রাজবাড়ীর মার্কেটগুলোতে উপচেপড়া ভিড়

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
রাজবাড়ীতে মার্কেটে উপচেপড়া ভিড়

রাজবাড়ীতে মার্কেটে উপচেপড়া ভিড়

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সীমিত আকারে শর্তসাপেক্ষে দেশের সব মার্কেট ও শপিংমল খুলে দিলেও সরকার ঘোষিত কোন শর্তই মানছেন না রাজবাড়ীর দোকান মালিক ও ক্রেতারা।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে জনস্রোত নামছে। নারী-পুরুষ-শিশু সমান তালে মার্কেটগুলোতে ভিড় করছে।

জেলা প্রশাসন আইন প্রয়োগ করেও থামাতে পারছে না জনসমাগম। কোন বাধা মানছেন না তারা মার্কেটে আগতরা। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালালেও তাতে ভ্রুক্ষেপই করছেন না ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা।

মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজবাড়ীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা তো দূরের কথা কোন নিরাপত্তায় নেই মার্কেটগুলোতে। প্রতিটি মার্কেটেরই একই চিত্র। নারীদের পাশাপাশি এখন মার্কেটগুলোতে পুরুষদেরও আনাগোনা দেখা যাচ্ছে। আর ছোট ছোট শিশুদেরও একই ভাবে ভিড়ের মধ্যে নিয়ে আসছেন অভিভাবকরা।

রাজবাড়ীতে মার্কেটে উপচেপড়া ভিড়

বিশেষ করে মনাক্কা টাওয়ার ও কাদেরিয়া সুপার মার্কেটে সবচেয়ে বেশি ভিড়। সকাল থেকেই এই মার্কেটগুলোতে ক্রেতারা আসতে থাকেন।

রাজবাড়ী সরকারি মহিলা কলেজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক  এক শিক্ষার্থী বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমরা যেটা করছি এটা মোটেও ঠিক করছি না। এতে আমরাই ক্ষতিগ্রস্ত হব। আমি আমার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সামান্য সময়ের জন্য মার্কেটে ঢুকেছিলাম। কিন্তু ঢোকার পর আমার ভীষণ ভয় করছিল। আমি না দেখে শুনেই দ্রুত একটি জিনিস কিনে নিয়ে চলে এসেছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মনাক্কা টাওয়ারের এক কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, আমরা কী করব?  আমরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ীই দোকান খোলা রেখেছি। যারা ক্রেতা তারা কোন কথাই শুনতে চান না। তাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বললে মাইন্ড করেন। বলেন- আমরা কি আপনার থেকে কম সচেতন?

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম বার্তা২৪.কমকে বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা দোকানগুলো খোলা রেখেছি। মানুষ যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায়ে রেখে কেনাকাটা করেন তার জন্য আমরা নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছি। যারা সরকারের শর্ত মানছেন না তাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করছি।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস