কুর্মিটোলা হাসপাতালেও সেফ টু ডফ ডিসইনফেকশন চেম্বার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সেফ টু ড্রপ ডিসইনফেকশন চেম্বার, ছবি: বার্তা২৪.কম

সেফ টু ড্রপ ডিসইনফেকশন চেম্বার, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনায় সামনের সারির যোদ্ধা চিকিৎসক-নার্সদের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ৯৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তৈরি করেছেন সেফ টু ডফ ডিসইনফেকশন চেম্বার।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে সেফ টু ডফ ডিসইনফেকশন চেম্বারের দ্বিতীয় ইউনিটটি ইনস্টল করা হয়। এর আগে কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে ডিসইনফেকশন চেম্বার ইনস্টল করেন তারা। 

জানা গেছে, স্বাস্থ্যকর্মীরা যখন ডিউটি শেষে তাদের পরিধেয় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) খোলেন, (যেটাকে টেকনিক্যাল ভাষায় বলা হয় ডফিং ), তখন সেটা ধীর স্থিরভাবে খুলতে হয়। কিন্তু একসঙ্গে অনেক স্বাস্থ্যকর্মী যখন ডফিং  করেন, তখন করোনা আক্রান্তের হার অনেক বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এ আক্রান্তের হার কমানোর জন্য ডফিং য়ের আগেই পিপিইতে ভাইরাস লোড কমানোর জন্য বুয়েটের ৯৭ ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থীর উদ্যোগে সেফ টু ডফ নামের এ ডিসইনফেকশন চেম্বারটি তৈরি করেন।

সেফ টু ড্রপ ডিসইনফেকশন চেম্বার তৈরি করেছেন বুয়েটের ৯৭ ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী, ছবি: বার্তা২৪.কম

আরো জানা যায়, সেফ টু ডফের কার্যকারিতা প্রটোকল ডেভেলপ করতে বিভিন্ন রিসার্চ পেপারের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। কতটুকু ব্যবহার সর্বত্তোম উপযোগিতা দেবে, তা বিবেচনা করে সেফ টু ডফ তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া এটি তৈরি করার আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।

কুর্মিটোলা হাসপাতালের ডিরেক্টর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে জানান, সেফ টু ডফের গবেষণা ভিত্তিক অ্যাপ্রোচ, চিকিৎসকদের সঠিক সুরক্ষা দিতে সহায়তা করবে।

বুয়েটের ৯৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই এক সঙ্গে এগিয়ে এলে স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোবল অটুট থাকবে।