কুড়িগ্রামে দুর্ভোগে বানভাসি মানুষ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে দুর্ভোগে বানভাসি মানুষ

কুড়িগ্রামে দুর্ভোগে বানভাসি মানুষ

  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি সামান্য কমলেও এখনো ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ঘরবাড়ি থেকে পানি নেমে না যাওয়ায় দুর্ভোগ কমেনি প্রায় দেড় লক্ষাধিক বানভাসি মানুষের। অনেকের হাতে কাজ ও ঘরে খাবার না থাকায় খেয়ে না খেয়ে দিন অতিবাহিত করছেন । সরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা শুরু হলেও অনেকের ভাগ্যে তা জুটছে না।

এ বন্যায় কোনো ত্রাণ সহায়তা পেয়েছেন কি না জানতে চাইলে, যাত্রাপুর ইউনিয়নের চর যাত্রাপুর গ্রামের রহিমা বেগম ও আমিনা জানান, আমার গুলার সবার ঘরোত পানি, চকি থাকি নাইমবার পাই নাই। পানিত হাটতে হাটতে ঠেংগোত ঘাও হইছে। হ্যামরা ৪-৫ দিন থাকি কোনরহমে খ্যায়া না খ্যায়া দিন পার করবাছি বাহে। আজ পর্যন্ত কাইও আমাক কিছু দেয় নাই, কাইও খবরো নিবার আসেও নাই।

কুড়িগ্রাম সদর যাত্রাপুর ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী সরকার জানান, আমার ইউনিয়নে ২২ শ পরিবার সম্পূর্ণ পানিবন্দী জীবনযাপন করছে। ৪ শ পরিবারকে ১০ কেজি চাউল দেওয়ার জন্য ৪ মেট্রিক টন চাউল বরাদ্দ পেয়েছি।

জেলার ৯ উপজেলার ৫০ ইউনিয়নের বন্যা কবলিত এলাকার রাস্তাঘাট তলিয়ে থাকায় বিচ্ছিন্ন রয়েছে এসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা।

বুুধবার (১ জুলাই) কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :