‘খালেদা ছাড়া দেশে কেউ স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে না’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছাড়া কেউ দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, দেশে যদি সত্যিকার অর্থে শান্তি চান, স্থিতিশীলতা চান, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে চান তাহলে দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দরকার। অন্যথায় কেউ এখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে না।

রোববার (২৮ নভেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবক দল এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।

ফখরুল বলেন, শুধু বিএনপির জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে দরকার না। খালেদা জিয়াকে দরকার ১৮ কোটি মানুষের জন্য। তিনি একমাত্র নেত্রী যিনি স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। তিনি আমাদের গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে দিতে পারেন। আমাদের অধিকারগুলোকে ফিরিয়ে দিতে পারেন। সে জন্য আমরা বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানোর দাবি করছি। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এই দাবি জানাচ্ছি। আমরা বারবার বলছি তাকে বিদেশে পাঠান চিকিৎসার জন্য।

তিনি বলেন, শুধু স্বেচ্ছাসেবক দল নয়। যুবদল নয়। ছাত্রদল নয়, অঙ্গ সংগঠন নয়, সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ আজ কারাগারে বাস করছে। শান্তি নেই, স্বস্তি নেই,‌ মানুষ হাসিমুখে কথা বলতে পারে না। নিরাপদে রাস্তায় বের হতে পারে না। তাদের জীবন-জীবিকা চালাতে পারে না। ভয়াল একটি অবস্থার মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ বাস করছে। বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ,‌ অত্যন্ত অসুস্থ। প্রতিদিন চিকিৎসকরা তার জীবন রক্ষার জন্য সংগ্রাম করছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না কেন? তার একটি কারণ। বেগম খালেদা জিয়া একমাত্র নেত্রী তিনি জন্ম থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করছে। মানুষের জন্য কথা বলেছেন। তিনি যখন বিরোধীদলীয় নেত্রী ছিলেন তখন ৯ বছর গণতন্ত্রের জন্য পথে পথে ঘুরে বেরিয়েছেন। যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন এই দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন।

শিক্ষার্থীদের বাস ভাড়া অর্ধেক করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ছেলেমেয়েরা স্কুল কলেজে পড়ে। বাস ভাড়া কমানোর জন্য রাস্তায় নেমেছে। এখন লেখাপড়া করতে খরচ অনেক বেড়ে গেছে, এজন্য তারা বাস ভাড়া হাফ করতে বলছে। নিন্ম মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের বাবারা সন্তানেরা লেখাপড়া করাতে হিমশিম খাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার জন্য, এই ছেলে মেয়েদের উন্নত ভবিষ্যতের জন্য এই সমাবেশ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের দাবির প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি। বাস ভাড়া কমিয়ে হাফ পাস করা হোক। প্রয়োজনে সরকার ভর্তুকি দিক।

স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাঁদির ভুঁইয়া জুয়েলের সঞ্চলনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত আছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, কৃষকদল সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেত্রী বিথিকা বিনতে প্রমুখ।

বিএনপি নির্বাচনে আসলে ধর্মকে ব্যবহার করে: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি নির্বাচনে আসলে ধর্মকে ব্যবহার করে কিন্তু ধর্মের জন্য কোনো কাজ করে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রেষ্ঠ পুরস্কার ২০২১ ও করোনা সচেতনতা আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক সভায় সভাপতিত্ব করেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামাত নির্বাচন এলে ধর্মকে ব্যবহার করে, কিন্তু ধর্মের জন্য কোন কাজ তারা করেনি। বরং তারা ধর্মীয় হানাহানি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায়। অপরদিকে আওয়ামী লীগ ধর্মকে ব্যবহার করে না। আমরা ইসলামের জন্য, আলেম- ওলামাদের খেদমতের জন্য কাজ করি এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের অধিকার যাতে সুনিশ্চিত হয়, তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা যাতে এদেশে কেউ গর্ব করতে না পারে সেজন্য কাজ করি এবং তাদের ধর্মের কল্যাণের জন্যও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কাজ করা হয়। কারণ, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সকল ধর্মের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীন বাংলাদেশ।

ড. হাছান বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা ধর্মপ্রাণ শেখ হাসিনা ইসলামের জন্য যতো কাজ করেছেন, এদেশে আর কারো আমলে তা হয়নি। দেশের আলেম সমাজের শতবর্ষের পুরনো দাবি ছিল একটি ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা। দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান আমলেও তা পূরণ হয় নাই। শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। এটি এখন আর স্বপ্ন নয়, এটি বাস্তবতা।

সভাপতির বক্তৃতায় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পবিত্র ইসলামের কল্যাণে অনেক কাজ করেছিলেন, ইসলামী ফাউন্ডেশন তার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশে মদ, জুয়া, হাউজি এগুলো তিনি বন্ধ করেছিলেন, যেগুলো বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জিয়াউর রহমান চালু করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে সকল ধর্মের কল্যাণে কাজ করছেন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল আজিজ, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মো. আনোয়ার হোসেন, ইসলামী চিন্তাবিদ শায়খ আহমদুল্লাহ ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। অতিথিবৃন্দ দেশব্যাপী ক্বিরাত প্রতিযোগিতা ‘কুরআনের সুর’ এ নারায়ণগঞ্জ জেলার সেরা প্রতিযোগীদের ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সমাজসেবী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নারায়ণগঞ্জ জেলা সমিতির পক্ষ থেকে পুরস্কার তুলে দেন।

;

দেশের নয়, দুর্দিন এখন বিএনপির রাজনীতিতে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের রাজনীতি নয়, বিএনপি রাজনীতিতে এখন ঘোর দুর্দিন অতিক্রম করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, হতাশাগ্রস্ত বিএনপির আন্দোলনের ডাককে জনগণ শব্দদূষণ মনে করে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে কূটচাল ব্যর্থ হওয়ায় বিএনপির হতাশা আরও ঘনীভূত হয়েছে। সব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি ৬৯’ এর মতো গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্ন দেখে, কিন্তু নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে যে অভ্যুত্থান দেখিয়েছে তা বিএনপি দেখেও দেখে না, বুঝেও বুঝে না। বিএনপি এখনও অগণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতা দখল করে জনগণের ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মতো সওয়ার হওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখে।

তিনি বলেন, সরকার চায় একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন, আর এ লক্ষ্যে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার। সরকারের এ উদ্যোগকে বিএনপির স্বাগত জানানোর প্রয়োজন ছিল, আজ তারা স্বভাবগতভাবেই সমালোচনা করছে।

;

বিদেশে লবিস্ট নিয়োগের অভিযোগ নাকচ বিএনপির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে বিএনপি বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে অভিযোগ করেছেন তা নাকচ করে দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, আমরা যা কিছু করি দেশকে রক্ষার জন্য করি। তার মানে এই না যে, আমরা লবিস্ট নিয়োগ করে্ছি দেশকে রক্ষার জন্য। দ্যাট হেজ টু বি ক্লিয়ার্ড। আবারও বলছি, আমরা যা কিছু করি, দেশকে রক্ষার জন্য করি, দুর্বৃত্তদের হাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্য করি। আমরা লবিস্ট নিয়োগ করেছি- এটা একেবারে সঠিক না।

মির্জা ফখরুল বলেন, ইতিমধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন পরিষ্কার করে বলেছেন যে, বিএনপির পক্ষ থেকে, বাংলাদেশ থেকে কোনো লবিস্ট নিয়োগ করা হয়নি। এটা পরিষ্কার যে, বিএনপি কোনো লবিস্ট নিয়োগ করেনি। আশা করি, এ নিয়ে আপনাদের কোনো কনফিউশন থাকবে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য কি মিথ্যা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আপনার কি মনে হয়? সব মিথ্যা।

এর আগে, আজ সকালে আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আমাদের কাছে যথেষ্ট তথ্য আছে, বিএনপি অনেকগুলো লবিস্ট নিয়োগ করেছে। বিএনপি যে, কয়টা লবিস্ট নিয়োগ করেছে সেটা কিন্তু খুবই অন্যায়। এর মূল উদ্দেশ্যটা দেশের ক্ষতি। আপনার-আমার মধ্যে ঝগড়া থাকতে পারে, কিন্তু আপনার ও আমার ঝগড়া দেশের স্বার্থে কিনা। আওয়ামী লীগ গুড গভার্নেন্সের জন্য এবং দেশের পজিটিভ ইমেজগুলো তুলে ধরার জন্য লবিস্ট নিয়োগ করেছে।

গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সোমবার দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহ জানাতে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

;

সংসদে নির্বাচন কমিশন বিল-২০২২ প্রণয়নের নৈতিক অধিকার এই সংসদের নেই: ফখরুল



Tabassum Tanjim
ছবি: সংগ্রহীত

ছবি: সংগ্রহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সংসদে নির্বাচন কমিশন বিল ২০২২ উত্থাপন বিষয় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি মনে করে যেহেতু এই সংসদ জনগণের ভোটে বৈধভাবে নির্বাচিত নয় সেহেতু এ ধরনের আইন প্রণয়নের কোন নৈতিক অধিকার এই সংসদের নেই। গোপনীয়তার সঙ্গে তাড়াহুড়া করে এই আইন প্রণয়নের প্রস্তাব জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে আরেকটি পাতানো নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার নীল নকশা মাত্র। তাছাড়া বিএনপি মনে করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কোন নির্বাচন কমিশননেই অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সফল হবে না যদি না নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হয়। ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের একতরফা সাজানো ভোটারবিহীন ও মধ্যরাতের ভোট ডাকাতির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেই সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ১২ টি শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠন জাতিসংঘ মিশনে র্যাবের প্রতি নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়ে যে চিঠি দিয়েছে বিএনপি বিষয়টি পর্যালোচনা করে জাতিসংঘ খতিয়ে দেখবে এই মন্তব্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি মনে করে আওয়ামী লীগ সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য হত্যা, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের জন্য র্যাবসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। যার সুদূর প্রসারী প্রভাব বাংলাদেশের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এই পরিস্থিতি সৃষ্টির সকল দায় সরকারকেই বহন করতে হবে।

করোনা টিকা দানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ৭০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে কমিয়ে আনায় স্বাস্থ্য বিভাগের সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, সরকার শুরু থেকেই করোনা টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষন ও বিতরণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ন ব্যর্থ হয়েছে এবং জনগণের স্বাস্থ্য বিপন্ন করেছেন। এসময় তিনি করোনা পরিস্থিতি এবং টিকা প্রদানের বিষয় সঠিক তথ্য জনগণের সামনে প্রকাশের আহ্বান জানান।

মির্জা ফখরুল শাবিপ্রবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবীতে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ছাত্রলীগ ও পুলিশের হামলায় শিক্ষার্থী আহত হওয়ায় ন্যাক্কার জনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের ন্যায় সঙ্গত দাবি ও আন্দোলনের প্রতি নৈতিক সমর্থন জানান।

;