দুপুর ২টার মধ্যে উপকূলবাসীকে আশ্রয়কেন্দ্রে আসার আহ্বান

  ঘূর্ণিঝড় বুলবুল

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ক্ষয়-ক্ষতি এড়াতে শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুর ২টার মধ্যে উপকূলবাসীকে নিকটস্থ সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান।

তিনি বলেন, যেসব এলাকায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব পড়ার সম্ভবনা রয়েছে ওইসব এলাকায় সর্বোচ্চ ১ কি.মি দূরত্বে আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। সুতরাং আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বেশিক্ষণ সময় লাগবে না।নিজের ও পরিবারের জীবন/সম্পদ রক্ষার জন্য সবাইকে নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া উচিত। 

শনিবার বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় দুুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসকল্পে পূর্বপ্রস্তুতি, সাড়াদান এবং উদ্ধার কার্যক্রমে করণীয় নির্ধারণ সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।  

মন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল সংশ্লিষ্ট ১৩ উপকূলীয় জেলা ও এর অন্তর্ভূক্ত উপজেলায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের ছুৃটি বাতিল করা হয়েছে। উপকূলীয় ৭টি জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা ও পিরোজপুরে দুই হাজার করে মোট ১৪ হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট এবং নগদ ১০ লাখ করে মোট ৭০ লাখ টাকা এবং ২০০ মেট্রিক টন করে এক হাজার ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় ৫ লাখ করে মোট ৩০ লাখ টাকা এবং ১০০ মেট্রিক টন করে মোট ৬০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মহাবিপদ সংকেত দেখানো ৯ জেলায় প্রতিটিতে ১ লাখ টাকা করে গো-খাদ্য বাবদ এবং ১ লাখ টাকা করে শিশুখাদ্যের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি তাজুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ। 

 

আপনার মতামত লিখুন :

  ঘূর্ণিঝড় বুলবুল