কোভিড নিয়ে খুলনাতে যেন বাণিজ্য না হয়: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
রোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভা

রোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভা

  • Font increase
  • Font Decrease

কোভিড-১৯ চিকিৎসা নিয়ে খুলনাতে যেন বাণিজ্য না হয় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলেছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন।

শনিবার (১১ জুলাই) করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভায় একথা বলেন তিনি। খুলনার জেলা প্রশাসক মো. হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সচিব আরও বলেন, খুলনার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো যেন কোভিড-১৯ চিকিৎসা নিয়ে প্রতারণার সুযোগ না পায়। বেসরকারি হাসপাতালগুলোর লাইসেন্স নবায়নসহ সরকারি নিয়ম নীতি অনুসরণ করছে কিনা তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সকল দপ্তরের সমন্বয়ে সম্মিলিতভাবে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ অব্যাহত রাখলে খুলনায় সংক্রমণের হার কমে আসবে।

সভায় আলোচনা শেষে আরও কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়: জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচারের পাশাপাশি আইনের প্রয়োগ ঘটানো হবে। সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করাতে দপ্তর প্রধানের প্রত্যয়পত্র লাগবে। ঈদ-উল-আজহায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থল ত্যাগ করবেন না। আমদানি হলেই খুলনায় আরও একটি করোনাভাইরাস পরীক্ষার পিসিআর মেশিন এবং কোভিড হাসপাতালে হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সরবরাহ করা হবে। খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালকের দপ্তর প্রয়োজন হলে বিভাগের অন্য জেলা-উপজেলা হতে চিকিৎসক ও নার্সদের কোভিড হাসপাতালে পদায়নের ব্যবস্থা করবেন। আগ্রাধিকার ভিত্তিতে শারীরিকভাবে বেশি অসুস্থ রোগীদের দ্রুত করোনাভাইরাস পরীক্ষার রিপোর্ট প্রদান করা।

সভায় জেলা প্রশাসক জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকে এপর্যন্ত শুধু স্বাস্থ্যবিধি মানাতে এক হাজার ৫১২ জনকে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন জানান,  খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৭ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং রূপসার আইচগাতি ইউনিয়নে লকডাউনের ফলে গত দুই সপ্তাহে ঐ সকল এলাকায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অনেকাংশে কমেছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) হোসেন আলী খোন্দকার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসালম, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী মোঃ রেজা সেকেন্দার, খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ, খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের উপপরিচালক ডা. শামীম আরা নাজনীন, খুলনার সিভিল সার্জন ডা: সুজাত আহমেদসহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস