খুলনায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ: গ্র‌েফতার ৬, একজনের স্বীকারোক্তি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, খুলনা
ধর্ষণের প্রতীকী ছবি

ধর্ষণের প্রতীকী ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ফরমায়েশখানায় ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া দুই স্কুলছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এরপর রোববার রাতে ৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন এক ছাত্রীর বাবা। মামলার পর রাতেই বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ছয় আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নূর ইসলাম মনা (২০), রমজান কালু (২২), হাবিবুর রহমান (১৯), ইমন মোল্লা (১৯), মাহবুবুর রহমান (১৯) ও রাতুল হাসান (১৯)। তাদের সবার বাড়ি সেনহাটী এলাকায়।

ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থী সম্পর্কে খালা ও ভাগ্নি। এদের একজনের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ওসিসিতে। অন্যজন অসুস্থ থাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর ওই দুই ছাত্রী দিঘলিয়ার ফরমায়েশখানা আত্মীয়ের বাড়ি থেকে সেনহাটী নিজেদের বাড়িতে ফিরছিল। পথিমধ্যে সেনহাটী রশিদের বাগানবাড়ি এলাকায় ৯ বখাটে তাদের গতিরোধ করে বাগানের মধ্যে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করেন। এতে অসুস্থ হয়ে পড়লে দু'জনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার থানা পুলিশের দ্বারস্থ হয়। আসামিদের নাম উল্লেখ করে দিঘলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বাবা।

এদিকে, সোমবার বিকেলে আসামি ইমন মোল্লা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।

দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস রঞ্জন দাস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'রোববার রাতে থানায় মামলা হওয়ার পরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত ছয় আসামিকে গ্রেফতার করেছি। সোমবার তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।'

তিনি আরও বলেন, 'গণধর্ষণের শিকার এক ছাত্রী গুরুতর অসুস্থ থাকায় তার মেডিকেল পরীক্ষা করানো সম্ভব হয়নি। অপর ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা সোমবার খুমেক হাসপাতালে করানো হয়েছে। সে মেডিকেলের ওসিসি ওয়ার্ডে আছে।'

আপনার মতামত লিখুন :