চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ইউপি প্রার্থী চূড়ান্ত আ.লীগের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ৩য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। গণভবনে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দলের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় মনোনয়ন প্রাপ্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সোমবার (২৫ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের মূলতবি সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তৃতীয় ধাপের সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে মনোনয়ন বোর্ড সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমির হোসেন আমু, ওবায়দুল কাদের, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, কাজী জাফরউল্লাহ, ড. আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, রমেশ চন্দ্র সেন, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, রশিদুল আলম, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ।

এর আগে বৃহস্পতিবার থেকে মনোনয়ন বোর্ডের চার দিনব্যাপী বৈঠক শুরু হয়। প্রথম দিনের বৈঠকে লক্ষ্মীপুর জেলার সদর পৌরসভা, পাবনার বেড়া, নোয়াখালীর সেনবাগ, রংপুরের পীরগঞ্জ, পটুয়াখালীর গলাচিপা, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, গাজীপুরের কালিয়াকৈর এবং নীলফামারীর সদর পৌরসভার মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।এছাড়া এই দিনে তৃতীয় ধাপের রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হয়।

শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। শনিবার ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়।

৯টি পৌরসভা ও এক হাজার সাতটি ইউপিতে নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত দলীয় মনোয়নের আবেদন ফরম বিক্রি ও জমা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। এই পাঁচদিনে ৫ হাজার ৪৮৬ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী দলীয় ফরম কেনেন। এসব মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্য থেকেই প্রার্থী চূড়ান্ত করছে ক্ষমতাসীন দলটি।

উল্লেখ্য, দশম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে সারা দেশে এক হাজার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদ ও ১০টি পৌরসভায় ভোট হবে ২৮ নভেম্বর। ২ নভেম্বর এসব ইউনিয়ন ও পৌরসভায় মনোনয়নপত্র দাখিল হবে। বাছাইয়ের তারিখ ঠিক করা হয়েছে ৪ নভেম্বর। এ ছাড়া মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে সময় থাকবে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত।

‘ব্লক চেইন টেকনোলজিতে বিতর্কমুক্ত নির্বাচন হতে পারে’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল

জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল

  • Font increase
  • Font Decrease

জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল বলেছেন, ব্লক চেইন টেকনোলজি প্রচলিত সব প্রযুক্তির সেরা। নিরপেক্ষ,  বিতর্কমুক্ত সুষ্ঠু নির্বাচন প্রশ্নে ব্লক চেইন টেকনোলজি এবং ই-ভোটিং বাস্তাবায়ন এখন সময়ের দাবী।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে  বনানীস্থ জাকের পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সন্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ব্লক  চেইন” এর মত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির বাস্তবায়ন, ই-ভোটিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসে ভোট প্রদানের প্রস্তাবনা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আমরা পেশ করেছি। যা রাষ্ট্রপতির কাছে এ ধরনের সর্বপ্রথম প্রস্তাবনা। এ প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রপতি চমৎকৃত হন  এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলের সদস্য ভোটারদের নাম, আইডি কার্ড এবং স্ব-স্ব দলের সমর্থক ভোটারদের ভোটারের নাম, আইডি কার্ড, স্বাক্ষর এবং ছবিযুক্ত ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে। এ ডাটাবেজ নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে। তা হলে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর যে সংরক্ষিত ভোট আছে তার প্রমাণ নির্বাচনের পূর্বেই নির্বাচন কমিশন অবহিত থাকবেন। এরপর নির্বাচন কমিশন এ ডাটাবেজ একটি অ্যাপের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে উম্মুক্ত করে দিবে। এতে করে ভোট গননা এবং ফলাফলের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর ভোট প্রদান, সংখ্যা এবং ফলাফলের সাথে চেক এন্ড ব্যালেন্স আসতে পারে।

তিনি বলেন, ব্লক চেইন প্রযুক্তি সবচাইতে গতিশীল এবং সুরক্ষিত। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কেউ চাইলেই লেনদেনে গড়মিল তৈরী করতে পারে না। ভোটার ডাটা ব্লক চেইন এর মাধ্যমে ষ্টোর করা এবং ভোটের ডাটাবেজ দেশের সকল নাগরিকদের জন্য উম্মুক্ত করে দিতে হবে। এই পদ্ধতিটি হ্যাকড করা সম্ভব নয়, বাকি সব পদ্ধতি হ্যাকিং হতে পারে।

জাকের পার্টি চেয়ারম্যান স্টার্টআপ দের জন্য স্টার্টআপ ইকুইটি ফান্ড, বয়স্কদের জন্য পেনশন ফান্ড, আয়ের গড়  হিসাবের প্রচলিত ধারার অসামঞ্জস্য এবং  সঞ্চয়কারীদের সঞ্চয় কে  বিনিয়োগের আরো বড় খাত তৈরির অপরিহার্যতা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কি করে আমরা গরীব মেহনতি মানুষকে মূল অর্থনীতির স্রোতধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারি। বাংলাদেশে  ল্যান্ড সাইজ ছোট হতে পারে কিন্তু একেকটি জেলা একটি ইউরোপীয় রাষ্ট্রের সমান। আমাদের ৬ লাখ কোটি টাকার বাজেট যদি সমান ভাগে ভাগ করা হয় তাহলে প্রতিটি জেলা পায় ১০ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ ৫বছর মেয়াদে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা পায়, গুণগত ব্যায় ও সুষম বন্টন নিশ্চিত করা গেলে আমরা দারিদ্রতা কে পরাজিত করতে পারতাম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জেলা পর্যায়ে গভর্নর নিয়োগ করার প্রস্তুতি নিয়ে ছিলেন, যাতে করে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোকে আরও উন্নত করা যায়।

মূল্যস্ফীতিকে আমানতকারীর আমানতের সাইলেন্ট কিলার আখ্যা দিয়ে বলেন, প্রতি বছর দ্রব্য মূল্যের দাম যে হারে বাড়ছে, আজকের ১০ লক্ষ টাকা ১০ বছর পর তার বাজার মূল্য হবে ৪ লক্ষ টাকা, অর্থাৎ এখানে পরিস্কার দেখা যায় যে, সঞ্চয় এর মূল্য থাকছে না। সঞ্চয়কারীর সঞ্চয়কে ব্যবহার করে বিনিয়োগের খাত আরও ব্যাপক ভাবে সৃষ্টি করতে হবে। কারো বার্ষিক আয় ১০ কোটি টাকা, কারো ১ লাখ টাকা। কিন্তু আয়ের গড়ে বললাম ৫ কোটি টাকা গড় হিসাব এভাবে দেখলে আসল চিত্র বুঝা যায় না। তাই টার্গেট ধনী কে গরীব বানানো না, টার্গেট হবে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোকে কি করে আরো উন্নত জীবন দেয়া যায়।

;

জিয়ার অবদান মুছে ফেলতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: আমান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, শহীদ জিয়া আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। যিনি সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। আজ তার অবদান মুছে ফেলতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে এবং তারেক রহমানকেও দূরে রাখার ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু সেসব সম্ভব হবে না। তারা রয়েছেন দেশের মানুষের হৃদয়ে। কেননা শহীদ জিয়া দেশের উন্নয়নের জন্য যা করেছেন তা কখনো জাতি ভুলবে না।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেডআরএফ।

জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের সভাপতিত্বে ও প্রকৌশলী মাহবুব আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবদুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।

আমান বলেন, বর্তমান সরকারের জনপ্রিয়তা ও জবাবদিহিতা নেই। কারণ তারা বিনাভোটের সরকার। তারা সংসদ থেকে বের না হলে জনগণ তাদেরকে বের করে আনবে এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবেন।

;

‘দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য আ.লীগ সরকারের পতন ঘটাতে হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচন কমিশন গঠন আইন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। সুতরাং দেশের চলমান সংকট সমাধানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য এর কোনো বিকল্প নেই।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেডআরএফ।

জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের সভাপতিত্বে ও প্রকৌশলী মাহবুব আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবদুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা নন দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য সকল সেক্টরে অবদান রেখেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তার জন্মবার্ষিকীতে জেডআরএফের আলোচনার জন্য ধন্যবাদ। আমি বলব-দেশের বিশেষ দুটি দিন। একটি ২৫ মার্চ পাক হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের বিরুদ্ধে উই রিভোল্ট বলে দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তৎকালীন সেনাবাহিনীর তরুণ মেজর জিয়াউর রহমান। আজকে অনেকেই জিয়াউর রহমানকে হিংসা করেন। তার নাম মুছে ফেলার জন্য এমন কোনো কাজ নেই তারা করছে না। যারা জিয়াউর রহমানের অবদান স্বীকার করেন না তারা মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করে না। অন্যরা তো তখন ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলো। কেউ ইচ্ছা করলে ইতিহাস মুছে দিতে পারে না।

আরেকটি ঘটনা হলো ৭ নভেম্বর। ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন তারা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ধ্বংস করেছিল। কথা বলার স্বাধীনতা বন্ধ করেছিলো। রক্ষীবাহিনী দিয়ে মানুষ হত্যা করে প্রথম মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিলো। তখন ক্যু আর পাল্টা ক্যু হচ্ছিল। তখন ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লব যে সংঘটিত হলো সেটা হলো ইতিহাসের আরেকটি টার্নিং পয়েন্ট। তখন দেশের ক্ষমতার পাদপ্রদীপে আবির্ভূত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনরুদ্ধার করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি জাতিসত্তার পরিচয় দিয়েছেন। সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। দেশের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনেন। মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির নামে লুটপাট চলছিল।

শহীদ জিয়া দেশের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগ বার বার গণতন্ত্র হত্যা করেছে আর বিএনপি তা বার বার পুনরুদ্ধার করেছে। এগুলো ইতিহাস। চাইলেই মুছে ফেলা যাবে না। তেমনি আজকে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে গিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ কারাবন্দী।

আজকে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সরকার যে আইন করেছে তার জাতির সাথে আরেকটি নাটক। আমরা বলেছি আওয়ামী লীগের অধীনে বিএনপি কখনো কোনো নির্বাচনে যাবে না। কেননা আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন কমিশন সরকারের স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। সুতরাং এসব সংকট সমাধানে আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের কোনো বিকল্প নেই। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

;

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বগুড়া জেলা শাখা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সাথে নতুন কমিটিতে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক পদে আগ্রহী পদ-প্রত্যাশীদের নিকট থেকে আগামী ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দের নিকট জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সিদ্ধান্ত মােতাবেক জানানাে যাচ্ছে যে, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বগুড়া জেলা শাখা কমিটি বিলুপ্ত ঘােষণা করা হলাে এবং সেইসাথে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বগুড়া জেলা শাখার নতুন কমিটিতে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক পদে আগ্রহী পদ-প্রত্যাশীদের নিকট থেকে আগামী ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দের নিকট জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলাে।

এছাড়াও দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জেলায় স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

নতুন কমিটি গঠনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ হলেন, কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক সৈয়দ ইমাম বাকের, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক শেখ সাঈদ আনােয়ার সিজার, সহ-সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সাদ্দাম।

;