‘এরশাদের মৃত্যু বার্ষিকীতে নির্বাচন চাই না’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘এরশাদের মৃত্যু বার্ষিকীতে নির্বাচন চাই না’

‘এরশাদের মৃত্যু বার্ষিকীতে নির্বাচন চাই না’

  • Font increase
  • Font Decrease

হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যু বার্ষিকীর দিন (১৪ জুলাই) আমরা কোন নির্বাচন চাইনা। ওই দিন উপ-নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত থাকলেও নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের চিন্তা-ভাবনা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু।

মঙ্গলবার (৮ জুন) উপ-নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে বৈঠকে স্মারকলিপি প্রদান শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে অনেক কথা আছে, অনেক প্রশ্ন আছে। তারপরও জাতীয় পার্টির বক্তব্য নিয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাই। সেজন্য আমরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকে শুরু করে সকল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করি।

তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমাদের দাবির যৌক্তিকতা অনুধাবন করে পূর্নাঙ্গ কমিশনের বৈঠক করে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

জাতীয় পার্টি মহাসচিব বলেন, আগামী ১৪ জুলাই উপ-নির্বাচনের তারিখ দেয়া হয়েছে কিন্তু ওই দিন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী। এই দিনটি আমাদের জন্য একটি শোকের দিন, সবার জন্য মনোবেদনার দিন। তাই ১৪ই জুলাই উপ-নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করায় জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মী এবং অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের সবাই মনোক্ষুন্ন হয়েছে। ১৪ জুলাই দিনভর ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে নানা কর্মসূচি পালন করবে জাতীয় পার্টি। তাই জাতীয় পার্টির জন্য ১৪ জুলাই নির্বাচনে অংশ নেয়া দুরূহ হয়ে পড়বে। ওই দিন জাতীয় পার্টি নির্বাচনের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকবে না। তাই পার্টির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে বৈঠক করে আমরা স্মারকলিপি দিয়েছি।

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় পার্টির প্রতিনিধি দলে ছিলেন- কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, মুজিবুল হক চুন্নু (এমপি), প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যড মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব মো. বেলাল হোসেন, প্রেস সেক্রেটারি-২ খন্দকার দেলোয়ার জালালী, দফতর সম্পাদক-২ এম এ রাজ্জাক খান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, সাহিত্য ও কৃষ্টি বিষয়ক সম্পাদক সুমন আশরাফ, যুগ্ম দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এবং নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (গণসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান ।