কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যর্থ হলো, প্রশ্ন জি এম কাদেরের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, সরকারি সহায়তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাহারার মাঝে কেমন করে পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা হলো তা তদন্ত করতে হবে। কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যর্থ হলো, এটা বের করতে হবে।

রোববার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা ও নব-নিযুক্ত মহাসচিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

জিএম কাদের আরও বলেন, কোরআন অবমাননার খবর সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ছড়িয়ে দিতে অপচেষ্টা করেছে একটি চক্র। পরিকল্পিতভাবে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায় কখনোই তাদের উৎসবমূখর পূজা বানচাল করতে কোরআন-কে অবমাননা করবে না। সামান্যতম ঈমান থাকলে কোন মুসলিম কোরআন-কে অবমাননা করতে ষড়যন্ত্র করতে পারে না।

তিনি বলেন, একই সময়ে এক প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানি না বলে যে উসকানিমূলক বক্তব্য ভাইরাল করেছেন, তার সাথে এই ষড়যন্ত্রের যোগসূত্র আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখতে হবে। একজন অর্বাচিন ব্যক্তির মত ঐ প্রতিমন্ত্রী জননন্দিত প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে কটূক্তি করেছে। আবার সংবিধান পরিপন্থি কথা বলে, শপথ ভঙ্গ করেছেন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের পঞ্চাদশ সংশোধনীর বিরুদ্ধে কথা বলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। খতিয়ে দেখতে হবে, অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী কেন উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি বলেন, হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে কোনভাবেই সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে দেবো না। এদেশে একই চত্বরে মসজিদ ও মন্দিরে উপসনা চলছে শত শত বছর ধরে। আমাদের পূর্ব পুরুষরাও একই সাথে ধর্মীয় আচার-আচারণ পালন করেছে। কখনো কোন সমস্যা হয়নি, এখন কেন হচ্ছে তা খতিয়ে দেখতে হবে। সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে যে কোন ষড়যন্ত্রই ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।

তিনি বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সকল ধর্ম পালনে শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি দেশের ৯২ ভাগ মানুষের অন্তরের ভাষা বুঝেই ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করেছিলেন। পাশাপাশি সকল ধর্ম পালনে সমান অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, যার ধর্মীয় বিশ্বাস আছে এবং যিনি দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন সে কখনোই অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা করতে পারে না। দেশে এত গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে, তার মাঝেও কুমিল্লার মন্দিরে কে বা কারা কোরআন শরীফ রেখেছে তা বের করতে হবে।

প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব (খুলনা বিভাগ) সাহিদুর রহমান টেপার সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এমপি, এডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য নাজনীন সুলতানা, মো. জহিরুল হক জহির, সাব্বির আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মধু, শেখ মো. আলমগীর হোসেন, শরিফুল ইসলাম সরু চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মো. বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, সুমন আশরাফ, যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক আহাদ চৌধুরী শাহীন, এস.এম. আল জুবায়ের, নড়াইল জেলা আহ্বায়ক এড. খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি রাশেদ মাজমাদার, কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি নাফিজ আহমেদ খান টিটু, চুয়াডাঙ্গা জেলা আহ্বায়ক এড. মো. সোহরাব হোসেন, বাগেরহাট জেলা সাধারণ সম্পাদক হাজারা শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাতক্ষীরা জেলা সহ সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, যশোর জেলা সিনিয়র যুগ্ম আহ্বাযক মুফতি হাকিম ফিরোজ শাহ, মাগুরা জেলা আহ্বায়ক মোছা. সেলিনা খাতুন, এসএম মুশফিকুর রহমান, তরুণ পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোড়ল জিয়াউর রহমান, ছাত্রনেতা অর্ণব চৌধুরী।

প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে না ঢাবি ছাত্রদল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে না ঢাবি ছাত্রদল

প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে না ঢাবি ছাত্রদল

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেয়ারও সুযোগ পাচ্ছে না জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঢাবি ছাত্রদলের সাথে বিমাতা'র মতো আচরণ করছে বলেও দাবি করেন তারা।

বুধবার (২৫ মে) বিকেলে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক আকতার হোসেন এ দাবি করেন।

ছাত্রলীগের হামলার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ করেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আক্তার হোসেন বলেন, গতকাল ছাত্রলীগের হামলার পরে আমরা প্রক্টর মহোদয় এবং ডিসি মহোদয়ের সাথে শতবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা আমাদের সাথে বিমাতামূলক আচরণ করেছেন। প্রক্টর মহোদয় ছাত্রলীগের ভূমিকায় কথা বলেছেন। গণমাধ্যমের মাধ্যমে আমরা তাদেরকে আহ্বান জানাই আমাদের কথা বলার সুযোগ দিন। আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্রের অভিভাবক। আপনারা আমাদের সাথে অভিভাবকমূলক আচরণ করুন।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ বলেন, ছাত্রলীগ বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে ছাত্রদল হামলা চালিয়েছে। তারা পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করে ত্রাসের রাজত্ব করছে। ইচ্ছাকৃতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করছে। আমরা তাদের এই হীন কর্মকাণ্ডকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ তৈরীতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা প্রত্যাশা করি।

বিএনপি যেমন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে সংলাপ করছেন ছাত্রদলেরও  অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের সাথে এরকম সংলাপের পরিকল্পনা আছে কিনা গণমাধ্যমের এমন প্রশ্নের জবাবে সাধারণ সম্পাদক সাঈফ মাহমুদ জুয়েল বলেন, অনেক ছাত্র সংগঠনের সাথে আমাদের অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হচ্ছে। ছাত্রফেডারেশন, ছাত্র ইউনিয়ন আমাদের উপর হামলার নিন্দা জানিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদল যেভাবে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতৃত্ব দিয়েছেন ঠিক সেভাবে এবারো নেতৃত্ব দিবে।

এসময় লিখিত বক্তব্যে ছাত্রদল সভাপতি বলেন, ছাত্রদল মনে করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ তার মুখের ভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে, বাংলাদেশ পেয়েছে একটি স্বাধীন পতাকা ও স্বাধীন মাতৃভূমি। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন সংগঠনের মুক্তচিন্তা ও স্বাধীন মতামত প্রকাশের জায়গা। কিন্তু যখন দেখি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হলে সাধারন শিক্ষার্থীরা, বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ কতৃক অনুমোদিত অন্যান্য ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মার খাচ্ছে তখন দেশের সাধারন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন হিসেবে এর পরিবেশ সুষ্ঠ রাখার দায় ছাত্রদলের উপরও বর্তায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

;

গণ কমিশনের আয়-ব্যায়ের অনুসন্ধান করতে হবে: জাপা মহাসচিব



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ১১৬ জন আলেমের বিরুদ্ধে যারা দুদকে অভিযোগ করেছে, সেই গণ কমিশনের আয়-ব্যায়ের অনুসন্ধান করতে হবে।

বুধবার (২৫ মে) দুপুরে জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে পার্টির সম্পাদক মন্ডলীর এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, গণকমিশন এর কোন আইনি ভিত্তি নেই। কে বা কারা এবং কেন এই গণকমিশন সৃষ্টি করেছে তা খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি অনুরোধ করছি।

গণকমিশনের সাথে জড়িতদের আয়-ব্যায় ও লেনদেন অনুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশণ এর প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন, গণকমিশনের তথ্য মতে বুজুর্গদের হয়রানি করা ভালো হবে না। দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে, এমন বাস্তবতায় মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে ফেরাতেই গণকমিশন কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় পার্টি নিজস্ব রাজনীতি নিয়ে রাজনীতির মাঠে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় পার্টি কারো জোটে নেই, কারো জোটে যেতে জাতীয় পার্টি অঙ্গীকারও করেনি। আগামী নির্বাচনে দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় পার্টি। জাতীয় পার্টি মানুষের অধিকারের স্বার্থে কখনোই আপোষ করবে না। তাই তিনশো আসনেই প্রার্থী দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছে। দেশের মানুষ এখন আর দল দুটিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চেয়ে সাধারণ মানুষের কাছে জাতীয় পার্টি বেশি গ্রহণযোগ্য।

;

আওয়ামী লীগ থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিতে হবে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

দুঃসময়ের কর্মীদের কাছে টানার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিয়ে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে হবে।

বুধবার (২৫ মে) সকালে চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা থেকে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পদ্মা সেতু হওয়াতে সারাদেশের মানুষ খুশি। সেতু উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণার পর সবখানে সাজ সাজ রব। বিএনপি নেত্রী বলেছিলেন, পদ্মা সেতু হবে না। তিনি এখনও বেঁচে আছে। আল্লাহ তার হায়াত দান করুক। তিনি নিশ্চয়ই শুনেছেন পদ্মা সেতু হয়ে গেছে। কাজ শেষ। শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। তাই বিএনপি ও তার দোসরদের বুকে বড় জ্বালা। কারণ তাদের কোনও উন্নয়ন নেই। তাদের আছে শুধু হাওয়া ভবন এবং ৫ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কেলেঙ্কারি।

কাদের আরও বলেন, অপেক্ষা করুন, সামনে আসছে তরুণ প্রজন্মের ড্রিম প্রোজেক্ট মেট্রোরেল। চট্টগ্রামেও ফিজিবিলিটি স্টাডি হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার নদীর তলদেশে একমাত্র টানেল। শেষ পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্ণফুলী টানেল। আর কত দেখবেন? নিজেদের তো দেখানো কিছু নেই।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, চট্টগ্রামবাসীর দাবি অনুযায়ী ফ্লাইওভারের কাজ আমরা শুরু করবো। একটা কথা মনে রাখবেন, শেখ হাসিনার এত উন্নয়ন, এত অর্জন ম্লান হয়ে যাবে যদি আচরণ যদি আপনারা মানুষকে খুশি করতে না পারেন। মানুষ যদি খুশি না থাকে তাহলে এত উন্নয়ন কেন করছেন শেখ হাসিনা। সারা বাংলাদেশে শতভাগ বিদ্যুৎ, আলোতে আলোতে আলোকিত। চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সমস্যা মাঝে মাঝে খারাপ খবরের শিরোনাম। মাঝে মাঝে চট্টগ্রাম মহানগরীতে অন্তঃকলহে অনেকের প্রাণের প্রদীপ নিভে গেছে। আর দেখতে চাই না।

এ সময় মহানগরের সম্মেলন করার জন্য নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, দুঃসময়ের কর্মীদের কাছে টানতে হবে। আওয়ামী লীগ থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিতে হবে। বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে হবে।

;

২৬-২৭ মে দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা ছাত্রদলের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ।

ঘোষণায় জানানো হয়, ২৬ মে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং ২৭ মে দেশের সব মহানগর, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় শহরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হবে।

এর আগে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের এক সংবাদ সম্মেলনে হকিস্টিক, লাঠি, ছুরি ও লোহার রড নিয়ে হামলা চালায় ঢাবি ছাত্রলীগ।

এছাড়া দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন ছাত্রদল নেতারা।

এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বিবৃতি দিয়েছে এবং ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সব ছাত্র সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষক সংগঠন সাদা দলও ছাত্রদলের ওপর হামলার নিন্দা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।

;