রংপুরে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জরিমানা

রংপুরে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জরিমানা

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরে করোনার সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানে নেমেছে প্রশাসন। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে অভিযানের প্রথম দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১২টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে রংপুর নগরীর সিটি বাজার, জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, বেতপট্টি, নবাবগঞ্জ বাজার, চাঁদিমা কমপ্লেক্স, সেন্ট্রাল রোড এলাকায় সেনাবাহিনী, মেট্রোপলিটন পুলিশ ও জেলা প্রশাসন যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা নেতৃত্বে দেন।

স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা না মানার অপরাধে অভিযানের প্রথম দিনে নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ জনতা গার্মেন্টসকে ১৫ হাজার টাকা, নিশাত বেনারশিকে ১০ হাজার টাকা, বন্ধন বেবি প্লাসকে ৫ হাজার, যমুনা ট্রেডিংকে ৩ হাজার টাকাসহ ১২টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

স্বাস্থ্যবিধি না মানা, নির্ধারিত সময়ের পরেও প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা, মাস্ক না পরা, গাদাগাদি করে ক্রেতাদের দোকানে রেখে ব্যবসা পরিচালনাসহ করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়ানোর জন্য দায়ীদের আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, রংপুর করোনা সংক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। কিন্তু মানুষের মাঝে করোনা ভীতি নেই। রাস্তা-ঘাটে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে মানুষজন ভিড় করছে। মাস্ক ছাড়া রাস্তায় চলাফেরা করছে। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই ব্যবসায়ীরা ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসক আসিব আহসানের নির্দেশে রংপুরকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আজ থেকে আমরা কঠোরভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করেছি। কেউ স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাদেরকে জেল জরিমানা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা রংপুরবাসীকে জানিয়ে দিতে চাই। সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি না মানলে প্রত্যেক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানকে জেল, জরিমানা গুনতে হবে। ঘর থেকে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। প্রত্যেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা জীবাণুনাশকের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকার নির্ধারিত সময়ে দোকান বন্ধ করতে হবে। আমরা এখন থেকে রাত-দিন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবো।

অভিযানে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার জমির উদ্দিনসহ সেনাবাহিনী ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :