বুধবার যুক্ত হচ্ছে আরো ১১ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে ট্রেন চালুর চতুর্থ দিনের মাথায় ট্রেনের সংখ্যা বাড়িয়ে বিভিন্ন রুটে আজ থেকে আরো ১১ জোড়া আন্তঃনগর যাত্রীবাহী ট্রেন যুক্ত হচ্ছে। তবে এসব ট্রেনের মধ্যে যেগুলার বুধবার সাপ্তাহিক বন্ধ আছে সেগুলা বৃহস্পতিবার থেকে চলবে।

গত ৩১ মে থেকে প্রথম দফায় চলাচল করছে ৮ জোড়া ট্রেন। এখন চলাচল করা ট্রেনের সংখ্যা দাঁড়াল মোট ১৯ জোড়া।

বুধবার (৩ জুন) কমলাপুর রেলস্টেশনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই ১১ জোড়া ট্রেনের মধ্যে ৭ জোড়া ট্রেন ঢাকা থেকে বিভিন্ন জেলায় যাত্রী আনা নেয়া করবে। বাকি ৪ জোড়া ট্রেন ঢাকার বাহিরে চলাচল করবে।

এদিকে, কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দেওয়ানগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে ছেড়েছে তিস্তা এক্সপ্রেস এবং সকাল পৌণে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ছেড়ে যাবে বলে জান যায়।

সব ট্রেনের মধ্যে যেগুলার বুধবার সাপ্তাহিক বন্ধ আছে সেগুলা বৃহস্পতিবার থেকে চলবে

দ্বিতীয় দফায় ট্রেনের সংখ্যা বেড়ে নতুন যে ১১ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে সেগুলো হলো, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার রুটে তিস্তা এক্সপ্রেস, ঢাকা-বেনাপোল রুটে বেনাপোল এক্সপ্রেস, ঢাকা-চিলহাটি রুটের নীলসাগর এক্সপ্রেস, ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটের কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, ঢাকা-নোয়াখালী রুটের উপকূল এক্সপ্রেস, ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটের কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ও ঢাকা-চাঁদপুর রুটের ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস, খুলনা-চিলহাটি রুটের রূপসা এক্সপ্রেস, খুলনা-রাজশাহী রুটের কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, রাজশাহী-গোয়ালন্দঘাট রুটের মধুমতি এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটের মেঘনা এক্সপ্রেস।

এর আগে, প্রথম দফায় গত রোববার (৩১ মে) থেকে যেসব রুটে চলাচল করছে ৮টি আন্তঃনগর ট্রেন সেগুলো হলো, 'সুবর্ণ এক্সপ্রেস (চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম), উদয়ন এক্সপ্রেস (চট্টগ্রাম-সিলেট-চট্টগ্রাম), লালমনি এক্সপ্রেস (লালমনিরহাট-ঢাকা-লালমনিরহাট), কালনী এক্সপ্রেস (সিলেট-ঢাকা-সিলেট), চিত্রা এক্সপ্রেস (খুলনা-ঢাকা-খুলনা), সোনার বাংলা এক্সপ্রেস (ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা), বনলতা এক্সপ্রেস (চাপাইনবয়াবগঞ্জ-ঢাকা-চাপাইনবয়াবগঞ্জ), পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (পঞ্চগড়-ঢাকা-পঞ্চগড়)'।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে ট্রেন

সব মিলিয়ে এখন আন্তঃনগর ট্রেনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ জোড়া । আগের মতই অর্ধেক আসন খালি রেখে টিকিট বিক্রি করা হয়েছে এসব ট্রেনের। তবে ট্রেনের সংখ্যা যেহেতু বেড়েছে স্টেশনে যাত্রী সংখ্যা কিছুটা বাড়ার আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

স্টেশনের বাড়তি চাপের বিষয় জানতে চাইলে কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক বার্তা২৪.কমকে বলেন, 'ট্রেন চালুর গত চারদিন সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমারা ট্রেনে যাত্রী পরিবহনে সফল হয়েছি। ট্রেনের সংখ্যা আজ বেড়েছে। যাত্রী চাপ সামাল দিতে আমাদের বাড়তি লোকবল রয়েছে। যাতে আগের মতই সকলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেনে যাত্রা করেন যে বিষয়টিতে নজর দেওয়া হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে যাত্রীদের নিজেদেরও সচেতন হওয়া উচিত।

আপনার মতামত লিখুন :