বর্ষার শুরুতেই চাঁদপুরে মেঘনার ভাঙন



মনিরুজ্জামান বাবলু, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চাঁদপুর
ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে বর্ষার শুরুতেই মেঘনার ভাঙন শুরু হয়েছে।

ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে বর্ষার শুরুতেই মেঘনার ভাঙন শুরু হয়েছে।

  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ও ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে বর্ষার শুরুতেই মেঘনার ভাঙন শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে সরেজমিনে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।

হানারচর ও ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে মেঘনার ভাঙনে ফসলি জমি, বসতঘর, গাছপালাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

হানারচর এলাকায় দেখা গেছে, স্রোত ও নদীর ঢেউয়ে ভাঙছে নদীর পাড়। হানারচর এলাকার গোবিন্দিয়া গ্রাম থেকে আখনের হাট পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ভাঙনের তীব্রতা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে এই এলাকার বিভিন্ন স্থানে ২শ থেকে ৩শ মিটার জায়গা নদী গর্ভে চলে গেছে।

এছাড়া ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

ভাঙন কবলিত এলাকা।

হানারচরের গোবিন্দিয়া গ্রামের বাসিন্দা রহমান জমাদার, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর, এবিএম তারেক আলম বলেন, ‘এই এলাকায় ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে বেড়িবাঁধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, বসতঘর, ফসলি জমি, গাছপালাসহ অন্যান্য স্থাপনা। গত বর্ষায়ও আমাদের এলাকা নদী ভাঙনে শিকার হয়েছে। তখন উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে গেছেন। ভাঙন রোধে এখনো পর্যন্ত কোনো কাজ করা হয়নি।’

এ ব্যাপারে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান জানান, চাঁদপুর শহর থেকে হাইমচর উপজেলা পর্যন্ত ভাঙনরোধে মেঘনা নদীর পাড়ে ব্লক ও জিও ব্যাগ ভর্তি বালি ফেলা হয়েছে।

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. বাবুল আখতার জানান, মেঘনার ভাঙন রোধে চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করা হবে।