‘ইমিগ্রেশনে তালিকা আছে, কোনো অপরাধীই পালাতে পারবেন না’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিমানবন্দরগুলোতে রেড অ্যালার্ট জারি করার কোনো প্রয়োজন নেই। ইমিগ্রেশনে অপরাধীদের তালিকা দেওয়া আছে, কোনো অপরাধীই পালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘নাম ছাড়াও যারা আছেন, তাদেরও নিয়ে আসছি। মোট কথা যারাই অপরাধ করুক, আইনের চোখে যারা অপরাধী, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। গডফাদার, গ্রান্ডফাদার বলে কিছু নেই। আমরা চিনি অপরাধী, অপরাধী যেই হোক আমরা তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসছি।’

রেড অ্যালার্ট জারি করা হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘শুদ্ধি অভিযানে রেড অ্যালার্ট জারি করব কেন? এমন তো কিছু হয়নি যে রেড অ্যালার্ট জারি করতে হবে। বিমানবন্দর দিয়ে অপরাধীরা কখনো যেতে পারেন না। কেননা আমাদের কাছে তালিকা থাকে। যারা অবৈধ ব্যবসা করেন, অন্যায়ভাবে প্রভাব বিস্তার করেন বা যারা দুর্নীতি পরায়ণ, তাদের নাম ইমিগ্রেশনে রয়েছে। তারা গেলেই তাদের পাসপোর্ট চিহ্নিত হয়ে যাবে। সে তালিকা বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় পাঠানো হয়। এটা চলমান প্রক্রিয়া, এটা সব সময় থাকে। এ মুহূর্তকে কেন্দ্র করে কোনো বিশেষ সতর্কতা নেই। যেই অপরাধ করছেন, তাকেই আইনের আওতায় আনছি।’
‘ক্যাসিনোর সরঞ্জাম কীভাবে দেশে এসেছে তার চেয়ে বড় কথা হলো ক্যাসিনো এখানে চালানো হচ্ছে কি না। ক্যাসিনোগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছি। ক্যাসিনোর সরঞ্জামাদি হয়তো ছোট ছোট করে আনা হয়েছে। কীভাবে এসব আনা হয়েছে, কি ডিক্লেয়ারেশনে আনা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখব,’ যোগ করেন মন্ত্রী।

Minister

তিনি বলেন, ‘এখানে চুনোপুঁটি আর রাঘব বোয়াল বলে আমাদের কাছে কিছু নেই। আমাদের কাছে সবাই সমান, রাঘব বোয়ালও যদি অপরাধ করে, তাদেরও ধরছি। সংসদ সদস্যরাও বাদ যাচ্ছেন না। আমরা তো বৈধ কিছুতে অভিযান চালাচ্ছি না। যেগুলো ক্যাসিনো, জুয়া খেলা আমাদের দেশে অবৈধ। বৈধ কোনো খেলায় অভিযান হচ্ছে না। চাঁদাবাজি, জোর করে ক্ষমতা দখল, মানি লন্ডারিং, সবগুলোই তো অবৈধ। শেখ হাসিনাই কেবল পারবেন এসব অবৈধ ব্যবসা বন্ধ করতে। তিনি জনপ্রিয়তার জন্য নয়, সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এমন অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে অবৈধ ব্যবসা দমন করতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :