সরকারের সমালোচনা আর রাষ্ট্রদ্রোহিতা এক জিনিস নয়: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারের সমালোচনা আর রাষ্ট্রদ্রোহিতা এক জিনিস নয় বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ যারা বিদেশে আছেন-প্রবাসী, তারা যদি এই সরকারের সমালোচনা করেন তাদের পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাবে। তাদের নাগরিকত্ব থাকবে না। সরকারের সমালোচনা আর রাষ্ট্রদ্রোহিতা তো এক জিনিস নয়। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে এটার আলোচনা হয়েছে। পাসপোর্ট তো একটা ট্রাভেল ডকুমেন্টস এটা বাতিলের মধ্য দিয়ে আপনারা কী বোঝাতে চাচ্ছেন? তাহলে তো আন্তর্জাতিকভাবেই তাদেরকে নাগরিক শূন্য করে দিলেন। তার কোন রাষ্ট্র থাকলো না। রাষ্ট্রহীন একজন নাগরিক হিসেবে বাতাসে বাতাসে ভেসে বেড়ানো ছাড়া তার আর কোন উপায় থাকবে না।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় তাঁতীদলের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের বিরোধীতা করলে দেশে গুম হয়ে যায় মন্তব্য করে রিজভী বলেন, সরকারের সমালোচনা করলে বিচারবহির্ভূত হত্যার স্বীকার হতে হয়। তাই দেশের বাহিরে বসে যারা সরকারের সমালোচনা করছেন, তাদের ধরতে এখন গবেষণায় বসছেন। সেজন্য দেখা যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেউ বক্তব্য দিচ্ছে তার বোনকে ধরে নিয়ে গিয়ে কারাগারে রাখা হচ্ছে। এত জুলুমবাজ, এত ভয়ঙ্কর অত্যাচারী সরকারের দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে আর নেই।

রিজভী বলেন, সরকার বিরোধী দল শূন্য বাংলাদেশ চায়, সরকার বিরোধী মত শূন্য বাংলাদেশ চায়। এখন নাগরিক শূন্য রাষ্ট্র গঠনের চেষ্টায় লিপ্ত এই সরকার।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ৭২ সালের সংবিধানে নির্বাচন কমিশন গঠনে একটি আইন করার নির্দেশনা দেওয়া আছে। অনেকেই বলছে আইন নাই, আইন নাই। সরকার ভাবলো আমরা এটার একটা সুযোগ নেই। আপনি তো আইন করবেন একটি বাকশালী পার্লামেন্টে। পার্লামেন্টে দু'একজন ছাড়া সবই তো আপনার।

তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে বিএনপির তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন ইসলাম খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, তাঁতীদলের সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আওয়ামী লীগ থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিতে হবে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

দুঃসময়ের কর্মীদের কাছে টানার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিয়ে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে হবে।

বুধবার (২৫ মে) সকালে চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা থেকে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পদ্মা সেতু হওয়াতে সারাদেশের মানুষ খুশি। সেতু উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণার পর সবখানে সাজ সাজ রব। বিএনপি নেত্রী বলেছিলেন, পদ্মা সেতু হবে না। তিনি এখনও বেঁচে আছে। আল্লাহ তার হায়াত দান করুক। তিনি নিশ্চয়ই শুনেছেন পদ্মা সেতু হয়ে গেছে। কাজ শেষ। শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। তাই বিএনপি ও তার দোসরদের বুকে বড় জ্বালা। কারণ তাদের কোনও উন্নয়ন নেই। তাদের আছে শুধু হাওয়া ভবন এবং ৫ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কেলেঙ্কারি।

কাদের আরও বলেন, অপেক্ষা করুন, সামনে আসছে তরুণ প্রজন্মের ড্রিম প্রোজেক্ট মেট্রোরেল। চট্টগ্রামেও ফিজিবিলিটি স্টাডি হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার নদীর তলদেশে একমাত্র টানেল। শেষ পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্ণফুলী টানেল। আর কত দেখবেন? নিজেদের তো দেখানো কিছু নেই।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, চট্টগ্রামবাসীর দাবি অনুযায়ী ফ্লাইওভারের কাজ আমরা শুরু করবো। একটা কথা মনে রাখবেন, শেখ হাসিনার এত উন্নয়ন, এত অর্জন ম্লান হয়ে যাবে যদি আচরণ যদি আপনারা মানুষকে খুশি করতে না পারেন। মানুষ যদি খুশি না থাকে তাহলে এত উন্নয়ন কেন করছেন শেখ হাসিনা। সারা বাংলাদেশে শতভাগ বিদ্যুৎ, আলোতে আলোতে আলোকিত। চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সমস্যা মাঝে মাঝে খারাপ খবরের শিরোনাম। মাঝে মাঝে চট্টগ্রাম মহানগরীতে অন্তঃকলহে অনেকের প্রাণের প্রদীপ নিভে গেছে। আর দেখতে চাই না।

এ সময় মহানগরের সম্মেলন করার জন্য নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, দুঃসময়ের কর্মীদের কাছে টানতে হবে। আওয়ামী লীগ থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিতে হবে। বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে হবে।

;

২৬-২৭ মে দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা ছাত্রদলের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ।

ঘোষণায় জানানো হয়, ২৬ মে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং ২৭ মে দেশের সব মহানগর, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় শহরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হবে।

এর আগে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের এক সংবাদ সম্মেলনে হকিস্টিক, লাঠি, ছুরি ও লোহার রড নিয়ে হামলা চালায় ঢাবি ছাত্রলীগ।

এছাড়া দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন ছাত্রদল নেতারা।

এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বিবৃতি দিয়েছে এবং ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সব ছাত্র সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষক সংগঠন সাদা দলও ছাত্রদলের ওপর হামলার নিন্দা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।

;

বৈঠক শেষে ফখরুল বললেন, ‘কার্যকর’আলোচনা হয়েছে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন দলটির সঙ্গে বৈঠক

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন দলটির সঙ্গে বৈঠক

  • Font increase
  • Font Decrease

বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে নাগরিক ঐক্যের সঙ্গে ‘কার্যকর’ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার সঙ্গে দেড় ঘণ্টার বৈঠক শেষে এ কথা জানান।

মঙ্গলবার (২৪ মে) বিকালে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন দলটির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা একটা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য এই আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছি। উদ্দেশ্য একটাই- এটাকে একটা যৌক্তিক পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়া। আমাদের আজকে এই আলোচনা অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে কার্যকরী আলোচনা হয়েছে।’

ফখরুল বলেন, আমরা আশা করছি, এই আলোচনার রেশ ধরে বাকি দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনা ফলপ্রসূ হবে। আমরা অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গেও কথা বলব। অতিদ্রুত আলাপ-আলোচনা তাদের সঙ্গে শেষ করে আমরা আশা করছি যে, আমরা একটা যৌথভাবে আন্দোলনের সূচনা করতে পারব এবং আমরা আশা করি, খুব শিগগিরই আমরা এই কাজটা করতে পারব।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই বৈঠক আনুষ্ঠানিক হলেও অনানুষ্ঠানিক পর্যায়ে আমাদের সঙ্গে বিএনপির কথা হয়েছে। আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য যেসব কাজ করা দরকার সবগুলো না হলেও মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে আজকের সভায় আমরা আলোচনা করেছি। এই মৌলিক বিষয়গুলোর একটা হচ্ছে এই সরকারের অধীনে একটা সুষ্ঠু, ভালো, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না। এটা এদেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক দল বলেছে। এরই ভিত্তিতে এই সরকার চলে যাওয়ার পরে পরবর্তী নির্বাচন ও সরকার প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত যারা দায়িত্বে থাকবেন তাকে যে নামে ডাকি আমরা- একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করবেন এই দাবির ভিত্তিতে আমরা বিজয় পর্যন্ত লড়াই করব এই চিন্তায় কাজ করছিলাম। আজকে বৈঠকের প্রথমে আমরা সেই কথার পুনর্ব্যক্ত করেছি।

কী আলোচনা হয়েছে- তার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কথা বলেছি তার প্রধান বিষয় হচ্ছে- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার। তার প্রধান বিষয় হচ্ছে, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন সময়ে একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার। আমরা আলোচনা করেছি নিরপেক্ষ সরকার গঠনের পর নির্বাচন কমিশন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলগুলোকে নিয়ে একটি মতামতের ভিত্তিতে একটা সরকার গঠন করা- যেটা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেছেন যে, একটা জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। এগুলো আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল।

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের রূপরেখা প্রণয়নে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির সংলাপ শুরুর প্রথম দিনে বিকালে বিএনপি মহাসচিব তোপখানা রোডে নাগরিক ঐক্যের কার্যালয়ে যান। কার্যালয়ের পাশে শিশু কল্যাণ পরিষদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে নাগরিক ঐক্যের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিএনপি মহাসচিব।

বিকাল ৫টা থেকে দেড় ঘণ্টা এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার সঙ্গে ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম ও নির্বাহী কমিটির সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন।

নাগরিক ঐক্যের নেতৃত্ব দেন দলটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নান। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলটির উপদেষ্টা এসএম আকরাম, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, জিল্লুর চৌধুরী দিপু, জাহেদ উর রহমান প্রমুখ।

;

‘ভূমি সমস্যার নিরসন হলেই পাহাড়ে সব সমস্যার সমাধান হবে’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য প্রদানকালে ওবায়দুল কাদের

রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য প্রদানকালে ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

পার্বত্য শান্তি চুক্তির প্রতিটি শব্দ শেখ হাসিনার সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, আমি নেত্রীর পক্ষ থেকে বলতে চাই শান্তি চুক্তির প্রতিটি ওয়াদা পূরণ করবে শেখ হাসিনার সরকার। ভূমির জটিলতা ছাড়া আর সবকিছুই শেখ হাসিনার সরকার পাহাড়ে করেছে। কি নেই আজ রাঙামাটিতে, সবই আছে। ভূমি সমস্যার সমাধান হলেই পাহাড়ে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আমরা কাজ করে যাচ্ছি, আমাদের উপর, শেখ হাসিনার উপর আস্থা রাখুন। হানাহানি-মারামারি, রক্তপাত এই পাহাড়ে আর চাই না।

মঙ্গলবার রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়াল বক্তব্যপ্রদানকালে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি দলীয় অর্ন্তকোন্দল নিয়ে বলেন, আগামী বছর নির্বাচন। অর্ন্তকলহ থেকে আপনারা নিজেদের বিরত রাখুন। নিজেদের কলহ আপন ঘরে যার শক্র, তার শত্রুতা করার জন্য বাইরের শত্রুর দরকার নেই। দুঃসময়ের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করুন, যারা এক সময় একই সাথে পার্টি করেছে। ঘরের কহল নিজেরা বসে সমাধান করুন, আলাপ আলোচনা করুন।

তিনি বলেন, পাহাড়ে আপনারা অনেক ঝুঁকি নিয়ে আওয়ামী লীগকে গড়ে তুলেছেন। জীবনের অনেক ঝুঁকি নিয়ে আপনারদের আজ এ পর্যন্ত আসতে হয়েছে। এখনো ঝুঁকি আছে। এখনো সংঘাতে রক্তপাত মাঝে মাঝে আমরা দেখতে পাই। এই রক্তপাত বন্ধ করতে হবে। পাহাড়ি-বাঙালি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের পার্টিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় ধরে রাখতে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে সেতুমন্ত্রী বলেন, মানুষের হাসি দেখলে বিএনপি নেতাদের মুখে কালো মেঘের ছায়া পড়ে। পদ্মা সেতুসহ দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন-অর্জনে মানুষ যখন আনন্দিত, তখন বিএনপি নেতাদের বুকে ব্যথা সৃষ্টি হয়। মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা তখন বিষ-জ্বালায় দিশেহারা হয়ে পড়েন।

রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদারের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ওয়াসিকা আয়েশা খান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মুছা মাতব্বর, রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী প্রমুখ।

;