বিএনপির সদস্য পদ থেকেও বহিষ্কার তৈমুর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তৈমুর আলম খন্দকার।

তৈমুর আলম খন্দকার।

  • Font increase
  • Font Decrease

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের পরাজিত মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকারকে বিএনপির সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়েছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বহিষ্কার আদেশ জানানো হয়।

তৈমুরকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযােগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপির গঠনতন্ত্র মোতাবেক আপনাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে নির্দেশক্রমে বহিষ্কার করা হলো। এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

জিয়াকে শ্রেষ্ঠ করতে কাউকে ছোট-বড় করতে হয় না: গয়েশ্বর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, এক দলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে প্রবর্তন করায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সাধারণ মানুষ উপরে স্থান দিয়েছেন।জিয়াউর রহমানকে শ্রেষ্ঠ করতে কাউকে ছোট-বড় করতে হয় না। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার কর্মকাণ্ডের তুলনা সে নিজেই। আমরা যেন ভুল করে জিয়াউর রহমানের সাথে অন্য কারো তুলনা করতে না যাই। জিয়াউর রহমান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

রোববার (২৯ মে) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার উল্লেখযোগ্য বিষয় নিয়ে খ্যাতনামা জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাক্ষাৎকার ভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সাক্ষাৎকার ভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, জিয়াউর রহমান সর্বকালের একজন সর্বশ্রেষ্ঠ দেশ প্রেমিক। জিয়াউর রহমান একজন দূরদর্শী সম্পন্ন রাজনীতিবিদ ছিলেন। জিয়াউর রহমান সর্বশ্রেষ্ঠ সংগঠক। একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সাংগঠনিক দক্ষতা দরকার। এটি অল্প সময়ের মধ্যে জিয়াউর রহমান করতে পেরেছিলেন। পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি মুক্তিযদ্ধে সবাইকে মাঠে নামাতে পেরেছিলেন। এবং সম্মুখ ভাগে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে যুদ্ধ করেছেন। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় তিনি ইচ্ছা করে আসেন নাই। সিপাহী জনতা তাকে উদ্বুদ্ধ করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এনেছে। জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিলেন তিনি জনগণের সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছেন।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশকে একত্রিত করতে জিয়াউর রহমান সার্ক তৈরি করেছিলেন। সার্কের কার্যকারিতা না থাকায় দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্বের বড় দেশগুলো যখন আমাদের নিয়ে খেলবে তখন আমরা বিপদে পড়ে যাবো। এসব থেকে মুক্তি পেতেই জিয়াউর রহমান সার্ক গঠন করেছিলেন। এটাই জিয়াউর রহমানে দূরদর্শীতা।

তিনি খান খনন কর্মসূচি পালন করে সারা দেশে কৃষিক্ষেত্রে অভুতপূর্ব সাফল্য এনেছিলেন। ছাত্রদের তিনি শুধু রাজনীতির মধ্য সীমাবদ্ধ রাখেননি। তিনি তাদের দিয়ে উৎপাদনমুখী রাজনীতি করাতে চেয়েছেন। যুবকদের তিনি বসিয়ে রাখেননি। যুবকদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে লাইসেন্স দিয়ে কাজে লাগিয়েছেন। জিয়াউর রহমানের স্লোগান ছিলো বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে কোন প্রভু নাই। জিয়াউর রহমানই প্রথম ব্যক্তি ৭টি দেশের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসে আমেরিকা, রাশিয়া, চীনে কূটনৈতিক মিশন চালু করেন। জিয়াউর রহমানের কোন স্বজনপ্রাতী ছিলো বলে জানান গয়েশ্বর।

এ সময়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব উপস্থিত ছিলে।

;

‘শান্তিরক্ষীরা মিশনে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্বরত বাংলাদেশের গর্বিত সদস্যদের প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি।

রোববার (২৯ মে) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে এক অভিনন্দন বার্তায় বিশ্বশান্তি রক্ষায় সকল দেশের শান্তিরক্ষীদের প্রতি শুভেচ্ছা জানান তিনি। পাশাপাশি শান্তিরক্ষা মিশনে জীবন উৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

অভিনন্দন বার্তায় বলেন, সাহসিকতা, বীরত্ব আর কর্মনিষ্ঠায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ ঈশ্বনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। সূর্য সন্তানরা শান্তিরক্ষা মিশনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন।

জিএম কাদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-কে। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের বিরোধীতা উপেক্ষা করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ থেকে সৈন্য প্রেরণ করেছিলেন।

;

‘শেখ হাসিনাকে নিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় স্লোগানের পরিণতি হবে ভয়াবহ’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় স্লোগান ও গালিগালাজ করার পরিণতি হবে ভয়াবহ বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার (২৯ মে) সকালে তার বাসভবনে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে ব্রিফিংকালে একথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৫ আগস্টের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার বিএনপি নেতাদের এমন স্লোগান তাদের ঘাতক চরিত্রের পরিচয় আবারও স্পষ্ট করেছে।

জাতীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি ও তাদের দোসররা সমাবেশের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে, তাদের বক্তব্য বিবৃতিতে কোন শালীনতা, সৌজন্যবোধও দেখাচ্ছে না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও তারা নোংরা ভাষায় স্লোগান দিচ্ছে, যা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

এ সরকারের অধীনে নাকি আর কোন নির্বাচন হবে না, নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে, - বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের জনগণ কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বেচ্ছাচারী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যকে মেনে নেয় না। কোনও ষড়যন্ত্রকারীর রক্তচক্ষু ও ত্রাসের কাছে মাথা নত করে না।

তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার বুটের তলায় পিষ্ট করে কারফিউ মার্কা গণতন্ত্র চাপিয়ে দিয়ে জাতির সঙ্গে তামাশা করেছিলেন। একই সাথে সেনাপ্রধান এবং রাষ্ট্রপতির পদ দখল করে সংবিধান ও আইনকে ভূলুন্ঠিত করেছিলেন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে সে অপরাজনীতির ঐতিহ্য বহন করে চলেছে আজকের বিএনপি।

যার ধারাবাহিকতায় কোন আইন বা নিয়ম নীতির কথা শুনলেই বিএনপি নেতাদের গায়ে জ্বালা ধরে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, আর এ নির্বাচন কমিশনের অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সরকারের অধীনে নয়।

শেখ হাসিনা সরকার শুধু নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয় বাংলাদেশেও সংবিধান অনুযায়ী সেভাবেই যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা বিএনপি মহাসচিবের মামার বাড়ির আবদার।

বিএনপি একেক সময় একেক দাবি নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে আরও বলেন, তারা কখনো বলে জাতীয় সরকার, কখনো তত্বাবধায়ক, আবার কখনো বলে নিরপেক্ষ সরকার, দেখতে দেখতে এক যুগেরও বেশি সময় পার করলেন বিএনপি নেতারা। কিন্তু এখনো জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে পারেনি আসলে বিএনপি কী চায়?

বিএনপির তত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এটা তো মীমাংসিত একটি বিষয়, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে তত্বাবধায়ক সরকার এখন জাদুঘরে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপির নেত্রীই তো বলেছিলেন শিশু আর পাগল ছাড়া কেউ নাকি নিরপেক্ষ নয়। তবে কি ক্ষমতা পাগল বিএনপি কোন শিশু আর পাগলের অধীনে নির্বাচন চায় কিনা সেটাই প্রশ্ন?

আওয়ামী লীগকে নাকি আর ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া হবে না,- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া না দেওয়ার বিএনপি কে? ক্ষমতা দেওয়ার মালিক মহান আল্লাহপাক, এবং ক্ষমতার উৎস এদেশের জনগণ।

তিনি আবারও স্পষ্ট করে বলেন, যতদিন জনগণ চাইবে ততদিন শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকবে।

;

নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ, পুলিশের বাধায় মিছিল ছত্রভঙ্গ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ, পুলিশের বাধায় মিছিল ছত্রভঙ্গ

নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ, পুলিশের বাধায় মিছিল ছত্রভঙ্গ

  • Font increase
  • Font Decrease

খালেদা জিয়াকে কুটুক্তির প্রতিবাদ ও দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে এবং নোয়াখালীতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি এবং অংগসংগঠন। সমাবেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে কুটুক্তির প্রতিবাদ জানান।

এদিকে শনিবার সন্ধায় মিছিলসহ প্রধান সড়কে গেলে পুলিশ বাঁধা দেয় ও হাতাহাতিতে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।  

এর আগে প্রেস ক্লাবের সামনে জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল করিম সুমনের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রকে অনিয়ম দূর্নীতির আখড়া তৈরি করেছে। দীর্ঘদিন অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকায় দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশের মানুষকে নির্যাতন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে দেশব্যাপী নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে।

তিনি খালেদা জিয়াকে কুটুক্তির প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান। 

সমাবেশে আরোও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান, বিএনপি’র নেতা মাহবুব আলমগীর আলো, ওমর ফারুক টপি, ভিপি পলাশ, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খাঁন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান মোঃ নোমান, ভিপি জসিমসহ দলের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশ শেষে শনিবার সন্ধা ছয়টায় প্রধান সড়কে মিছিল করতে গেলে পুলিশ বাঁধা দেয় এবং পুলিশের হাতাহাতিতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পুলিশ একজন আটক করলেও দলীয় কর্মীদের তোপের মূখে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম জানান, দলীয় কর্মীরা প্রধান সড়কে মিছিল করতে গেলে পুলিশ বাঁধা দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেন। 

;