একদিন আগে কালীগঞ্জের শতাধিক পরিবারের ঈদ উদযাপন

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ঈদের নামাজ পড়ে মসদিজ থেকে বের হচ্ছেন মুসল্লিরা, ছবি: বার্তা২৪.কম

ঈদের নামাজ পড়ে মসদিজ থেকে বের হচ্ছেন মুসল্লিরা, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বের সব স্থানে একই দিন ঈদ উদযাপনে বিশ্বসী লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রামের শতাধিক পরিবার একদিন আগে রোববারই (২৪ মে) ঈদ উদযাপন করছে।

রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার মুন্সিপাড়ায় জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ। তবে বৃষ্টির কারণে জামাতে মুসল্লির সংখ্যা কম ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সাল থেকে কালীগঞ্জ উপজেলার সুন্দ্রহবী, মুন্সিপাড়া, আমিনগঞ্জ, বালাপাড়া, পার্শ্ববর্তী আদিতমারী উপজেলার নামরী গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেলেই রোজা ও ঈদ করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঈদ বা রমজানের চাঁদ সৌদি আরবের একদিন পর বাংলাদেশে চাঁদ দেখা যায়। ফলে দেশের সরকার ঘোষিত দিনের একদিন আগেই এসব পরিবার ঈদ উদযাপন করেন। তারা রোজাও শুরু করেন একদিন আগে।

মসদিদে ঈদের নামাজ পড়েছেন মুসল্লিরা, ছবি: বার্তা২৪.কম

এদিকে প্রতিবার ঈদের জামাত মুন্সিপাড়ার ঈদ গাহ মাঠে হলেও এবার করোনার কারণে সরকারি নির্দেশনা মেনে মসজিদে জামাত আদায় করেছেন মুসল্লিরা।

মুন্সীপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাজেদুল বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে সব মুসল্লি জামাত আদায় করেছি। সকাল সাড়ে ৯টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের প্রথম জামাত শুরু হয়।

কালীগঞ্জ উপজেলার হাড়িশহরের মুন্সিপাড়ার ঈদগাহ মাঠের সভাপতি মাওলানা মাছুম বিল্লাহ্ বলেন, সারা বিশ্বে একই দিন ঈদ হবে। এ বিশ্বাস থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বিগত কয়েক বছর ধরে এ এলাকার মানুষ শবে বরাত, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, শবে কদর, শবে মেরাজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :