চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে ঈদ রোববার

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চাঁদপুর
চাঁদপুর জেলার মানচিত্র, ছবি: বার্তা২৪.কম

চাঁদপুর জেলার মানচিত্র, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাত পোহালে চাঁদপুর জেলার ৪০ গ্রামের লোকজন পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। প্রায় এক শতাব্দী ধরে এসব গ্রামের লোকজন সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন।

হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের সাদ্রা হামিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু বকর বলেন, একই মাদরাসার অধ্যক্ষ মরহুম মাওলানা আবু ইছহাক ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ইসলামের সব ধর্মীয় রীতিনীতি প্রচলন শুরু করেন। মাওলানা ইছহাকের মৃত্যুর পর থেকে তার ছয় ছেলে এ মতবাদের প্রচার চালিয়ে আসছেন। এদের মধ্যে তার বড় ছেলে মরহুম আবু যোফার মোহাম্মদ আবদুল হাই সাদ্রাভী ছিল অন্যতম।

চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব দক্ষিণ ও কচুয়া উপজেলার ৪০টি গ্রামে প্রায় ৮৯ বছর ধরে এভাবে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে।

যেসব গ্রামে রোববার ঈদ উদযাপন হবে- হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, শমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, বেলঁচো, জাঁকনি, প্রতাপপুর, গোবিন্দপুর, দক্ষিণ বলাখাল। ফরিদগঞ্জ উপজেলার সেনাগাঁও, বাশারা উভারামপুর, উটতলী, মুন্সিরহাট, মূলপাড়া, বদরপুর, পাইকপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, কাইতাড়া, নুরপুর, শাচনমেঘ, ষোল্লা, হাঁসা ও চরদুখিয়া। মতলব দক্ষিণ উপজেলার দশআনী, মোহনপুর, পাঁচআনী এবং কচুয়া উপজেলার উজানি গ্রাম।

সাদ্রা দরবার শরিফের বর্তমান গদিশীন পীরজাদা মাওলানা আবু জাহের আরিফ চৌধুরী বলেন, করোনাকালে মসজিদের ভেতরেই নামাজ আদায় করা হবে।

সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের ব্যবধান মাত্র ছয় ঘণ্টা। আমরা বাংলাদেশ একদিন আগেই রোজা রেখেছি।

আপনার মতামত লিখুন :