কেসিসির পশুর হাটে কমেছে হাসিল আদায়

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
কোরবানির পশুর হাট

কোরবানির পশুর হাট

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) কোরবানির পশুর হাটে চলতি বছর হাসিল আদায় কমেছে। করোনার প্রভাবে কোরবানির পশুর বিকিকিনি কম হওয়ায় হাসিল কমেছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।

গত শ‌নিবার (১ আগস্ট) ঈদের দিন ভোর পর্যন্ত হাট থেকে কর্তৃপক্ষ সর্বমোট ১ কোটি ৬৪ লাখ ৭৭ হাজার ৭ টাকা আদায় করেছে। যা গত বছরের থেকে ৪৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৪৮ টাকা কম।

সোমবার (৩ আগস্ট) কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জাহিদ হোসেন জানান, ২০২০ সালে কেসিসি নিয়ন্ত্রিত কোরবানির পশুর হাটে মোট ৬ হাজার ১৬৯টি পশু বিক্রি হয়েছে। এরমধ্যে গরু ৪ হাজার ৭৭২টি, ছাগল ১ হাজার ৩৬০টি এবং অন্যান্য পশু ৩৭টি। সর্বমোট হাসিল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৪ লাখ ৭৭ হাজার ৭ টাকা। ২০১৯ সালে সর্বমোট পশু বিক্রি হয়েছিল ৭৮০৫টি। এর মধ্যে গরু ৬১৪৪টি, ছাগল ১৬৫৬টি ও ভেড়া ছিল ৫টি। কেসিসির হাসিল আদায় হয়েছিল ২ কোটি ৮ লাখ ৯ হাজার ৯৫৫ টাকা।

কেসিসি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে পশু বিক্রি হয়েছিল ৭ হাজার ৩২টি। এর মধ্যে গরু ৫ হাজার ৩৮২টি ও ছাগল ছিল ১ হাজার ৬৪২টি । হাসিল আদায় হয়েছিল ১ কোটি ৬৫ লাখ ৩৫ হাজার ৮৮১ টাকা। ২০১৭ সালে পশু বিক্রি হয়েছিল ৮ হাজার ৪০৩টি। হাসিল আদায় হয় ২ কোটি ১০ লাখ ৩০ হাজার ৩৪৩ টাকা।

কোরবানির পশু কেনাবেচার জন্য প্রতিবছর নগরীর জোড়াগেট পাইকারি কাঁচা বাজারে পশুর হাট বসায় কেসিসি। আগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাট পরিচালনা করতো। ২০০৯ সালে এই হাট থেকে কেসিসির আয় ছিল ৪৭ লাখ টাকা। এরপর ২০১১ সাল থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় হাট পরিচালনার উদ্যোগ নেয় কেসিসি। সেই থেকে এই হাটের মাধ্যমে কোটি টাকার রাজস্ব আয় করছে কেসিসি।

কেসিসির ২১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও কোরবানির পশুর হাট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মো. শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন জানান, করোনাভাইরাসের কারণে এই বছর পশু বিকিকিনি কমেছে। হাটে পর্যাপ্ত পরিমাণ কোরবানির পশু ছিল। দামও ছিল নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। কিন্তু অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি ও করোনার কারণে হাটে আসেনি। ফলে পশু কম বিক্রি হওয়ায় হাসিল কম আদায় হয়েছে।