নির্বাচন উৎসবের পরিবর্তে আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে হামলা-পাল্টা হামলা আর গোলাগুলি নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন নির্বাচন উৎসবের পরিবর্তে আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রতিদিনের খুন-খারাবি জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। দেশের মানুষ রক্তাক্ত নির্বাচন দেখতে চায় না। সারাদেশে চলছে ইউনিয়ন পরিষদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের নির্বাচন। স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এক সময় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতো। এখন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, উৎসবের পরিবর্তে আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নির্বিকার, যেন কিছুই করার নেই তাদের। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সামনে প্রতিদিনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হতাশ করছে জাতিকে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউনিয়নে একজন মায়ের দুই ছেলেকেই কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এরচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা আর হতে পারে না।

বিবৃতিতে জিএম কাদের বলেন, নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনকে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন শন্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পারবে না এটা হতে পারে না। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আরও কঠোর উদ্যোগ নিতে হবে।

অভ্যরন্তীণ কোন্দল মিটিয়ে আ.লীগকে সুসংগঠিত করার আহ্বান কাদেরের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তাঁর বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আগামী জাতীয় নির্বাচন ও সম্মেলনকে সামনে রেখে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দলের ভেতরের সকল অভ্যরন্তীণ কোন্দল মিটিয়ে যার যার অবস্থান থেকে আওয়ামী লীগকে আরো সুসংগঠিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘৭৫ এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ৬ বছর নির্বাসনে থেকে অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্যে দেশের মাটিতে পা রেখেই  কোন্দলে জর্জরিত আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করার শপথ নিয়ে শেখ হাসিনা সারা বাংলায় ঘুরে ঘুরে দেশের অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে শৃঙ্খল মুক্ত করেছিলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা প্রত্যাবর্তন করেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে গোটা জাতিকে কলংকমুক্ত করেছেন। তিনি প্রত্যাবর্তন করেছিলেন বলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও অর্জনে বিশ্বের বিস্ময়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রত্যাবর্তন করেছিলেন বলেই সকল ষড়যন্ত্র ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ হয়েছে বলে জানান তিনি।

আগামী মাসেই পদ্মাসেতুর উদ্বোধন করা হবে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধনের তারিখ চূড়ান্ত করা সাপেক্ষে শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে জাতিকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

পদ্মাসেতুর নির্মান ব্যয় নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মা নদীতে প্রবল খর¯্রােতা থাকায় নদীর এপার-ওপার ভাঙ্গা গড়ার খেলায় অনেক কষ্টে এই ভাঙ্গনের মধ্যে কাজ করতে হয়েছে। প্রায় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। শতভাগ সততার সাথে এই প্রকল্প কাজ শেষ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সফলভাবে পদ্মাসেতু নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাদের গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল প্রমুখ।

;

সরকারিভাবে সিলেটের বন্যার্তদের সহায়তা দিতে হবে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

টানা ভারী বৃষ্টি আর উজানের ঢলে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে অবনতির দিকে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) এক বিবৃতিতে বন্যার্ত মানুষের সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান তিনি।

বিবৃতিতে বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ ব্যাপী বন্যায় সিলেটের পানিবন্ধি মানুষ সিমাহীন দূর্ভোগে দিনাতিপাত করছে। ইতোমধ্যেই অনেক পরিবারেই খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দিন এনে দিন খায়, এমন মানুষের সংসারে হাহাকার উঠেছে। পাশাপশি সিলেটের বিভিন্ন ইউনিয়নেও বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি করেছে।

তাই প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও অর্থ সহায়তা দিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান। পাশাপাশি দেশের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে আহবান জানান তিনি।

;

অর্থনীতিতে ‘অশনি সংকেত’ দেখছে বিএনপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সূচক পর্য়ালোচনায় বর্তমান অর্থনীতিতে ‘অশনি সংকেত’ দেখছে বিএনপি।

বুধবার (১৮ মে) বিকালে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত জানাতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান যে অর্থনৈতিক অবস্থা যেটাকে আমি মনে করি এটা হচ্ছে এলার্মিং, এটা অশনি সংকেত আমাদের জন্য।

‘অদূর ভবিষ্যতে আমরা যে শ্রীলংকার মতো বিপদে পড়তে পারি তার আশঙ্কাও আমাদের মধ্যে (স্থায়ী কমিটি) করা হয়েছে এবং সেই আশঙ্কা এখন আছে এবং এটাকে বাস্তবভিত্তিকই বলা যেতে পারে।'

গত ১৬ মে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পর্য়ালোচনা করে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে তা সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক ধরনের অস্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, রুপ্তানি এবং রেমিট্যান্স আয়ে ঘাটতির কারণে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে বড় ধরনের সমস্যা হচ্ছে। টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের দাম বৃদ্ধিসহ নানা কারণে অসহনীয় হয়ে উঠেছে জিনিসপত্রের দাম। মনে হচ্ছে আগামী দিনে পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে উঠবে।

‘রিজার্ভ নিয়ে আত্মতুষ্টির কিছু নেই। এটি দ্রুত কমে আসছে। গত আট মাসে রিজার্ভ ৪৮ বিলয়ন ডলার থেকে ৪২ বিলিয়ন ডলারে নেমে গেছে। পরের দুই মাসে এটা আরো ৪ বিলিয়ন ডলার কমে যাবে। এভাবে যদি রপ্তানির তুলনায় আমদানি বাড়তে থাকে এবং সেটা যদি রেমিট্যান্স দিয়ে পুরণ করা না যায় তাহলে অতি দ্রুত বাংলাদেশ ব্যাংকে রিজার্ভ শেষ হয়ে যাবে। রিজার্ভ শেষ হওয়ায় কি ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে শ্রীলংকার চলমান পরিস্থিতি তার নিকৃষ্টতম উদাহরণ।'

বাংলাদেশে এই মুহূর্তে যে রিজার্ভ রয়েছে তা দিয়ে মাত্র পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আমদানি ব্যয় আমাদের বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। আমদানি যে হারে বেড়েছে, রপ্তানি যে হারে বাড়েনি। আবার প্রবাসী আয়ও কমে গেছে। ফলে প্রতি মাসে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ‘এলার্মিং’ অবস্থায় উল্লেখ করে অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষক মির্জা ফখরুল বলেন, আইএমএফের সুপারিশ মোতাবেক সঠিক নিয়মে রিজার্ভ হিসাব করলে বর্তমানে বাংলাদেশের রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার। বাস্তবিকভাবে আইএমএফ প্রনীয় নিয়মে রিজার্ভ হিসাব করা হলে বাংলাদেশের হাতে আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে মাত্র সাড়ে তিন মাসের। যা একেবারেই অশনিসংকতে।

বর্তমান এই অবস্থা থেকে দেশকে রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটি মনে করে বর্তমান বিভীষিকাময় অর্থনৈতিক নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতার জন্য জবাবদিহিহীন এই অবৈধ সরকারই দায়ী। দেশকে রক্ষার জন্য, মানুষকে বাঁচানোর জন্য, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এই মুহূর্তে সার্বজনীন ঐক্যের মাধ্যমে রাজপথে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলে অনতিবিলম্বে এই সরকারকে হটানোর বিকল্প নাই।

;

‘শেখ হাসিনাকে সরানো সহজ নয়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
জনসমাবেশ

জনসমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে আয়োজিত এক জনসমাবেশে বক্তারা বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন বলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়েছেন। তাই দেশের মানুষ শেখ হাসিনার সঙ্গেই থাকবেন। শেখ হাসিনা এক শান্তির প্রতীকের নাম। তাকে সরানো সহজ ব্যাপার নয়।

রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নগরীর বাটার মোড় এলাকায় মঙ্গলবার (১৭ মে) বিকালে এ জনসমাবেশের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন প্রয়োজন মনে করে তখনই রাস্তায় শত সহস্র মানুষের ঢল নামাতে পারে। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে এই কর্মসূচি সেটি আবার প্রমাণ করেছে।

লিটন বলেন, বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়ে অভিমানে তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশে না-ও ফিরতে পারতেন। বলতে পারতেন- গেলাম না দেশে। কিন্তু তারা তা করেননি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের দেশ গড়তে তারা ফিরে এসেছেন। বলেছিলেন, জীবন দিয়ে হলেও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করব। এখন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সেসব স্বপ্নই পূরণ করছেন।

জনসমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন দলের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যখন অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে গণতন্ত্র কেড়ে নিলেন, তখন আলোর দিশারী হয়ে দেশে ফিরেছিলেন শেখ হাসিনা। তিনি ফিরেছিলেন বলে দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে। বঙ্গবন্ধু-জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার হয়েছে। দেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে।

নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালের সভাপতিত্বে এই জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়েব উদ্দিন লাভলু ও মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বেগম আখতার জাহান, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার, সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারা ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মুনসুর রহমান, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আদিবা আনজুম মিতা, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিনাতুননেসা তালুকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু, নগরের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, জেলার সদস্য ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্না প্রমুখ। জনাকীর্ণ এই সমাবেশে জেলা ও মহানগরের সকল ইউনিটের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

;