‘ভিনদেশীদের নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করেছে সরকার’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন

বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রীয় কারফিউয়ের মাধ্যমে দেশের জনগণকে বাদ দিয়ে ভিনদেশী মুনিবদের সাথে নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করেছে সরকার।

সোমবার (২৯ মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। হেফাজতে ইসলামের সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে নিহতের ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।

ইশরাক হোসেন বলেন, সারাদেশে বিশেষ করে ঢাকার মানুষকে ঘরে ঢুকিয়ে এক ধরনের কারফিউ দিয়ে কিছু বিদেশি প্রভুদের নিয়ে এসে আমাদেরই স্বাধীনতা পালন করা হলো। লজ্জা লাগে আজ এভাবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করতে হলো। অথচ দল মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল পেশার মানুষের এক সাথে হয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করার কথা ছিল।

নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আসা নিয়ে ইসলামী দলগুলোর সাথে বেশ কয়েকদিন ধরেই সরকারের ঝামেলা চলছে উল্লেখ করে তিনি অভিাযোগ করে বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন চলছে তা আড়াল করার জন্যই সরকার ধর্মকে ব্যবহার করছে। বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র, এ দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে নিতে ধর্মকে ব্যবহারের চক্রান্তে মেতে ওঠেছে সরকার। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ঘটে যাওয়া গোলাগুলির ঘটনায় সরাসরি আওয়ামী লীগ জড়িত।

বিএনপি নেতা বলেন, হেফাজতের হরতালে মুন্সিগঞ্জের ৮০ বছর বয়স্ক বড় হুজুরকে সরাসরি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা গুলি করে আহত করেছে। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে প্রচুর অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। এদের মোকাবিলা করে দেশে স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হওয়ারও আহ্ববান জানান ইশরাক হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের ‍উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।