স্ত্রী হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেন স্বামী

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনমালিন্যের জেরে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করে বাবা মায়ের পরামর্শে চাড়ালকাটা নদীতে মরদেহ ভাসিয়ে দিয়েছে স্বামী আশিফুল ইসলাম টাইগার (৩০)। তিনি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বেলতলী এলাকার বালাপাড়া গ্রামের এলাহি বকস ওরফে কান্দুরার ছেলে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান (বিপিএম পিপিএম)।

তিনি আরও জানান, পাঁচ বছর বিবাহিত জীবন অতিবাহিতকালে বিভিন্ন সময়ে পারিবারিক ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো আশিফুল-শ্যামলী দম্পতির। গত ৩ জুলাই রাতে স্ত্রী শ্যামলী বেগম (২২) ও আশিফুলের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাক বিতণ্ডার জেরে শ্যামলীকে বাবার বাড়ি যেতে বলে আশিফুল। পরদিন সকালে স্ত্রীকে দেখে উত্তেজিত হয়ে বাবার বাড়ি না যাওয়ার কারণ জানতে চায় সে। একপর্যায়ে কাঁঠাল গাছের সাথে লাগানো বাঁশের খুঁটি দিয়ে শোয়ার ঘরের ভেতর শ্যামলীর গলার ডান পাশে ও ডান পাশের পাজোরের নিচে আঘাত করে। জ্ঞান হারিয়ে খাটের উপর পড়ে যায় শ্যামলী।

পুলিশ সুপার জানান, বেশ কিছুক্ষণ পর তার মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলে আশিফুল তার বাবা এলাহি বকস ওরফে কান্দুরা ও মা আসফিয়া বেগমের পরামর্শে চাড়ালকাটা নদীতে ফেলে দেয়। ৬ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টায় স্থানীয়রা নদীতে শ্যামলীর মরদেহ দেখেতে পান। এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে শ্যামলীর বাবা মা এসে তার মরদেহ শনাক্ত করে।

তিনি জানান, এই ঘটনায় শ্যামলীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে জেলার কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনার মূল আসামি স্বামী আশিফুল ইসলাম ও তার বাবা এলাহি বকসকে গ্রেফতার করে। আসামি ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

আপনার মতামত লিখুন :