেলে।

শনিবার (১৩ জুলাই) উপজেলার কাঁঠালী এলাকায় ইনডেক্স এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ওসি শফিকুল ইসলাম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ভোরে ময়মনসিংহ গামী একটি কাভার্ড ভ্যান বেপরোয়া গতিতে এসে অজ্ঞাত গাড়ির পিছনে ধাক্কা দেয়। এসময় কাভার্ড ভ্যানের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। ভিতরে আটকা পড়ে কাভার্ড ভ্যানের হেলপার তাসিন গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে ভরাডোবা হাইওয়ে থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

;

স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিতে জেলায় জেলায় ঘুরছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবার মান নিশ্চিত করতে জেলায় জেলায় ঘুরছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় ২০ শয্যাবিশিষ্ট পীরগঞ্জ ডায়াবেটিস এন্ড জেনারেল হাসপাতাল উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও অপারেশন না হওয়া ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থেকেও না বসার প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসেবা নিশ্চিত করাই আমার কাজ। এতে যা যা করা দরকার তার সব কিছু আমি করবো। কারণ আমি নিজেও ডাক্তার তাই কি কি সমস্যা তা আমার জানা আছে।

এসময় ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দীন আহমেদ, জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা.নূর নেওয়াজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান সহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতালটি জেলা গণপূর্ত বিভাগের তত্বাবধানে ১০ কোটি ২৫ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়।

;

প্রবাস ফেরত নারীর স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু, থানায় হত্যার অভিযোগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
প্রবাস ফেরত নারীর স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু

প্রবাস ফেরত নারীর স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধায় সুইটি বেগম (৩৪) নামের এক প্রবাস ফেরত নারীর স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সুইটি বেগম বিদেশ থেকে ফেরার ১০ দিনের মাথায় এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় স্ত্রী সুইটি বেগমসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি হত্যার অভিযোগ দায়ের করেছেন নিহতের ছোট ভাই মোকছেদুল মিয়া।

এরআগে, একইদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের মেঘডুমুর গ্রাম থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ।

৩৮ বছর বয়সী নিহত ওই স্বামীর নাম মুকুল মিয়া। রিকশাচালক মুকুল ওই এলাকার গাবুর আলীর ছেলে। অভিযুক্ত স্ত্রী সুইটি বেগম একই এলাকার আব্দুল আজিজের মেয়ে।

অভিযুক্ত নামীয় অপর তিনজন হলেন, সুইটি বেগমের মা মমেনা বেগম (৫৮) ও তার দুই ভাই মাজেদ মিয়া (৩২) এবং মাহাবুব মিয়া (২৫)।

থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ২০ বছর পূর্বে সুইটি বেগমের সঙ্গে নিহত মুকুল মিয়ার প্রেমের সম্পর্কের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই মুকুল শ্বশুর বাড়িতে থাকেন। রিকশাচালক মুকুল পরে জমি ক্রয় করে ছেলে মেয়েসহ বসবাস করতে থাকেন। এরও কিছুদিন পর সুইটি বেগম জোর করেই বিদেশ যান। বিদেশ যাওয়ার পর থেকেই স্বামী মুকুলের সঙ্গে মোবাইলে ঝগড়া হয়ে সম্পর্কের অবনতি করতে থাকেন সুইটি বেগম।

একপর্যায়ে ঘটনার ১০ দিন পূর্বে ওমান থেকে দেশে আসেন সুইটি। এসে স্বামী মুকুলের সাথে সংসার করবে না মর্মে জানিয়ে তার বাবার বাড়িতে থাকতে শুরু করেন এবং স্বামী মুকুলের সঙ্গে সব ধরণের সম্পর্ক বন্ধ করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ায়।

শনিবার সকাল ছয়টার দিকে মুকুল গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে খবর পায় নিহতের পরিবার। কিন্তু ওই বাড়িতে গিয়ে মরদেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন তারা। মৃত্যুর কারণ পরিবারের কাছে সন্দেহজনক বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে নিহতের ছোট ভাই সুইটি বেগম ও তার মা এবং দুই ভাইকে অভিযুক্ত করে সদর থানায় একটি হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা মোবাইল ফোনে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;

নোয়াখালীতে নৈশ প্রহরীকে বেঁধে ১১ দোকানে ডাকাতি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় নৈশ প্রহরীকে উলঙ্গ করে বেঁধে ১১ দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ডাকাত দল একটি কাপড় দোকান থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকাসহ ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরের দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন এওজবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. বেলাল হোসেন। এর আগে, শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের খাসেরহাট বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

ডাকাতি হওয়া দোকানের মধ্যে রয়েছে কাপড় দোকান, ওষুধ দোকান, মেশিনারী দোকানসহ অন্তত ১১টি দোকান।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান আরও বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে দুটি মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা যোগে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ৮-১০ জন ডাকাত খাসেরহাট বাজারে আসে। ওই সময় প্রথমে তারা বাজারে থাকা নৈশ প্রহরী চৌধুরী মিয়ার কাছে একটি জায়গার ঠিকানা জানতে চায়। পরবর্তীতে ডাকাতদলের সদস্যরা নৈশ প্রহরীকে উলঙ্গ করে সড়কের পাশে থাকা পিলারের সাথে বেঁধে রাখে। এরপর তারা ১১টি দোকান থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকা, একটি মোটরসাইকেলসহ ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে নৈশ প্রহরীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। ডাকাত দলের সদস্যরা সবাই কম বয়সী ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

;