ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের কর্তৃত্বের অবকাশ নেই

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
ঢাকা গ্লোবাল ডায়ালগ-১৯ আয়োজন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন বক্তারা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা গ্লোবাল ডায়ালগ-১৯ আয়োজন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন বক্তারা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের কর্তৃত্বের কোনো অবকাশ নেই। এ অঞ্চলের দেশগুলোর স্বার্থই এ ক্ষেত্রে দেখা হবে।

রোববার (১০ নভেম্বর) ঢাকায় বিআইআইএসএস-বিস ঢাকা গ্লোবাল ডায়ালগ-১৯ আয়োজন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তরা এ কথা বলেন।

সোমবার (১১ নভেম্বর) ঢাকার ইন্টার কন্টিনেন্টাল হোটেল অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ ডায়ালগ।

প্রথমবারের মত বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় এ ডায়ালগের আয়োজন করছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস-বিস) এবং ভারত ও অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ওআরএফ)।

বিসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আব্দুর রহমান ও ওআরএফ প্রতিনিধি সামিন শরণ এ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।

আব্দুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় এ ডায়ালগের উদ্বোধন করবেন। এতে প্রবৃদ্ধি, উন্নয়ন, বাণিজ্য, জলবায়ু নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, যোগাযোগ, ব্লু ইকোনমিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

তিনি আরো বলেন, এ ডায়ালগে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৫০ জন আলোচক এ ডায়ালগে অংশ নেবেন।
থাকবেন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মিয়ানমারের বক্তারাও। ৯০ শতাংশ বিষয় আলোচনা হবে বাংলাদেশ নিয়ে।

সামিন শরণ বলেন, এ ডায়ালগ আয়োজনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চেয়ে কোনো ভালো স্থান নেই। কারণ বাংলাদেশ এখন ৮ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশ। এদিক থেকে দেশটি এখন এশিয়ার মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে। বিশ্বের ১০তম ঘনবসতির দেশ কেমন করে এত উন্নতি করছে, তা আলোচনার বিষয়। জিডিপিতে এগিয়ে ৪০ দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। কীভাবে এ ডায়ালগে এশিয়ার অন্যান্য দেশ লাভবান হবে, সে বিষয়ে আলোচনা হবে। তবে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে সরাসরি আলোচনা হবে না।

আপনার মতামত লিখুন :