‘ইসি আইন প্রণয়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অপরাজনীতিতে লিপ্ত বিএনপি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ একটি চিহ্নিত মহল নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়নের মহৎ উদ্যোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে তাদের চিরাচরিত অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের অপরাজনীতিতে লিপ্ত হয়েছে।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিএনপির অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের বিশিষ্টজন ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসমূহ সংবিধানের নির্দেশনা মেনে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগকে যেখানে স্বাগত জানিয়েছেন সেখানে কিএনপি ও তাদের দোসর দেশবিরোধী অপশক্তি দূরভিসন্ধিমূলক বাক্য প্রদান করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পঁয়তারা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, সংসদীয় রীতি অনুযায়ী খসড়া আইনটি সংসদে উদ্যাপনের পর আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার অন্য পাঠানো হবে। সেখান থেকে সুপারিশ আকারে সংসদের বৈঠকে উঠৱে এবং সংসদীয় বিধান অনুযায়ী সংসদে আলোচনার মধ্য দিয়ে আইনটি চূড়ান্ত হবে। জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল এবং বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যগণ তাদের মতামত ও প্রস্থাৰ উপদ্মাপনের সুযোগ পাবেন। অথচ গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার না মেনে পূর্ব নির্ধারিত দূরভিসন্ধি অনুযায়ী বিএনপি নেতৃবৃন্দ এই আইন নিয়ে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, একটি নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও শান্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনে সকল স্টেক হোল্ডার তথা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসমূহ দীর্ঘ দিন ধরে নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়ে আসছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ই ২০১২ ও ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের আলোকে সকল রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করে নির্বাচন কমিশন গঠন করেন। এই দুই মেয়াদে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অনুষ্ঠিত সংলাপে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের দাবি জানায়। বিএনপি তখন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতে নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছিল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ও সুদৃঢ় ভিত্তি রচনায় সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে এ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়। গণতন্ত্রের শিশুকে আতুড় ঘরেই হত্যা করা হয়।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দীর্ঘ প্রায় ৫০ বহু অতিবাহিত হলেও কোন সরকারই এই আইন প্রণয়নে উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। একমাত্র বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারই টেক্সই গণতন্ত্রের শক্তিশালী কাঠামো বিনির্মাণে নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, আমরা সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করাল লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন আইন নিয়ে যে খসড়া অনুমোদিত হয়েছে, সে সম্পর্কে গঠনমূলক আলোচনা ও দায়িত্বশীল আচরণের আহবান জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ‘এটেম্পট টু মার্ডার’: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে ভাষায় বক্তব্য রেখেছেন তার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পদ্মা নদীতে টুস করে ফেলে দেওয়ার যে হুমকি দিয়েছেন তা রীতিমতো ‘এটেম্পট টু মার্ডার‘। এটা স্পষ্টই হত্যার হুমকি। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশের সিনিয়র নাগরিক সম্পর্কে শেখ হাসিনা যে ভাষায় কথা বলেছেন তা গোটা জাতির জন্য লজ্জাজনক। দেশবাসী তার কথায় বিস্মিত।

রোববার (২২ মে) দুপুরে এক বিক্ষোভ মিছিল শুরুর প্রাক্কালে রিজভী এসব কথা বলেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কটূক্তির প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। রাজধানীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের নতুন ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি চানখাঁরপুলের দিকে এগিয়ে যায়। মিছিলকারীরা খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে ‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, দিতে হবে দিয়ে দাও’ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য যাবতীয় ভব্যতা ও শিষ্টাচারকে অতিক্রম করেছে। তার বক্তব্য সরাসরি নারীবিদ্বেষী ও বর্ণবাদী। গণতান্ত্রিক সভ্য দেশে কোনো প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়ে এমন বক্তব্য বের হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতো। তিনি সরাসরি দেশের একজন সম্মানিত ও সাবেক নারী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে দেশের জনগণ একাধিকবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। দেশে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি সামনের সারিতে আছেন। তার সময়ই মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা চালু করা হয়। এ ছাড়া দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি আপোসহীন। অথচ শেখ হাসিনা তাকে নিয়ে শুধু বাজে মন্তব্যই করেননি, খালেদা জিয়াকে নিয়ে রাজনৈতিক বিদ্বেষও ছড়িয়েছেন। আমরা তার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই।

;

শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনা সরকারের অধীনেই জাতীয় নির্বাচন হবে। এটা মেনেই বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির কথায় শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবে না। বিএনপি ব্যর্থ রাজনৈতিক দল। তারা পদত্যাগ করবে।

রোববার (২২ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, চিৎকার করে লাভ নেই। নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতা পরিবর্তনের বিকল্প নেই। বিএনপিকে বাঁকা পথ পরিহার করে সোজা পথে ক্ষমতায় আসার আহ্বান জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির কথায় শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবে না। বিএনপি ব্যর্থ রাজনৈতিক দল। তারা পদত্যাগ করবে। শেখ হাসিনা সরকারের অধীন জাতীয় নির্বাচন হবে। এটা মেনেই নির্বাচনে আসতে হবে বিএনপিকে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডক্টর আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

;

পরিসর বাড়লো গণঅধিকার পরিষদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিসর বেড়েছে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কমটির। কমিটিতে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ১৯ জন। আগের ১০১ জন নিয়ে বর্তমানে আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সংখ্যা ১২০ জন।

শনিবার (২১ মে) রাতে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নুরুল হক নূরের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নাম জানানো হয়।

দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন

যুগ্মআহ্বায়ক:

কর্ণেল (অবঃ) মিয়া মশিউজ্জামান, চোধুরী আশরাফুল বারী নোমান, অধ্যাপক (অবঃ) ড. আবদুল মালেক ফরাজি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, মেজর (অবঃ) আমিন আহমেদ আফসারী, মেজর (অবঃ) ড. বদরুল আলম সিদ্দিকী, জেলা ও দায়রা জজ (অবঃ) শামস-উল- আলম খান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মাহবুব হোসেন।

যুগ্ম সদস্য সচিব:

মো. তারেক রহমান, স্কোয়াড্রন লীডার (অবঃ) মাহমুদ আলী, লেঃ কমাঃ (অবঃ)মু্হাঃ আব্দুল বাসেত, ওয়াহেদুর রহমান মিল্কি।

সহকারী সদস্য সচিব:

শামসুদ্দিন আহমেদ, আনিসুর রহমান মুন্না।

সদস্য:

প্রিন্সিপাল এম.এ মালেক, শাহরুখ খান (আজাদ), কাজী মোকলেস, নুর আলম মোল্লা, মো. শহিদুল ইসলাম।

দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের উদ্দেশ্যে নুরুল হক নুর বলেন, জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে গণঅধিকার পরিষদে আপনাদের নেতৃত্ব আগামীর বাংলাদেশ বির্নিমানে জাতিকে পথ দেখাবে বলে আশা করি।

বার্তা২৪.কম-কে নূর বলেন, আত্মপ্রকাশের পর প্রথমবারের মত আহ্বায়ক কমিটির পরিসর বাড়ানো হল। আমরা দ্রুত জেলা কমিটিগুলো দেয়ার চেষ্টা করছি। আগামী তিন মাসের মধ্যে চেষ্টা করব ৫০টির মতো জেলা কমিটি দেয়ার। চলতি বছরের মধ্যে জেলা কমিটিগুলো দিয়ে কাউন্সিল করা হবে। কাউন্সিলের মাধ্যমে গণঅধিকার পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হবে।

;

ছাত্রদলের ওপর পুলিশি নির্যাতন বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছাত্রদলের ওপর পুলিশি নির্যাতন বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি

ছাত্রদলের ওপর পুলিশি নির্যাতন বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি হামলা, মামলা ও গ্রেফতার বন্ধ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি দিয়েছে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

শনিবার (২১ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানির প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি।

সাইফ মাহমুদ জুয়েল বলেন, এই অবৈধ সরকারের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সময় অতিক্রম করছে প্রিয় মাতৃভূমি৷ ঈদুল ফিতরের পর অল্প কয়দিনের ব্যবধানে কোন কারণ ছাড়াই কয়েকবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বারবার গ্রেফতারের চেষ্টা ছাত্রসমাজকে খুবই মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে৷ আমরা ছাত্রদল এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, এ অবৈধ সরকার তাদের ক্ষমতার প্রথম মেয়াদ থেকেই বিরোধী দল ও মতের মানুষের উপর খড়গহস্তে নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়ে আসছে৷ জেল-জুলুম আর অত্যাচার-নির্যাতনকেই ক্ষমতায় টিকে থাকার মানদণ্ড হিসেবে বেছে নিয়েছে৷ না হলে বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বর্তমানে যখন কোন নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচির চালিয়ে যাচ্ছে ঠিক সেসময় ছাত্রদল সভাপতিকে বারবার গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে হয়রানি, গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়৷

ছাত্রদল সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার কোনদিনই রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে ছিল না৷ তাদের রাজনৈতিক শিষ্টাচারহীনতার বহু উদাহরণ এদেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে৷ সেই তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হলো ছাত্রদল সভাপতিকে বিনা কারণে বারবার গ্রেপ্তারে ও হয়রানির অপচেষ্টা।

তিনি বলেন, ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ শুক্রবার দিবাগত রাতে ধানমন্ডিতে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করছিলেন৷ এসময় সাত-আটজন সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের প্যান্টের বেল্ট ধরে টানাহেঁচড়া করে তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। তাদের সাথে দুই গাড়ি পুলিশ ছিল। কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ও তার সাথে থাকা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের ৪৫-৫০ নেতা কর্মীর উপর পুলিশ অশালীন আচরণ ও মারধরের ঘটনা ঘটায়।

সাইফ জুয়েল বলেন, উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতিকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়ে সেখান থেকে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজ ও কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আব্দুর রহমান বাবুকে বেধড়ক মারধর করে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়৷

তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াপল্টন বিএনপি কার্যালয় থেকে বাসায় যাওয়ার পথে গুলশান থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আশরাফুল ইসলাম জাসামকে কাকরাইল মোড় থেকে পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে যায়৷ অনেক খোঁজাখুঁজির পর আজ সকালে রাজধানীর ডিওএইচএস এলাকায় চোখ ও হাত বাধা অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়৷

অবিলম্বে আটক ছাত্রদলের সকল নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানান সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সিনিয়র সহ সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আফসার মোহাম্মদ ইয়াহিয়া উপস্থিত ছিলেন।

;