নাসিকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট হবে, আশা কাদেরের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সারাদেশে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অত্যন্ত আনন্দমুখর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা আশা করছি, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনসহ পরবর্তী নির্বাচনসমূহ সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং কমিশনের কাজে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করে না। ভোটারদের নিরাপত্তা বিধান এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় এবং আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগে সরকার সর্বদা কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করতে বদ্ধপরিকর। আশা করি, আগামীতে যে কোন ধরনের নির্বাচনী সহিংসতা এড়াতে কমিশন এবং আইন শৃঙ্খলাবাহিনী আরও তৎপর থাকবে।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সমাবেশের নামে সন্ত্রাস ও সহিংসতার উসকানি দিচ্ছেন। কেউ কেউ আরেকটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলছেন, ডাইরেক্ট অ্যাকশনের হুমকি দিচ্ছেন। আসলে পায়ের নিচে মাটি নেই বলে এসব তাদের নিজেদের ওপর ঝেঁকে বসা ভয় তাড়ানোর নির্জীব হুংকার। আত্মবিশ্বাস হারানো এক ক্ষয়িষ্ণু রাজনৈতিক দলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা জানতে চাই, কাদের নিয়ে তারা যুদ্ধ করবেন? কেন যুদ্ধ করবেন? তাদের যুদ্ধ কী লুটপাট, দুর্নীতি আর অরাজকতা সৃষ্টির জন্য? আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগও প্রস্তুত। যারা মানুষের মৌলিক অধিকার হরণকারী, দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষক, উগ্র-সাম্প্রদায়িকতার ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিত এবং যারা স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতা ও স্বেচ্ছাচারিতামূলক অপরাজনীতির উত্তরাধিকার তাদেরকে জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের যে কোন ধরনের আস্ফালনকে সর্বাত্মকভাবে প্রতিহত করা হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণ আজ সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণকর রাষ্ট্র বিনির্মাণের চলমান সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ। বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।

কোকো’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী ২৪ জানুয়ারি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ২৪ জানুয়ারি।

ওই দিন সকাল ৮টায় মরহুম আরাফাত রহমান কোকো’র বনানীস্থ কবরস্থান প্রাঙ্গণে কোরআন খানি ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

দুপুর ১২টায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি নয়াপল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কোকো’র বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তরের ২৬টি থানায় বিশেষ দোয়া এবং এতিম ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করবে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

এছাড়াও বিকাল ৫টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি।

সার্বিক করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোরভাবে স্বাস্থবিধি মেনে দিনব্যপী এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে দলটি।

;

‘ব্লক চেইন টেকনোলজিতে বিতর্কমুক্ত নির্বাচন হতে পারে’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল

জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল

  • Font increase
  • Font Decrease

জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল বলেছেন, ব্লক চেইন টেকনোলজি প্রচলিত সব প্রযুক্তির সেরা। নিরপেক্ষ,  বিতর্কমুক্ত সুষ্ঠু নির্বাচন প্রশ্নে ব্লক চেইন টেকনোলজি এবং ই-ভোটিং বাস্তাবায়ন এখন সময়ের দাবী।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে  বনানীস্থ জাকের পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সন্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ব্লক  চেইন” এর মত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির বাস্তবায়ন, ই-ভোটিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসে ভোট প্রদানের প্রস্তাবনা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আমরা পেশ করেছি। যা রাষ্ট্রপতির কাছে এ ধরনের সর্বপ্রথম প্রস্তাবনা। এ প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রপতি চমৎকৃত হন  এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলের সদস্য ভোটারদের নাম, আইডি কার্ড এবং স্ব-স্ব দলের সমর্থক ভোটারদের ভোটারের নাম, আইডি কার্ড, স্বাক্ষর এবং ছবিযুক্ত ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে। এ ডাটাবেজ নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে। তা হলে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর যে সংরক্ষিত ভোট আছে তার প্রমাণ নির্বাচনের পূর্বেই নির্বাচন কমিশন অবহিত থাকবেন। এরপর নির্বাচন কমিশন এ ডাটাবেজ একটি অ্যাপের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে উম্মুক্ত করে দিবে। এতে করে ভোট গননা এবং ফলাফলের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর ভোট প্রদান, সংখ্যা এবং ফলাফলের সাথে চেক এন্ড ব্যালেন্স আসতে পারে।

তিনি বলেন, ব্লক চেইন প্রযুক্তি সবচাইতে গতিশীল এবং সুরক্ষিত। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কেউ চাইলেই লেনদেনে গড়মিল তৈরী করতে পারে না। ভোটার ডাটা ব্লক চেইন এর মাধ্যমে ষ্টোর করা এবং ভোটের ডাটাবেজ দেশের সকল নাগরিকদের জন্য উম্মুক্ত করে দিতে হবে। এই পদ্ধতিটি হ্যাকড করা সম্ভব নয়, বাকি সব পদ্ধতি হ্যাকিং হতে পারে।

জাকের পার্টি চেয়ারম্যান স্টার্টআপ দের জন্য স্টার্টআপ ইকুইটি ফান্ড, বয়স্কদের জন্য পেনশন ফান্ড, আয়ের গড়  হিসাবের প্রচলিত ধারার অসামঞ্জস্য এবং  সঞ্চয়কারীদের সঞ্চয় কে  বিনিয়োগের আরো বড় খাত তৈরির অপরিহার্যতা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কি করে আমরা গরীব মেহনতি মানুষকে মূল অর্থনীতির স্রোতধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারি। বাংলাদেশে  ল্যান্ড সাইজ ছোট হতে পারে কিন্তু একেকটি জেলা একটি ইউরোপীয় রাষ্ট্রের সমান। আমাদের ৬ লাখ কোটি টাকার বাজেট যদি সমান ভাগে ভাগ করা হয় তাহলে প্রতিটি জেলা পায় ১০ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ ৫বছর মেয়াদে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা পায়, গুণগত ব্যায় ও সুষম বন্টন নিশ্চিত করা গেলে আমরা দারিদ্রতা কে পরাজিত করতে পারতাম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জেলা পর্যায়ে গভর্নর নিয়োগ করার প্রস্তুতি নিয়ে ছিলেন, যাতে করে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোকে আরও উন্নত করা যায়।

মূল্যস্ফীতিকে আমানতকারীর আমানতের সাইলেন্ট কিলার আখ্যা দিয়ে বলেন, প্রতি বছর দ্রব্য মূল্যের দাম যে হারে বাড়ছে, আজকের ১০ লক্ষ টাকা ১০ বছর পর তার বাজার মূল্য হবে ৪ লক্ষ টাকা, অর্থাৎ এখানে পরিস্কার দেখা যায় যে, সঞ্চয় এর মূল্য থাকছে না। সঞ্চয়কারীর সঞ্চয়কে ব্যবহার করে বিনিয়োগের খাত আরও ব্যাপক ভাবে সৃষ্টি করতে হবে। কারো বার্ষিক আয় ১০ কোটি টাকা, কারো ১ লাখ টাকা। কিন্তু আয়ের গড়ে বললাম ৫ কোটি টাকা গড় হিসাব এভাবে দেখলে আসল চিত্র বুঝা যায় না। তাই টার্গেট ধনী কে গরীব বানানো না, টার্গেট হবে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোকে কি করে আরো উন্নত জীবন দেয়া যায়।

;

জিয়ার অবদান মুছে ফেলতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: আমান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, শহীদ জিয়া আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। যিনি সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। আজ তার অবদান মুছে ফেলতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে এবং তারেক রহমানকেও দূরে রাখার ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু সেসব সম্ভব হবে না। তারা রয়েছেন দেশের মানুষের হৃদয়ে। কেননা শহীদ জিয়া দেশের উন্নয়নের জন্য যা করেছেন তা কখনো জাতি ভুলবে না।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেডআরএফ।

জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের সভাপতিত্বে ও প্রকৌশলী মাহবুব আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবদুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।

আমান বলেন, বর্তমান সরকারের জনপ্রিয়তা ও জবাবদিহিতা নেই। কারণ তারা বিনাভোটের সরকার। তারা সংসদ থেকে বের না হলে জনগণ তাদেরকে বের করে আনবে এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবেন।

;

‘দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য আ.লীগ সরকারের পতন ঘটাতে হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচন কমিশন গঠন আইন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। সুতরাং দেশের চলমান সংকট সমাধানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য এর কোনো বিকল্প নেই।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেডআরএফ।

জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের সভাপতিত্বে ও প্রকৌশলী মাহবুব আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবদুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা নন দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য সকল সেক্টরে অবদান রেখেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তার জন্মবার্ষিকীতে জেডআরএফের আলোচনার জন্য ধন্যবাদ। আমি বলব-দেশের বিশেষ দুটি দিন। একটি ২৫ মার্চ পাক হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের বিরুদ্ধে উই রিভোল্ট বলে দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তৎকালীন সেনাবাহিনীর তরুণ মেজর জিয়াউর রহমান। আজকে অনেকেই জিয়াউর রহমানকে হিংসা করেন। তার নাম মুছে ফেলার জন্য এমন কোনো কাজ নেই তারা করছে না। যারা জিয়াউর রহমানের অবদান স্বীকার করেন না তারা মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করে না। অন্যরা তো তখন ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলো। কেউ ইচ্ছা করলে ইতিহাস মুছে দিতে পারে না।

আরেকটি ঘটনা হলো ৭ নভেম্বর। ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন তারা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ধ্বংস করেছিল। কথা বলার স্বাধীনতা বন্ধ করেছিলো। রক্ষীবাহিনী দিয়ে মানুষ হত্যা করে প্রথম মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিলো। তখন ক্যু আর পাল্টা ক্যু হচ্ছিল। তখন ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লব যে সংঘটিত হলো সেটা হলো ইতিহাসের আরেকটি টার্নিং পয়েন্ট। তখন দেশের ক্ষমতার পাদপ্রদীপে আবির্ভূত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনরুদ্ধার করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি জাতিসত্তার পরিচয় দিয়েছেন। সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। দেশের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনেন। মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির নামে লুটপাট চলছিল।

শহীদ জিয়া দেশের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগ বার বার গণতন্ত্র হত্যা করেছে আর বিএনপি তা বার বার পুনরুদ্ধার করেছে। এগুলো ইতিহাস। চাইলেই মুছে ফেলা যাবে না। তেমনি আজকে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে গিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ কারাবন্দী।

আজকে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সরকার যে আইন করেছে তার জাতির সাথে আরেকটি নাটক। আমরা বলেছি আওয়ামী লীগের অধীনে বিএনপি কখনো কোনো নির্বাচনে যাবে না। কেননা আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন কমিশন সরকারের স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। সুতরাং এসব সংকট সমাধানে আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের কোনো বিকল্প নেই। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

;