‘খালেদা জিয়া অনেক দিয়েছেন, এখন আমাদের দেওয়ার পালা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া আমাদের অনেক দিয়েছেন। এখন আমাদের দেওয়ার পালা।

তিনি বলেন, আমরা একের পর এক কথা বলে জনমত সৃষ্টি করছি। জনমত প্রচণ্ডভাবে আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। তারপরও আমরা কেন কিছু করতে পারব না? আমাদের অনেক কিছু করার আছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদেরকে অনেক দিয়েছেন। তার পতাকা নিয়ে, তার নাম নিয়ে আমরা নির্বাচনে পাশ করেছি। তিনি আমাদেরকে বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছেন, পার্লামেন্ট সিস্টেম দিয়েছেন, মানুষের কথা বলার অধিকার দিয়েছেন, এই দেশের উন্নয়নের কাজ করেছেন। আমরা ব্যক্তিগতভাবে তার কাছ থেকে উপকৃত হয়েছি, এমপি-মন্ত্রী হয়েছি। এখন আমাদের দেওয়ার পালা।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক সমাবেশে তিনি তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে পাঠানোর দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপির সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানবৃন্দ।

মির্জা আব্বাস বলেন, দেশনেত্রীর মুক্তির আন্দোলন, সুচিকিৎসার আন্দোলন দুর্বার হয়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগ সরকার তা সহ্য করতে পারছে না। যার কারণে আমাদের দৃষ্টিকে,‌ আমাদের কথাবার্তাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য জিয়া পরিবারকে নিয়ে কথা বলছে। এরা আমাদের দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরাতে চায়। আমাদের কথা পরিষ্কার,‌ আমাদের দৃষ্টি একদিকে। তা হচ্ছে দেশনেত্রীর মুক্তি, সুচিকিৎসা।

এসময় কর্মীদের উদ্দেশে মির্জা আব্বাস বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আপনারা অন্তরের অন্তস্থল থেকে আবেগ নিয়ে এখানে এসেছেন। যে আবেগ প্রকাশ করেছেন, সেই আবেগকে আগুনে রূপান্তরিত করতে হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, বেগম জিয়ার সাথে আমার দুই-তিন দিন হাসপাতালে দেখা হয়েছে। হাতের ইশারায় কথা হয়েছে। উনি ভালো অবস্থায় নেই।

তিনি বলেন, একবার আমি বলেছিলাম, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী একজন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মতোই আচরণ আশা করে। কিন্তু এই আচরণটা বেগম জিয়া পায়নি। কথা বলার পরে আমার পাশ থেকে একজন বলল, ভাই আপনার কথা একটু কারেকশন করতে হবে। আমি বললাম সেটা কি? তিনি বললেন, উনি (শেখ হাসিনা) অবৈধ প্রধানমন্ত্রী আর যে সাবেক সে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। সুতরাং আচরণ এক রকম পাবেন না। একথাটা আমার কাছে খুবই যৌক্তিক মনে হল।

খালেদা জিয়ার মামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা কোনো মামলায় না। কথা হচ্ছে বিএনপির ওপর অত্যাচার করতে হবে, বিএনপিকে ধ্বংস করতে হবে।সুতরাং একমাত্র খালেদা জিয়াকে ধ্বংস করলে বিএনপি ধ্বংস হবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ প্রমুখ।

‘গণতান্ত্রিকধারা ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি-জামায়াত’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে যে দেশদ্রোহী অপশক্তি স্বৈরচার আইয়ুব-মোনেমের পক্ষে তথা বাঙালির স্বাধীনতা এবং মুক্তির বিপক্ষে ছিল তাদের উত্তরাধিকার আজও বাংলাদেশের গণতন্ত্র-উন্নয়ন অগগ্রতি-মুক্তি ও সমৃদ্ধির পথে প্রধান অন্তরায়। সেই অপশক্তির প্রতিভ‚ বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে ব্যাহত করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বৈরশাসনের গর্ভে জন্ম নেওয়া বিএনপি গায়ে গণতন্ত্রের আস্তিন জড়ালেও তাদের আস্তিনের মধ্যেই রয়েছে গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরা দানবীয় রূপ। স্বৈরতন্ত্রের প্রতিভ‚ বিএনপি’র গোপন অভিপ্রায়ে রয়েছে গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করার নানামুখী ষড়যন্ত্রের নীলনকশা। নির্বাচনে অংশ না নেওয়া, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, নির্বাচন কমিশন ও গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিকরণে অনিহা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা, দেশবিরোধী অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকা সেই নীলনকশারই বর্হিপ্রকাশ মাত্র।

তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এবং তাদের দল বিএনপি ভুল রাজনীতির কারণে এখন চরম দুর্দিনের ছায়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছেন! নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতায় বিএনপি আজ গভীর সঙ্কটে নিপতিত। রাজনৈতিক দৈন্যতায় চরম দুর্দিনের কালো অন্ধকারের হতাশা-আবসাদ জেঁকে বসেছে তাদের মনে। সেই সঙ্কট ঢাকতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতিকে দুর্দিনের আষাঢ়ে গল্প শোনানোর পাঁয়তারা করছেন। বিভিন্ন সময় বিএনপি শাসনামলের দুঃসহ নির্যাতন-নিষ্পেষণ এখনও দেশবাসীর স্মৃতিতে দগদগে ক্ষতের স্মারক বহন করছে।

বাংলার জনগণ সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ক্ষুধা-দারিদ্র্য ও চরম অনিশ্চয়তার দুর্বিসহ সময়ে ফিরে যেতে চায় না। সেই অন্ধকারময় সময় কাটিয়ে বাংলার জনগণ বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে আলোকজ্জ্বল আগামীর পথে এগিয়ে চলেছে। সফল রাষ্ট্রনায়ক দেশরত্ন শেখ হাসিনার কালজয়ী নেতৃত্বে স্বৈরতন্ত্রের প্রতিভ‚ বিএনপি-জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত মোকাবিলা এবং পারিপার্শ্বিক সকল ধরনের প্রতিবন্ধকতা জয় করে উন্নয়ন-সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত অভিষ্ঠে পৌঁছাবেই। 

;

শেখ হাসিনা‌কে স্বেচ্ছায় বনবাসে যে‌তে হ‌বে: গ‌য়েশ্বর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
গ‌য়েশ্বর চন্দ্র রায়

গ‌য়েশ্বর চন্দ্র রায়

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সভা‌নেত্রী শেখ হা‌সিনা‌কে স্বেচ্ছায় বনবা‌সে যে‌তে হ‌বে ব‌লে মন্তব্য ক‌রে‌ছেন বিএন‌পির স্থায়ী ক‌মি‌টির সদস্য গ‌য়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তি‌নি ব‌লেন, দে‌শ ও দে‌শের মানু‌ষের স্বা‌র্থে শেখ হা‌সিনা‌কে আমরা বিতা‌রিত কর‌বো। এমন‌কি আমরা তা‌কে পতন ঘটা‌নোর সু‌যোগ নাও পে‌তে পা‌রি তি‌নি নি‌জে থে‌কেই কে‌টে পড়‌তে পা‌রেন। অর্থ্যাৎ অপবাদ ব্যর্থতা এবং বিশ্ব রাজনী‌তি ও দে‌শীয় রাজনী‌তি‌তে তি‌নি যে অবস্থা‌নে আ‌ছেন তা‌তে গু‌ছি‌য়ে উঠার সু‌যোগ আ‌ছে ব‌লে আ‌মি বিশ্বাস ক‌রি না।‌ সেকার‌ণেই তা‌কে নির‌বে নিরবে পালা‌নোর পথ ছাড়া অন্য কো‌নো বিকল্প পথ খোলা নাই।

সোমবার (২৪ জানুয়া‌রি) দুপু‌রে বিএন‌পির কেন্দ্রীয় কার্যাল‌য়ের নিচতলায় দোয়া ও মিলাদ মাহ‌ফি‌লে প্রধান অ‌তি‌থির বক্তব্য তি‌নি এসব কথা ব‌লেন। খা‌লেদা জিয়ার ছোট ছে‌লে মরহুম আরাফাত রহমান কো‌কোর ৭ম মৃতু্বা‌র্ষিকী উপল‌ক্ষে এ দোয়া ও মিলাদ মাহ‌ফি‌লের আ‌য়োজন ক‌রে বিএন‌পি।

গ‌য়েশ্বর ব‌লেন, 'তি‌নি (শেখ হা‌সিনা) সাহস ক‌রে ভ‌বিষ্য‌তে হারার জন্য সু্ষ্ঠু নির্বাচন দি‌বেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দি‌বেন না। য‌দি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধী‌নে নির্বাচন দেওয়ার উ‌দ্যোগ নি‌তেন তাহ‌লে হয়‌তো বা ধীর‌স্থিরভা‌বে বাংলা‌দে‌শে মানু‌ষের মা‌ঝে থাকার একটা প্র‌চেষ্টা নি‌তে পার‌তেন। কিন্তু তি‌নি তা নি‌বেন না, আর সেটা নি‌বে না ব‌লেই তা‌কে দৃশ্যর আড়া‌লে থাক‌তে হ‌বে। জনগ‌ণের দৃশ্যত চো‌খের আড়া‌লে থাক‌তে হ‌বে। তা‌কে স্বেচ্ছায় বনবাসে যে‌তে হ‌বে, বনবাসে কেউ তা‌কে পাঠা‌বে না। সেই কার‌ণে আমা‌দের ভ‌য়ের কো‌নো কারণ নাই, সূর্য ডোবার পালা এবং যারা অন্ধকা‌রে আ‌ছেন তা‌দের জন্য সূর্য উদ‌য়ের পালা।'

আরাফাত রহমান কো‌কোর মৃতুকে অস্বাভা‌বিক সম‌য়ে অস্বাভা‌বিক মৃতু ব‌লেও মন্তব্য ক‌রে‌ছেন বিএন‌পির এই‌নেতা।

দোয়া ও মিলাদ মাহ‌ফি‌লে বক্তব্য রে‌খে‌ছেন খা‌লেদা জিয়ার উপ‌দেষ্ঠা প‌রিষ‌দের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, বিএন‌পির সি‌নিয়র যুগ্ম মহাস‌চিব রুহুল ক‌বির রিজভী, সাংগঠ‌নিক সম্পাদক(ঢাকা বিভাগ) ফজলুল হক মিলন প্রমুখ।

;

ইসি গঠনে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছারই প্রতিফলন হচ্ছে: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে যে সার্চ কমিটি উপস্থাপন করা হয়েছে তা দেখে জানা গেছে এখানে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছারই প্রতিফলন হচ্ছে। আমরা আগেও বলেছিলাম, মুজিব কোর্টের মানুষরাই এর দায়িত্ব পাবে। এটি শুধুমাত্র রিহার্সাল চলছে। যেভাবে একতরফাভাবে হুদা কমিশন, রকিব কমিশন গঠন করেছিলেন সেই রকম আরেকটি কমিশন গঠন করছেন তারা।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো'র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর বনানীস্থ কবরে কোরানখানি, ফাতিহা পাঠ এবং শ্রদ্ধা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল হক হানিফের বক্তব্যের জবাবে রিজভী বলেন, আমি আগেও বলেছি, তাদের এবং আমাদের মাঝে পার্থক্য রয়েছে। তারা একটি একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চায় আর বিএনপি চায় বহুদলীয় গণতন্ত্র। তাদের এবং আমাদের বক্তব্যে তো পার্থক্য থাকবেই।

তিনি বলেন, আইন প্রণয়ন করতে হলে সংসদে আইন পাশ করতে হয়। কিন্তু কোন সংসদে পাশ করবে? এখনতো একদলীয় ও বাকশালি পার্লামেন্ট। সেখানে যে আইন হবে তা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাই হবে। যে সংসদে জনগণের কোনো অংশগ্রহণ নেই, সে সংসদে আইন পাশ হলে তা হবে বাকশালি আইন।

প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো'র স্মৃতিচারণ করে রিজভী বলেন, অবরুদ্ধ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের দাবিতে যখন বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তখন সেই গুলশানের বিএনপি কার্যালয় অবরুদ্ধ রাখার জন্য চারিদিকে বালুর ট্রাক, কাঠের ট্রাক রাখা হয়েছিলো। গোল মরিচের স্প্রে করা হয়েছিলো।। তখন প্রবাসে থাকা দেশনেত্রীর ছোট সন্তান আরাফাত রহমান কোকো মা'র প্রতি এই অন্যায়, অবিচার সহ্য করতে পারেননি। এই কষ্টে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। লাশ দেশে আনা হলো গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ মায়ের কাছে। অবরুদ্ধ মায়ের কোলে সন্তানের লাশ দেখে শুধু খালেদার পরিবারই নয়, গোটা জাতি শোকে বিহবল হয়ে পড়ে। এত অত্যাচার, অবিচার, অনাচার শুধু খালেদা জিয়াকে দুর্বল করার জন্য।

তিনি বলেন, কোকোর মৃত্যু নিছক একটি মৃত্যুর ঘটনা নয়, বরং সামগ্রিক আন্দোলন, গণতন্ত্র মুক্তি আন্দোলন, জনগণের মুক্তি আন্দোলনে আত্মাহুতি। আমরা যদি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে ফিরিয়ে আনতে পারি, তাহলে তার এই আত্মদান সার্থক হবে।

তিনি বলেন, আজকে দেশনায়ক তারেক রহমান মামলা হুলিয়া নিয়ে দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আল্লাহ জনগণের দোয়া ও আর্শিবাদে তারেক রহমানকে আরও শক্তি দিবেন এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অচিরেই সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।

;

শাবিপ্রবি'র শিক্ষার্থীদের সমর্থনে দেশব্যাপী 'প্রতীকী অনশন' করবে ছাত্রদল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে দেশব্যাপী 'প্রতীকী অনশন' করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক সোহেলের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যমান অবৈধ অগণতান্ত্রিক সরকারের পদলেহী ভিসি ও বাকশালি পুলিশ কর্তৃক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায়ে আন্দোলনরত নিরীহ শিক্ষার্থীদের উপর নির্বিচারে গুলি ও বর্বর হামলার প্রতিবাদে ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবীর প্রতি সংহতি জানিয়ে দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ।

কর্মসূচি:

আগামী ২৫ দেশের সকল জেলা, মহানগর ও জেলা সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত 'প্রতীকী অনশন' কর্মসূচি পালন করবে। একইভাবে ছাত্রদলের প্রতিটি উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও উপজেলা সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনিট স্ব স্ব উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩ টা পর্যন্ত 'প্রতীকী অনশন' কর্মসূচি পালন করবে।

আগামী ২৮ জানুয়রি থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি ও তাদের যৌক্তিক দাবীর স্বপক্ষে সারাদেশে ছাত্রদলের প্রতিটি ইউনিটে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচার প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল ঘোষিত কর্মসূচি পালন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সকল নেতা-কর্মীদের আহবান জানিয়েছেন।

;