সুন্দরবনের সক্ষমতা বাড়ানো হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল সম্পর্কিত মহাবিপদ সংকেত সঠিক ছিল বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘ঘূর্ণিঝড় বুলবুল পশ্চিমবঙ্গের মেদেনীপুরে আঘাত করে সুন্দরবনে আঘাত করে। যে কারণে শক্তিটা কমে যায়। সুন্দরবন আমাদের আরেকটা প্রটেক্টর।’ সুন্দরবনটা আমাদের সবুজ বেষ্টনী হিসেবে কাজ করে। আমরা অনেক অভিযোগ শুনি যে সুন্দরবনের ওপর অনেক অত্যাচার করা হচ্ছে। দায়িত্ব নিয়ে বলছি সকল প্রকার অব্যবস্থাপনা দূর করে এখানে গাছ লাগিয়ে প্রতিরক্ষা দেওয়ার মত আরও সক্ষমতা বাড়ানো হবে। সুন্দরবনের যাতে যত্ন নিতে পারি সেদিকে আমরা সচেষ্ট থাকব। এ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে।

রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন এ বি এম তাজুল ইসলাম, সচিব শাহ কামাল, আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক সামসুদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

অনেকে অভিযোগ করেছেন মহাবিপদ সংকেত দেওয়াটা সঠিক ছিল না এবিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় যে অবস্থানে ছিলে তা দেখে আমরা এ নির্দেশনা দিয়েছি। আমাদের নির্দেশনা সঠিক ছিলো। পশ্চিমবঙ্গে যখন ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত করে তখন বাতাসের গতিবেগ ছিল ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার। সেই গতিবেগ যদি সরাসরি আমাদের এখানে আঘাত করতো তাহলে তো আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতো। বিপদ সংকেত যেটা দেওয়া হয়েছিল সেটা একদম সঠিক ছিল‌।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল সুন্দরবনে প্রথমে আঘাত করে খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সেখানে বাতাসের গতিবেগ ছিল ৬০ থেকে ৯০ কিলোমিটার। যার ফলে ওখানে (খুলনায়) ক্ষতিগ্রস্ত বেশি।

আপনার মতামত লিখুন :