ভোলায় সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ২৮ জন শেবাচিমে ভর্তি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, বরিশাল
শেরে-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়

শেরে-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়

  • Font increase
  • Font Decrease

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার ঘটনার জেরে ভোলায় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ২৮ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত ২৮ জনকে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২০ অক্টোবর) দুপুরে তাদের হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। আহতদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান শেবাচিম পরিচালক ডাক্তার বাকির হোসেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন বোরহানউদ্দিনের ছোটমানিকা এলাকার মিজানুর রহমান (৩০), নান্টু (৪০), মাকসুদুর রহমান (১৮), তানভীর (৩০), অলিউল্লাহ (৪০), সিদ্দিক (২৮), তাহের, শামীম ও সোহরাবের নাম জানা গেছে।

ভোলায় পুলিশ-জনতার সংঘর্ষ
আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে, ছবি: সংগৃহীত

 

আহতদের স্বজনরা জানান, উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নে বিপ্লব নামে এক যুবকের ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে উপজেলাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার ওই যুবকসহ আরও একজনকে আটকও করেছে পুলিশ। ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদে রোববার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা সদরের বোরহানউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় সমাবেশে মিলিত হয় উত্তেজিত জনতা।

স্থানীয় জনতা বোরহানউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে জনতার সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

এ সংঘর্ষে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশত মানুষ। আহত অন্যান্যদের স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ভোলায় পুলিশ-জনতার সংঘর্ষ: নিহত ৪, আহত শতাধিক

আপনার মতামত লিখুন :