রাষ্ট্রপতির সংলাপে যাবে কিনা- ‘জানে না' বিএনপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি। এর মধ্যে নতুন কমিশন নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপে বসতে যাচ্ছেন তিনি। আগামী ২০ ডিসেম্বর শুরু হবে এ সংলাপ। ইতিমধ্যে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ জানিয়েছে তারা রাষ্ট্রপতির সংলাপে অংশ নিতে আগ্রহী। সংসদের প্রধান বিরোধীদল জাতীয় পার্টিও সংলাপে বসতে রাজি হয়েছে।

তাই ২০ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে এ সংলাপ শুরু হচ্ছে। পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার কথা রয়েছে।

নতুন ইসি গঠন নিয়ে বেশকিছু দিন যাবত রাজনৈতিক অঙ্গনসহ নানা মহলে চলছে আলোচনা। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে মাঠের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির অংশ নেওয়া নিয়েও চলছে কানাঘুষা।

ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির সংলাপে বিএনপি যাবে কিনা জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা কিছু বলতে পারি না এজন্য যে আমরা কিছুই জানি না এই সম্পর্কে'।

আমন্ত্রণ পেলে যাবেন কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা কিছুই জানি না'।

দলটির একাধিক শীর্ষ নেতাকর্মী নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সংলাপে বিএনপি অংশ নিবে না।

তারা বার্তা২৪.কমকে বলেন, এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে বিএনপি কিছু ভাবছে না। এই মুহূর্তে বিএনপির ভাবনা চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসা। আর নির্বাচনের ব্যাপারে বিএনপির দাবি নিরেপক্ষ সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। নির্বাচনকালীন নিরেপক্ষ সরকার হলে সেই সরকারই নিবার্চন কমিশন গঠন করবে। বর্তমান সরকারের অধীনে যে কমিশন হবে তা আওয়ামী লীগের কমিশন হবে। এই কমিশনের কাছ থেকে সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায় না।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্রহীন সমাজে জবাবদিহিতা প্রতিটি পদে পদে বিঘ্নিত হয়। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে প্রতিটি ক্ষেত্রে এটা বিদ্যমান। বাংলাদেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রী মাদার অব ডেমোক্রেসি দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসায় বিদেশে প্রেরণে সরকারের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি তার সর্বশেষ উদাহরণ। তাই দেশে অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের আয়োজনের পথ পরিষ্কার করে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার সর্বাত্মক ব্যবস্থা করে জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করে দেশে মানবাধিকার ও বিচার পাওয়ার অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ৫০ বছর পালনকালে এটাই হতে পারে দেশবাসীর জন্য সর্বোত্তম প্রাপ্তি।

এর আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠনের ব্যাপারে রাজনৈতিক দলকে সংলাপে ডাকলে বিএনপি তাতে অংশগ্রহণ করবে না, এটা স্পষ্ট এবং পরিষ্কার।

এদিকে রাষ্ট্রপতির আহ্বানে সাড়া দেওয়া উচিত মনে করছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন করার উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক দলগুলোকে সংলাপে ডাকলে সেখানে অবশ্যই যাওয়া উচিত হবে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার দরকার। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের প্রয়োজন। আর সংবিধান অনুযায়ী অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন প্রণয়ন করা উচিত।

সংবিধানে ইসি গঠনে আইন প্রণয়নের কথা থাকলেও কোনো সরকারই সেই পথে হাঁটেনি। সংবিধানের আরেকটি অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া ক্ষমতা অনুযায়ী কমিশন গঠিত হয়ে আসছে। সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে সিইসি এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। গত কয়েকটি মেয়াদে রাষ্ট্রপতি 'সার্চ কমিটি'র সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন।

‘জিয়াকে কারাগারে ফেরত পাঠানোর জন্য জনগণই দাবি তুলেছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, তারেক রহমান দুর্নীতি ও গ্রেনেড হামলার দায়ে একজন সাজাপ্রাপ্ত, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দণ্ড কার্যকর করার জন্য তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারি পর্যায়ে আলাপ আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মহানুভবতা বুঝতে ব্যর্থ বিএনপি। অথচ বেগম জিয়াকে কারাগারে ফেরত পাঠানোর জন্য জনগণই দাবি তুলেছে।

কক্সবাজারে জেলা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে শুক্রবার (২৭ মে)  সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্পী সংসদ আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগদানের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ড. ইউনুসসহ যারা পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন, বিভিন্ন সময় অনেক বড় বড় কথা বলেছেন, বিশ্বমন্দা করোনা নিয়ে নসিহত করেছেন, পদ্মা সেতু হওয়ার পর এখন তাদের মুখে আর কোনো কথা নেই বলে মন্তব্য করেছেন।

সেতু বিরোধীদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু বিএনপিরই নয়, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের খবরে সিপিডি, টিআইবি এবং আরো যারা পদ্মা সেতুর বিরোধিতা করেছিলো, তাদেরও গাত্রদাহ হচ্ছে। আমি আমার চেয়ে অনেক বয়োজ্যেষ্ঠ ড. মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতি গভীর সম্মান রেখেই বলছি, তিনি নিজেও হিলারি ক্লিনটনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের কাছে চিঠি লিখেছিলেন, যাতে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন না করে, সেই অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন।’

তিনি বলেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা সমস্ত ষড়যন্ত্র উপড়ে ফেলে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করে প্রমাণ দেখিয়ে দিয়েছেন পদ্মা সেতু শুধু আমাদের গর্বের সেতু নয়, শুধু পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘ সেতুই নয়, পদ্মা সেতু আমাদের সক্ষমতার প্রতীক। পদ্মা সেতু আমাদের বাংলাদেশ, আমাদের জনগণ ও সরকারের সক্ষমতার প্রতীক। সমস্ত ষড়যন্ত্র পেছনে ফেলে যে এটি করা যায়, তা প্রধানমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন। এসময় পদ্মা সেতুর সমালোচক বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বেগম জিয়া এবং তারেক রহমানের বিষয়েও কথা বলেন মন্ত্রী।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঘোষণার পর সারাদেশে বিশৃঙ্খলার পেছনে তারেক রহমানের হাত রয়েছে কি না ও তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে কি না, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,‘'বিএনপি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতদের দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এমনকি হাইকোর্টের সামনে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের সামনেও বহিরাগত ও সন্ত্রাসীদের সমাবেশ ঘটিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। এগুলোর পেছনে নিশ্চয়ই তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত রয়েছে। 

আমাদের কাছে যতটুকু খবর আছে, তারেক রহমান সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় যতো সন্ত্রাসী আছে, তাদেরকে ফোন করে এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বলেছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সারাদেশে আমাদের নেতাকর্মীদেরকেও বলবো, জনগণকে সাথে নিয়ে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে।’

কক্সবাজারের রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক কবি মুহাম্মদ নুরুল হুদা, ডেপুটি কমিশনার মো. মামুনুর রশীদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

;

আ.লীগের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক বুধবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী বুধবার (০১ জুন) আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। দলের ২১- তম সন্মেলন এর মাধ্যমে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের পর প্রথম বারের মত বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন পরিষদের সদস্যরা।

শুক্রবার (২৭ মে) আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বার্তা২৪.কম-কে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,

০১ জুন বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক বসবে।

বিপ্লব বড়ুয়া জানান, আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ২৬(ক) ধারা অনুযায়ী, সংগঠনের সভাপতি শেখ হাসিনা উপদেষ্টা পরিষদের শূন্য পদে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলমকে মনোনীত করেছেন।

এর আগে শামসুল আলম পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) থেকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য  ৫১ জন হওয়ার বিধান থাকলেও বর্তমানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সহ মোট সদস্য সংখ্যা ৪২ জন।

;

মামলা দেওয়ার দিক থেকে প্রধানমন্ত্রী নোবেল পাবেন: দুদু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপিকে দাবিয়ে রাখার জন্য ৩৫ হাজার মামলা দিয়েছে এই সরকার, মামলা দেওয়ার দিক থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোবেল পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

আওয়ামী লীগকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরকাল থাকে না। আমরা ক্ষমতায় ছিলাম এখন নেই। আমরা আবার আসবো তখন কি হবে। এমন অবস্থানে যাইয়েন না, যেখান থেকে ফেরত আসতে পারবেন না।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে বিএনপির মহাসচিবকে পুলিশ মন্ত্রী বানিয়ে দিব। তাই যা করবেন একটু বুঝে শুনে করিয়েন। এখান থেকে চলে গেলেই বেঁচে যাবেন না। সকলকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসবো।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, জবাব না দিয়ে চলে যাবেন তা হবে না। দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি তাতে জনগণের অবস্থা নাজেহাল। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াতে চেয়েছেন এখন খাচ্ছি ৭০ টাকা কেজিতে। ঘরে ঘরে চাকরি দিবেন বলেছিলেন কিন্তু দিয়েছেন মামলা। সব কিছুর হিসাব নেওয়া হবে।

এর আগে, শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীরা মিছিল নিয়ে কার্যালয়ে আসার সময় পুলিশ বাঁধা প্রদান করে। পরে সমাবেশ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়।

জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, যুবদলের সভাপতি আবুনুর চৌধুর, মহিলা দলের সভানেত্রী ফোরাতুন নাহার প্যারিস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান নুরু, ছাত্রদলের সভাপতি কায়েস প্রমুখ।

;

অবৈধ সরকারকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে: দুলু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক মন্ত্রী অ্যাড. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, অবৈধ সরকারের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রাণের স্পন্দন, বিএনপি চেয়ারপারসন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকি দিয়ে এদেশের সকল মানুষের হৃদয়ে আঘাত করেছেন। অনতিবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার ও জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের জনগণ রাজপথে নেমে আন্দোলনের মাধ্যমেই এই অবৈধ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করবে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় ইবি রোডস্থ ভাসানী মিলনায়তন সবুজ চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দুলু বলেন, দেশে আজ দুর্ভিক্ষ চলছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য আজ আকাশচুম্বি সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। সামনে গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে দেশনায়ক তারেক রহমান যে আন্দোলন সংগ্রামের ডাক দিবে সেই আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এদেশের জনগণ রক্ত দিতে প্রস্তুুত, রক্ত দিয়েই এই অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামাবো ইনশাআল্লাহ।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মজিবর রহমান লেবু। পরিচালনা করেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান রঞ্জন।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্র্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু।

এসময় সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গাজী আজিজুর রহমান দুলাল, আনিসুজ্জামান পাপ্পু, নাজমুল হাসান তালুকদার রানা, শ্রী অমর কৃষ্ণ দাস, খ ম রকিবুল হাসান রতন, মতিয়ার রহমান সরকার, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি শামীম খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুর কায়েম সবুজ, হারুন অর রশিদ খান হাসান, মুন্সি জাহেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ সুইট, মির্জা মোস্তফা জামানসহ অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

;