‘দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য আ.লীগ সরকারের পতন ঘটাতে হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচন কমিশন গঠন আইন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। সুতরাং দেশের চলমান সংকট সমাধানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য এর কোনো বিকল্প নেই।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেডআরএফ।

জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের সভাপতিত্বে ও প্রকৌশলী মাহবুব আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবদুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা নন দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য সকল সেক্টরে অবদান রেখেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তার জন্মবার্ষিকীতে জেডআরএফের আলোচনার জন্য ধন্যবাদ। আমি বলব-দেশের বিশেষ দুটি দিন। একটি ২৫ মার্চ পাক হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের বিরুদ্ধে উই রিভোল্ট বলে দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তৎকালীন সেনাবাহিনীর তরুণ মেজর জিয়াউর রহমান। আজকে অনেকেই জিয়াউর রহমানকে হিংসা করেন। তার নাম মুছে ফেলার জন্য এমন কোনো কাজ নেই তারা করছে না। যারা জিয়াউর রহমানের অবদান স্বীকার করেন না তারা মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করে না। অন্যরা তো তখন ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলো। কেউ ইচ্ছা করলে ইতিহাস মুছে দিতে পারে না।

আরেকটি ঘটনা হলো ৭ নভেম্বর। ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন তারা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ধ্বংস করেছিল। কথা বলার স্বাধীনতা বন্ধ করেছিলো। রক্ষীবাহিনী দিয়ে মানুষ হত্যা করে প্রথম মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিলো। তখন ক্যু আর পাল্টা ক্যু হচ্ছিল। তখন ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লব যে সংঘটিত হলো সেটা হলো ইতিহাসের আরেকটি টার্নিং পয়েন্ট। তখন দেশের ক্ষমতার পাদপ্রদীপে আবির্ভূত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনরুদ্ধার করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি জাতিসত্তার পরিচয় দিয়েছেন। সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। দেশের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনেন। মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির নামে লুটপাট চলছিল।

শহীদ জিয়া দেশের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগ বার বার গণতন্ত্র হত্যা করেছে আর বিএনপি তা বার বার পুনরুদ্ধার করেছে। এগুলো ইতিহাস। চাইলেই মুছে ফেলা যাবে না। তেমনি আজকে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে গিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ কারাবন্দী।

আজকে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সরকার যে আইন করেছে তার জাতির সাথে আরেকটি নাটক। আমরা বলেছি আওয়ামী লীগের অধীনে বিএনপি কখনো কোনো নির্বাচনে যাবে না। কেননা আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন কমিশন সরকারের স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। সুতরাং এসব সংকট সমাধানে আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের কোনো বিকল্প নেই। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

রাগ করে সমাবেশ থেকে চলে যান ইশরাক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাগ করে সমাবেশ থেকে চলে যান ইশরাক

রাগ করে সমাবেশ থেকে চলে যান ইশরাক

  • Font increase
  • Font Decrease

বক্তব্যের সুযোগ না দেওয়ায় রাগ করে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সমাবেশ ছেড়ে চলে গেছেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

সোমবার (২৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ বিএনপি।

সকাল দশটায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে যোগ দিতে প্রেসক্লাবে আসেন ইশরাক হোসেন। বেলা সাড়ে ১১টা পার হলেও বক্তব্যের সুযোগ পাননি ইশরাক। একপর্যায়ে অনেককেই বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া যাচ্ছে না বলে যখন মাইকে ঘোষণা করা হয় তখন ইশরাক ক্ষিপ্ত হয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মঞ্চ ছেড়ে প্রেসক্লাবের ভেতরে চলে যান। এ সময় অনেকে তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

বিষয়টি নিয়ে মঞ্চে আলোচনা হলে কিছুক্ষণ পর বক্তব্য দেওয়ার জন্য ইশরাকের নাম ঘোষণা করা হয়। তখন মঞ্চে না থাকায় ইশরাক এলে তাকে সুযোগ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরই সমর্থকদের নিয়ে প্রেসক্লাব রাস্তার পশ্চিম পাশে চলে যান। সেখানে ৮ থেকে ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকেন। এসময় নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে ছবি তোলেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন। এর কিছু সময় পর সমাবেশ ত্যাগ করেন বিএনপির এই নেতা।

এর আগে সকাল দশটায় বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল তার আগে থেকেই দলটির নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হতে থাকে।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমাবেশের সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি'র আহ্বায়ক আব্দুস সালাম। সঞ্চালনা করছেন ঢাকা উত্তর বিএনপি'র সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম মজনু। সমাবেশে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

;

খালেদা জিয়াকে টুস করে ফেলে দেয়ার প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির সমাবেশ

বিএনপির সমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

'পদ্মা সেতুতে নিয়ে খালেদাকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত’- প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যকে খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকি বলে মনে করছে বিএনপি। এই বক্তব্যের প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে দলটি।

সোমবার (২৩ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ১০টায় এ সমাবেশে শুরু হয়। দুপুর ১টার দিকে সমাবেশ শেষ হয়। এতে ৫ থেকে ৬ হাজার নেতাকর্মীর সামবেশ ঘটে।

এসময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমি নিন্দা ও ধিক্কার জানাই প্রধানমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের জন্য, যিনি খালেদা জিয়াকে টুস করে পদ্মা থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। আজকে সমস্ত দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে ধিক্কার ও নিন্দা জানাচ্ছে। কোনও সভ্য এবং গণতান্ত্রিক সমাজে এই ধরণের ভাষা ব্যবহার করা যায় না।

প্রধানমন্ত্রী কেন এই ধরণের বক্তব্য দিয়েছে প্রশ্ন রেখে বিএনপির মহাসচিব বলেন, তিনি এখন নার্ভাস হয়ে গেছেন। তিনি দেখতে পাচ্ছেন তার ক্ষমতার দিন শেষ। তিনি দেখছেন পাচ্ছেন, সামনে আর ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। তার… টলমল হয়ে গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু করার বড়াই করছেন বলে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, পদ্মা সেতু আপনার একার না, আওয়ামী লীগের পৈত্রিক সম্পতিও না। জনগণের পকেট থেকে যে ট্যাক্স কেটে নিয়েছেন, সেই টাকা দিয়ে করেছেন। এখানে যে দুর্নীতি করেছেন, তা আপনাদের সমস্ত দুর্নীতির সীমা ছাড়িয়ে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণ জানতে চায়, পদ্মা সেতুর জন্য মানুষের কত টাকা কেটে নিয়েছেন। জাতির কত টাকা আপনারা এই পদ্মা সেতুতে ব্যয় করেছেন। আর কত টাকা নিজেদের পকেটে ভরেছেন।

আজকে আওয়ামী লীগ উন্নয়ন-উন্নয়ন করে চিৎকার করছে উল্লেখ করে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিসের উন্নয়ন করেছেন, কার উন্নয়ন করেছেন? উন্নয়ন তো করেছেন পি কে হালদারের। উন্নয়ন করেছেন শিক্ষামন্ত্রীর ভাইয়ের, বেয়াই মোশাররফের ভাইয়ের। আর আপনারা যারা ক্ষমতায় আছেন, তাদের প্রত্যেকের। তারা এই দেশেকে একটা লুটপাটের রাজত্ব তৈরি করেছেন। জনগণের কোনও উন্নয়ন হয় না।

প্রধানমন্ত্রী নিজেকে একটা দুর্গের মধ্যে বন্দী করে রেখেছেন বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনি তো স্বেচ্ছায় নিজেকে-নিজে বন্দী করে রেখেছেন। আপনি তো জনগণকে ভয় পান। জনগণের সামনে আসেন না। জনগণের সামনে আসলে তাদের ভাষা বোঝতে পারতেন। তারা কি বলতে চায় তা বোঝতে পারতেন।

আওয়ামী লীগ দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে বলে দাবি করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, প্রত্যেক দিন অর্থনীতিবিদরা বলছেন- বাংলাদেশের অর্থনীতি রসাতলে যাচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছেন। প্রত্যেক দিন খবরের কাগজ খুললে দেখা যায়, লুটপাট হচ্ছে। আর এর সঙ্গে জড়িত সরকারি দলের লোকেরা।

তিনি আরও বলেন, আপনি খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকি দেন। তিনি হচ্ছেন সেই নেত্রী, যিনি সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। যিনি কোন দিনও নির্বাচনে পরাজয় বরণ করেনি।

খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, তাকে এখন যদি উন্নত চিকিৎসা দেওয়া না হয়, তাহলে তার জীবন হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। আমরা বারবার বলেছি, তাকে মুক্তি দেন। তাই আজকে এখান থেকে দাঁড়িয়ে আহ্বান ও দাবি জানাতে চাই, এখনও সময় আছে তাকে মুক্তি দেন। বিদেশে যাওয়ার সুযোগ দেন। আমাদের ৩৫ লাখ নেতাকর্মীদের যে মামলা আছে, তা তুলে নিন। যারা কারাগারে আছে তাদেরকে মুক্তি দেন।

;

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ‘এটেম্পট টু মার্ডার’: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে ভাষায় বক্তব্য রেখেছেন তার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পদ্মা নদীতে টুস করে ফেলে দেওয়ার যে হুমকি দিয়েছেন তা রীতিমতো ‘এটেম্পট টু মার্ডার‘। এটা স্পষ্টই হত্যার হুমকি। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশের সিনিয়র নাগরিক সম্পর্কে শেখ হাসিনা যে ভাষায় কথা বলেছেন তা গোটা জাতির জন্য লজ্জাজনক। দেশবাসী তার কথায় বিস্মিত।

রোববার (২২ মে) দুপুরে এক বিক্ষোভ মিছিল শুরুর প্রাক্কালে রিজভী এসব কথা বলেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কটূক্তির প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। রাজধানীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের নতুন ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি চানখাঁরপুলের দিকে এগিয়ে যায়। মিছিলকারীরা খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে ‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, দিতে হবে দিয়ে দাও’ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য যাবতীয় ভব্যতা ও শিষ্টাচারকে অতিক্রম করেছে। তার বক্তব্য সরাসরি নারীবিদ্বেষী ও বর্ণবাদী। গণতান্ত্রিক সভ্য দেশে কোনো প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়ে এমন বক্তব্য বের হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতো। তিনি সরাসরি দেশের একজন সম্মানিত ও সাবেক নারী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে দেশের জনগণ একাধিকবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। দেশে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি সামনের সারিতে আছেন। তার সময়ই মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা চালু করা হয়। এ ছাড়া দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি আপোসহীন। অথচ শেখ হাসিনা তাকে নিয়ে শুধু বাজে মন্তব্যই করেননি, খালেদা জিয়াকে নিয়ে রাজনৈতিক বিদ্বেষও ছড়িয়েছেন। আমরা তার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই।

;

শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনা সরকারের অধীনেই জাতীয় নির্বাচন হবে। এটা মেনেই বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির কথায় শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবে না। বিএনপি ব্যর্থ রাজনৈতিক দল। তারা পদত্যাগ করবে।

রোববার (২২ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, চিৎকার করে লাভ নেই। নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতা পরিবর্তনের বিকল্প নেই। বিএনপিকে বাঁকা পথ পরিহার করে সোজা পথে ক্ষমতায় আসার আহ্বান জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির কথায় শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবে না। বিএনপি ব্যর্থ রাজনৈতিক দল। তারা পদত্যাগ করবে। শেখ হাসিনা সরকারের অধীন জাতীয় নির্বাচন হবে। এটা মেনেই নির্বাচনে আসতে হবে বিএনপিকে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডক্টর আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

;