নির্বাচনকে গোরস্থানে সমাধিত করেছে নির্বাচন কমিশন: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচন কমিশনার সুষ্ঠু নির্বাচনকে গোরস্থানে সমাধিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি নির্বাচন কমিশনারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার মত এই ধরনের ক্রীতদাস আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। নির্বাচন দিয়ে, ভোট দিয়ে যত অনাচার করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনার সুষ্ঠু নির্বাচনকে গোরস্থানে সমাধিত করেছে। আওয়ামী লীগ মনে করে এত বড় তাবেদার আর এত বড় গোলাম আর তো পাওয়া যাবে না। অথচ জিয়াউর রহমান বাকশালের অন্ধকার থেকে গণতন্ত্রকে উদ্ধার করেছে। মিডিয়াকে বলি ভাই আমি তো এই কথা বললাম। তার বলে গোয়েন্দা বাহিনী আমাদের সব সময় নজরে রাখে। অর্থাৎ তাদের বিরুদ্ধে কিছুই বলা যাবে না।

মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো ও নিউ মার্কেট থানা ছাত্রদল, ২২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি শহীদ মাহবুবুর রহমান বাপ্পির ৬ষ্ঠ শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়াতাবাদী ছাত্রদলের আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন রিজভী।

রিজভী আরও বলেন, মাহবুব তালুকদার সাহেব বলেছেন, চট্টগ্রামের নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা আছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এখানে ফেয়ার নির্বাচন হবে না। কিন্তু আপনি তাকে ধরবেন না। আপনি ধরবেন কাকে? আপনি ধরবেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের। চট্টগ্রামে ৬৯ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হলো কেন? আওয়ামী লীগের কাউকে তো গ্রেফতার করা হয়নি। আওয়ামী লীগের কারো বিরুদ্ধে তো মামলা দেওয়া হইনি। চট্টগ্রামে এক হাজার বিএনপির নেতার্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।

বেগম জিয়া আজো বন্দি কেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কি এমন অপরাধ? পদ্মা সেতুর মত বড় কোন প্রজেক্টের টাকা তিনি নেননি এটাই তার অপরাধ। যে অভিযোগ দিয়েছেন সে টাকা ফুলে-ফেঁপে ২ কোটি টাকা থেকে ৮ কোটি টাকা হয়েছে। কি অপরাধ তার? তার অপরাধ একটাই তিনি গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলেন। এবং আওয়ামী লীগের দুর্নীতি আর দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলেন। এটাই আপরাধ। আর এই কারণেই তিনি আজ বন্দী।

তিনি আরও বলেন, এদের কাজই হলো বিরোধী দলকে নানা উসিলায়, নির্যাতন করা আর নিপিড়ন করা। ফাঁসি থেকে শুরু করে কারারুদ্ধ করা। হিটলারও তাই করেছে। গণতন্ত্রের চেতনা, জঙ্গি জঙ্গি এই কথাগুলো বলে এটা বিভ্রান্তি তৈরি করে মূল টার্গেট বিরোধী দলকে ধ্বংস করা।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ রবিউল আলম রবি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক জুটি শিপন এবং খোকন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, ঢাকা মহানগর পূর্বের সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম, সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মানিক, খালিদ হাসান জ্যাকি, শাহাদাত হোসেন সৈকত, জাহাঙ্গির রহমান পাটোয়ারি, জোনায়েদ আহমেদ সুমন, সোহেল রানাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।