‘আ.লীগের লোকেরাই নৌকায় আর ভোট দিতে চাচ্ছে না’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউনিয়ন পরিষদের চিত্র দেখলেই বোঝা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের লোকেরাই নৌকায় আর ভোট দিতে চাচ্ছে না। দীর্ঘদিন যারা আওয়ামী লীগ করে আসছে, তারা এখন আর আওয়ামী লীগ করতে চাচ্ছেন না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি ।

রোববার (১২ ডিসেম্বর) জাপার বনানী কার্যালয়ে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, বিজয় দিবস ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের বলেন, আবার বিএনপির অবস্থা আরও খারাপ। রাজনীতিতে তাদের অবস্থা খুবই হতাশাজনক। নেতৃত্ব নিয়েও বিএনপির নেতা-কর্মীরা হতাশাতাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। দেশের মানুষও বিএনপির ভবিষ্যত নিয়ে হতাশ। আওয়ামী লীগ নেতারাই বলেছিলেন, ১৯৯৬ সালের নির্বাচন ছিলো আওয়ামী লীগের জন্য শেষ সুযোগ। জাতীয় পার্টির সমর্থন ছাড়া ক্ষমতায় যেতে না পারলে আওয়ামী লীগ শেষ হয়ে যেতো।

তিনি বলেন, ১৩ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে থেকে ইতিমধ্যেই বিএনপি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু দীর্ঘ ৩১ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে থেকেও জাতীয় পার্টি রাজনীতির মাঠে টিকে আছে। জনগণের ভালোবাসা নিয়ে জাতীয় পার্টি দেশের মানুষের বুকে আস্থা সৃষ্টি করতে পেরেছে। দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ আর বিএনপির পালাবদলের রাজনীতি দেখতে চায় না। দেশের মানুষ আগামী দিনে জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বারবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে স্বাধীনতার মূল চেতনা ধ্বংস করেছে। তিনি বলেন, বৈষম্যের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে গণআন্দোলন, স্বাধীকার আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন করেছি। মুক্তিযুদ্ধে লাখ লাখ সাধারণ মানুষ জীবন দিয়েছিলো একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশের আশায়। কিন্তু, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। সরকারি দল না করলে চাকরি মেলে না, ব্যবসা করতে পারে না।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, এক সময় পশ্চিম পাকিস্তান আমাদের সম্পদ লুট করেছে। এখন আমাদের দেশের মানুষ আমাদের সম্পদ লুট করছে। প্রতিবছর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশ হয়, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ থেকে পাচার হচ্ছে। বিদেশি গণমাধ্যমের রিপোর্টে আমরা জানতে পারি আমাদের দেশের টাকা লুটের সংবাদ। দেশের গণমাধ্যম এমন সংবাদ প্রকাশ করতে পারে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা লুটের ঘটনাও আমরা বিদেশি একটি গণমাধ্যমের রিপোর্টে জানতে পেরেছিলাম। বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা লুটের ঘটনা কয়েক মাস গোপন রাখা হয়েছিলো। আবার এই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদনও জানতে পারেনি দেশের মানুষ।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সংবিধানের মূল চার নীতির তিনটি প্রায় শেষ করে দিয়েছে। সংবিধানের মূল নীতির গণতন্ত্র এখন আর নেই। দেশে সাংবিধানিকভাবেই একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে যিনি সরকার গঠন করেন তিনি নির্বাহী বিভাগের প্রধান হন। আবার যেখানে সরকার প্রধানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে সেই আইন সভা সংবিধানের ৭০ ধারার কারণে সংবিধানিকভাবেই সরকার প্রধানের হাতে। আর বিচার বিভাগ রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে প্রায় ৯৫ ভাগই সরকার প্রধানের হাতে। এমন অবস্থায় যিনি সরকার প্রধান হবেন তিনিই একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন। এতে সরকার প্রধান আইনের ঊর্ধ্বে থাকেন। তাই গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব নয়, সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র না থাকলে জবাবদিহিতা থাকে না, বৃদ্ধি পায় দুর্নীতি। তাই শোষণ ও দুর্নীতিমুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় পার্টিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টির লাঙলে ভোট দিতে অপেক্ষা করে আছে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, যে লেখাপড়া দেশে বেকারত্ব বাড়িয়ে দেয় তেমন শিক্ষা ব্যবস্থা আমরা চাই না। আমরা চাই কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা। পড়াশোনা শেষ করে যেনো ছেলেরা কাজ পায় সেজন্যই আমাদের রাজনীতি। দেশের চিকিৎসা, শিক্ষা ও বিচার পেতে সাধারণ মানুষ ঢাকার দিকে ছুটে আসেন।

প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সেন্টুর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, কাফরুল থানার সভাপতি মো. শামসুল হক, হাতিরঝিল থানা আহ্বায়ক হাজী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরকার, রামপুরা থানার সভাপতি কাজী আবুল খায়ের, গুলশান থানার সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, বাড্ডা থানার সভাপতি মো. মহিউদ্দিন ফরাজি, ভাষানটেক থানার সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন দুলাল, জাতীয় ছাত্র সমাজের সহ সভাপতি কণক চৌধুরী প্রমুখ।

কেন ইভিএমে বিএনপির ভয়, জানালেন তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ভোটকেন্দ্র দখল ও গোপনে সিল মারার অপসংস্কৃতি টিকিয়ে রাখার জন্যই ইভিএমকে ভয় পায় বিএনপি।

বুধবার (০৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড: ইঞ্জিনিয়ার রশিদ আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো: তাজুল ইসলামসহ প্রতিষ্ঠানের পরিচালকবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

ড. হাছান বলেন, 'প্রথমত কেউ তো জোর করে ক্ষমতায় থাকতে পারে না, জোর করে কেউ ক্ষমতায় যেতেও পারে না। যারা জনগণের জন্য রাজনীতি করে তারা তো জোর করে ক্ষমতায় যাওয়ার কথা ভাবেও না। যদিওবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জোর করে ক্ষমতায় গিয়েছিলেন। তিনি বন্দুক উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করেছিলেন এবং জোর করে ক্ষমতায় ছিলেন। আমাদের সরকার জনগণের রায় নিয়েই ক্ষমতায় আছে, পরপর তিনটি নির্বাচনে  জয়লাভ করেই আমরা সরকার গঠন করেছি।'

গত নির্বাচনে বিএনপি ডান-বাম, অতিডান-অতিবাম সবাইকে নিয়ে জোট গঠন করেছিলো এবং বিএনপি পাঁচটি আসন পেয়েছিলো উল্লেখ করেন সম্প্রচারমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'আর শুধু ইভিএম নয়, বিএনপি তো সবসময় প্রযুক্তিকে ভয় পায়। বেগম খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন বিনা পয়সায় সাবমেরিন কেবল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো আর তিনি বলেছিলেন এটি বসালে বাংলাদেশের গোপনীয়তা নষ্ট হবে। এই বলে সেটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, যে সাবমেরিন কেবল পরবর্তীতে শতশত কোটি টাকা খরচ করে  আমাদের বসাতে হয়েছে।'

হাছান মাহমুদ বলেন, 'দুনিয়ার সমস্ত উন্নত দেশে ইভিএম বা ইলেক্ট্রনিক ভোটের মেশিনের মাধ্যমে ভোট হচ্ছে যেমন ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানী, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এমনকি মালয়েশিয়াতেও হয়। দুনিয়ার সব জায়গায় হয় আর আমাদের দেশে যখন আমাদের দল ইভিএমের মাধ্যমে ভোট করার প্রস্তাব দিয়েছে, এটি আমরা না দিয়ে অন্য কেউ দিলে উনারা পছন্দ করতেন, আমার ধারণা। আমরা প্রস্তাব দেয়ার পর থেকেই এর বিরুদ্ধে কথা বলছেন। তার মানে উনারা চায় যে, ভোট কেন্দ্র দখল, সিলমারা, যেগুলো জিয়াউর রহমান সাহেব চালু করেছিলেন, সেই অপসংস্কৃতিটা থাকুক। সেই অপসংস্কৃতিকে যদি বন্ধ করতে হয়, ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নাই। কিন্তু তারা এটাকে ভয় পায়।'

;

দেশের জনগণ পরিবর্তন চায়: মোশাররফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশের জনগণ চায় পরিবর্তন। জনগণ চায় এই সরকার অতি দ্রুত তার পদ থেকে পদত্যাগ করুক বা আমরা তাদের সরিয়ে দেই। সেটা করতে হলে আমাদের সকলকে অবশ্যই রাস্তায় নামতে হবে। এদেশের মানুষ আর এই সরকারকে দেখতে চায় না।

বুধবার (০৬ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ২০১১ সালের ৬ জুলাই সংসদ ভবনের সামনে তৎকালীন বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুকসহ বিএনপির জনপ্রতিনিধিদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মোশররফ বলেন, এখানে একজন বলেছেন -আমরা আন্দোলন করলেও সরকার যাবে, না করলেও যাবে। যদি ঘটনা সেইটায় হয় তাহলে জাতি আরেকটা অন্ধকারে প্রবেশ করবে। আর রাস্তায় নেমে আমরা যদি এদেরকে বাধ্য করতে পারি। তাহলে জনতার কাছে ক্ষমতা আসবে। সরকারের শেষ প্রচেষ্টা হিসাবে আমাদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে।

তিনি বলেন, আমরা এদেশে গণতন্ত্র পূর্ণ উদ্ধার করতে চাই। আমরা এদেশে অতিদ্রুত সরকারকে হটাতে চাই। এদেশের জনগণ একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। যে নির্বাচনে সরকার নিজের হাতে নিজের ভোট দিতে পারবে। ইভিএম মেশিনে নয়। আর এর মাধ্যমে জনগণের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয়তাবাদী নবীন দলের সভাপতি হুমায়ূন আহমেদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল রানা প্রমুখ।

;

জনগণের মতপ্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জনগণের মতপ্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাই নির্বাচনী ব্যবস্থাকে অধিকতর গণতান্ত্রিক ও আধুনিক করার লক্ষ্যে কাজ করছে বর্তমান সরকার।

বুধবার (০৬ জুলাই) তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের আস্থা কতটুকু- নির্বাচন দিয়ে দেখতে বলেছন বিএনপি মহাসচিব, এই প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে আসুন,যথাসময়ে নির্বাচন হবে সংবিধানসম্মত ভাবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনেই প্রমাণ হবে - জনগণ কি ইতিবাচক রাজনীতির দিকে, নাকি নেতিবাচক রাজনীতির দিকে।

বাংলাদেশের জনগণ কি উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিবে,নাকি লুটপাটের পক্ষে রায় দিবে, এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের "মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের" উদ্দেশে বলেন দেশে যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, মানুষ কি উন্নয়ন আর অর্জনকে ভোট দেবে - নাকি দুর্নীতিকে ভোট দেবে?

সারাক্ষণ নির্বাচন আতঙ্কে ভুগতে থাকা বিএনপি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়েই আগে ভাগে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একথা সেকথা বলছেন বলে মত প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের।

নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ হলে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ নাকি দৃশ্যমান হবে, - মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের নিরপেক্ষতার কথা প্রসঙ্গে বলেন আপনাদের দৃষ্টিতে নিরপেক্ষতার মানদন্ড কী? তার প্রমাণ আপনারা ক্ষমতাসীন হয়ে বারবার দেখিয়েছেন।

বিএনপি নেত্রী এক সময় বলেছিলেন " দেশে শিশু আর পাগল ছাড়া কেউই নিরপেক্ষ নয়",দেশবাসী জানে যতক্ষণ বিএনপির ক্ষমতা দখলের পথ নিরাপদ না হবে,নির্বাচনে জেতার গ্যারান্টি না পাবে - ততদিন তাদের নিরপেক্ষতার মানদন্ড নিশ্চিত হবে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন বিএনপি যে কোন উপায়ে নির্বাচনে জয়ের নিশ্চয়তা এবং পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারার মানসিকতাই এখন সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রধান অন্তরায়।

জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতা দখলের রাজনীতি এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন ক্ষমতার প্রশ্নে তাদের কাছে স্বৈরতন্ত্র ও গণতন্ত্র সবই সমান।

তিনি বলেন ষড়যন্ত্রের মন্ত্র ও ক্ষমতার তন্ত্রে বিভোর বিএনপির এ দেশের গণতন্ত্র, জনমত,নির্বাচন এবং রাজনীতির অর্থবহ ও কল্যাণকর কোন পন্থাতে আস্থা ছিলো না,এখনও নেই।

আওয়ামী লীগ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুপ্রাণিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রকাশিত জনগণের মতামতের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শ্রদ্ধাশীল জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন জনগণই আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস।

তিনি বলেন এদেশে এ যাবৎ নির্বাচন ব্যবস্থা যতটুকু উন্নতি হয়েছে বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা পর্যন্ত আওয়ামী সরকারই এ উন্নতি করেছে

ওবায়দুল কাদের বলেন গনতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করেনি শেখ হাসিনা সরকার বরং অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করেছে।

দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই বিএনপি নেতারা রাতদিন সরকারের অন্ধ সমালোচনা করছেন, মিডিয়ায় ঝড় তুলছেন, সংসদে আনুপাতিক হারের চেয়ে বেশি সময় পাচ্ছেন,বক্তব্য দিচ্ছেন পার্লামেন্টে, পার্লামেন্টের বাইরে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন বিএনপি থেকে গণতন্ত্র শিখতে চাি না,বিএনপির গনতন্ত্রের মূলে রয়েছে জনগণের অধিকার হরণ,ভোটারবিহীন নির্বাচন, হ্যা- না ভোট,সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার,আগুন সন্ত্রাস আর দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর শেখ হাসিনা সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় বিএনপি নেতাদের বুকে বিষজ্বালা বেড়েই চলছে, আর এ থেকেই হতাশায় ভুগতে থাকা বিএনপি নেতারা আবোলতাবোল বলছেন।

;

আট দিনের মাথায় ফের ব্যাংকক গেলেন রওশন এরশাদ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আট দিন দেশে অবস্থানের পর মেডিকেল চেকআপের জন্য ফের থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে ব্যাংককের পথে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যান তিনি।

তার সঙ্গে রয়েছেন রংপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য পুত্র রাহ্গির আল মাহী সাদ এরশাদ ও পুত্রবধূ মহিমা সাদ।

দুপুরে রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে তাকে বিদায় জানান সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, সাবেক এমপি সালাউদ্দিন মুক্তি, পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা রানী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু, এমএ সাত্তার, মঞ্জুরুল হক সাচ্চা, সিলেট জেলা ছাত্র সমাজের সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান ডালিম, সিলেট মহানগর জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি শিউল আক্তার ও হাফসা আক্তার প্রমুখ।

উল্লেখ্য গেলো ২৭ জুন দেশে ফিরে হোটেল ওয়েস্টিনে অবস্থান করেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ।

;