‘দেশের মানুষ যেন নরকের আগুনে জ্বলছে’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, দেশের মানুষ যেন নরকের আগুনে জ্বলছে। যারা বোকার স্বর্গে বাস করেন তারা হয়তো মনে করেন আমরা খুবই ভালো আছি।

সোমবার (২১মার্চ) জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে গাজীপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দুর্নীতি, দুঃশাসন, বৈষম্য আর লুটপাটের কারণে দেশের মানুষ নরকের আগুনে পুড়ছে। মাঝে মাঝে ক্রিকেট ও ফুটবলে বিজয়ের দু-একটা সুখবরে যেনো ঠান্ডা বাতাসে বইয়ে যায়। আসলে দেশের ৯৯ ভাগ মানুষই ভালো নেই। শতকরা ১ ভাগ মানুষ যারা দেশের বাইরে আসা-যাওয়া করেন, তারা বুঝতে পেরে বিদেশকে স্বর্গ ভেবে দেশ থেকে টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করছেন।

জিএম কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি কোন দলের বি-টিম নয়। জাতীয় পার্টি কোন দলের দালালি করে না। জাতীয় পার্টি কারো জোটে নেই। আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বেই জোট গঠন হবে। কেউ জাতীয় পার্টির ভেতরে থেকে অন্য দলের দালালি করতে চাইলে তার স্থান জাতীয় পার্টিতে হবে না। ১৯৯১ সালের পর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বারবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে দেশের গণতন্ত্র হত্যা করেছে। তারা সংসদীয় গণতন্ত্রের নামে সংবিধান কাটাকাটি করে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে। ১৯৯১ সালের পর থেকে সংসদীয় গণতন্ত্রের নামে দেশে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। ১৯৯১ সালের আগে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে একটা ভারসাম্য ছিলো। এখন সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার নামে এক ব্যক্তির হাতে সকল ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তাই জবাবদিহিতা নেই কোথাও। দেশে আইনের শাসনে ঘাটতি আছে ও সুশাসন নেই। যারা সরকারি দল করে তাদের জন্য এক ধরনের আইন আর যারা বিরোধী দল করে তাদের জন্য ভিন্ন আইন। আর সাধারণ মানুষের জন্য আইন যেন আরও আলাদা। আওয়ামী লীগ ১ বার দেশকে দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করেছে আর বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে ৫ বার দেশকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করেছে।

তিনি বলেন, প্রতিদিন দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণ যাচ্ছে যেন কারো কিছুই করার নেই। লঞ্চ দুর্ঘটনায় শত শত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, ট্রেনে কাটা পড়ে মানুষ মারা যাচ্ছে আবার সড়কে প্রতিদিন কত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে তার কোন হিসাব নেই। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নেই, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নেই, সামাজিক নিরাপত্তা নেই। নাবালক শিশু কৌতুক করলেও তার সাজা হয় আবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোন কর্মকর্তা অবস্থান নিলে তার চাকরি চলে যায়। দেশে দুষ্টের লালন আর শিষ্টের দমন চলছে। ১৯৯১ সালের পর থেকে নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। দেশে সঠিকভাবে নির্বাচন হচ্ছে না। কালো টাকা আর পেশি শক্তির কারণে আদর্শবান মানুষ নির্বাচন করতে চাচ্ছে না। দেশে অসহিষ্ণু রাজনীতি শুরু করেছে বিএনপি। বিএনপি এখন নেতৃত্ব শূন্যতায় অধঃপতনের পথে। আর আওয়ামী লীগ প্রশাসন দিয়ে দেশ চালাচ্ছে। প্রশাসন দিয়ে দেশ চালানোর কারণে দেশের মানুষ সেবার পরিবর্তে শাসনের মুখে। স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিলো বৈষম্যহীনতা। তখন পশ্চিম পাকিস্তানিরা আমাদের সাথে বৈষম্য করতো। আমাদের দেশের টাকা পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করতো। এখন আমাদের দেশের মানুষের সাথে বৈষম্য করে ক্ষমতাসীনরা। এখন আমাদের দেশের হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। তিনি বলেন, দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশে সুশাসন দিতে পারেনি আর পারবেও না। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে গুণগত কোন পার্থক্য নেই। দেশের মানুষ বাঁচার জন্য বিকল্প শক্তি খুজছে, দেশের মানুষ জাতীয় পার্টির প্রতি আস্থা রাখতে চায়।

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, বিএনপি আবারও হাওয়া ভবন সৃষ্টির স্বপ্ন দেখছে। অসুস্থ পল্লীবন্ধুকে জেলখানা থেকে পিজি হাসপাতালে নিতে বারবার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু তখন বিএনপি সরকার পল্লী বন্ধুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেননি। বিএনপি চেয়েছিলো
এরশাদ যেন জেলখানাতেই মারা যান। কিন্তু আল্লাহর বিচার এখন দেশের মানুষ দেখতে পাচ্ছে। আবার আওয়ামী লীগ মনে করছে নৌকা পেলে এমপি, মন্ত্রী ও চেয়ারম্যান হওয়া যায়। তারা আজীবন ক্ষমতায় থাকতে স্বপ্ন দেখছে। দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে দেশে চাল, ডালসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলছে। দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। যে সরকার টঙ্গী থেকে গাজীপুর পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করতে পারে না, তাদের মুখে উন্নয়নের কথা শোভা পায় না। মানুষ টাকা দিয়ে টিকেট কিনে বাসে চড়তে পারে না। দেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে চায় না। দেশের মানুষকে মুক্তি দিতেই জাতীয় পার্টির রাজনীতি।

এসময় বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আলমগীর সিকদার লোটন, ভাইস চেয়ারম্যান মো. আরিফুর রহমান খান, গাজীপুর নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আল আমিন সরকার, মনিরুজ্জামান খান, রাহেলা পারভীন শিশির, এসএম কিবরিয়া, চিশতী আলমগীর, মাহাবুর রহমান মৃধা, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

জাপা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ, আহত ৫



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জাতীয় পার্টি

জাতীয় পার্টি

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের (কাকরাইল) পাশে একটি রেস্টুরেন্টের সামনে মোটরবাইক রাখাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জাতীয় পার্টির ৫জন কর্মী আহত হয়েছে পার্টির যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন।

রোববার (৩ জুলাই) রাত ৭টার দিকে ওই ঘটনার বিষয়ে রমনা মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে জাপার পক্ষ থেকে।

মাহমুদ আলম আরও জানিয়েছেন, পাশের ভবনের রয়েছে একটি রেস্টুরেন্ট, তার সামনে বাইক রাখাকে নিয়ে কথাকাটি হয়।এরপর তারা বিনা উস্কানিতে আমাদের কর্মীদের উপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। এতে আমাদের ৫ জন আহত হয়, যারা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে আমাদের লোকজন সংগঠিত হলে রেস্টুরেন্ট মালিকের লোকজন পালিয়ে যায়।

ওই ঘটনায় জাপার যুগ্ম যুববিষয়ক সম্পাদক দ্বীন ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ২ জনের নাম উল্লেখসহ ১২ জনকে আসামী করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সন্ধ্যা সাতটার দিকে জাতীয় পার্টির কাকরাইল অফিসে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কার্যালয়ে কর্মীসভা চলছিল। দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপিসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মীসভায় যোগ দিতে জাপার এক নেতা কাকরাইলের দলীয় কার্যালয়ের পাশে মজার হাড়ি রেস্তোরার সামনে মটর বাইক পার্কিং করলে হোটেলের দারোয়ান বাধা দেয়। এ নিয়ে বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে দ্বীন ইসলামসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী গাড়ি সরিয়ে বিষয়টি সেখানেই মিমাংসা করার চেষ্টা করেন। 

এ সময় দোকানের মালিকের ভাই মানুসহ দোকান কর্মচারীরা এসে জাপা নেতাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এতে উপস্থিত নেতাকর্মীরা মারমুখি হয়ে উঠেন। বিষয়টি নিয়ে দোকান কর্মচারীদের সঙ্গে জাপা নেতাকর্মীদের হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে মারামারি লেগে যায়। দোকানের কর্মচারীরা হোটেল থেকে লাকড়ি, গাছের টুকরো এনে জাপা নেতাকর্মীদের উপর হামলা করে। জাপা নেতাকর্মীরাও চেয়ার ছুড়ে মারে। প্রায় আধঘন্টা সংঘর্ষ চলাকালে দোকান কর্মচারীদের হামলায় আহত হন জাপার লালবাগ থানার সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেনসহ ৫ জন। এসময় দোকান কর্মচারীরা দলের মহাসচিবের গাড়ি ভাঙ্গচুর করে। 

পরে থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় পুলিশের সামনে ঘটনার বিচার চেয়ে জাপা নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।

;

গণতন্ত্র ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত মানুষের মুক্তি আসবে না: ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত এদেশের মানুষের মুক্তি আসবে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানা বিএনপি’র নেতা ও কলমা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক তুহিন খন্দকার, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজিব খান এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি অহিদুল ইসলামসহ ১৯ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এই বিবৃতি দেন বিএনপি মহাসচিব।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'জনগণের ঘাড়ে জোর করে চেপে বসা বর্তমান অবৈধ শাসকগোষ্ঠী সারাদেশে বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়েরের মনুষ্যত্বহীন যে সংস্কৃতি জোরদার করেছে তাতে এটি নিশ্চিত করে বলা যায়-আওয়ামী লীগ দেশের প্রভু হয়ে থাকতে চায়। সরকার দেশকে বিএনপিশূণ্য করতে বেপরোয়া অমানবিকতায় মেতে উঠেছে।'

তিনি বলেন, জনকল্যাণ নয় বরং দাম্ভিকতা ও মিথ্যার বেসাতি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি বিএনপি’র সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা দায়েরের মাধ্যমে দেশটাকে এখন নরকে পরিণত করেছে সরকার। এধরণের অপকর্মের উদ্দেশ্যই হচ্ছে-সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসন, দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে কেউ যেন প্রতিবাদী হতে সাহস না পায়।

এই অবৈধ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত এদেশের মানুষের মুক্তি আসবে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হবে না বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

আমি অবিলম্বে উল্লিখিত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বানোয়াট মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান তিনি।

;

বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম এক ধরনের ত্রাণ বিলাস: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম এক ধরনের ত্রাণ বিলাস বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (৩ জুলাই) দলের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ফেনীর সোনাগাজিতে বিএনপি নেতারা ত্রাণ বিতরণের নামে নাটক করেছে। তারা ফেনী থেকে ফেরত এসে সংবাদ সম্মেলন করেছে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সাহস থাকলে নিশ্চয়ই তারা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতো। তারা সাহায্য প্রদানের চেয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে অধিক মনোযোগী।

যতদিন পর্যন্ত বিএনপি অপরাজনীতি ছেড়ে জনকল্যাণে মনোনিবেশ না করবে ততদিন পর্যন্ত তাদের সকল অপকৌশল জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে দলের রাজনৈতিক শক্তি ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু তাদের কাল্পনিক অভিযোগ দিন দিন বাড়বে— এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি নেতারা বানভাসি মানুষের সাথে লোক দেখানো ফটোসেশন করছে। তাদের এক চিমটি সাহায্য মানুষের ভোগান্তির সাথে নির্মম পরিহাস ছাড়া কিছু নয়। সাহায্যের নামে বিএনপির লোক দেখানো ত্রাণ থেকে মানুষ পরিত্রাণ চায়।

তিনি বলেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জনমানুষের পাশে রয়েছে। অতীতেও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। আর যারা রাজনীতিকে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের হাতিয়ার মনে করে, যাদের জন্মই হয়েছিল স্বৈরতন্ত্রকে দীর্ঘস্থায়ী করে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার জন্য তারা জনগণের দুর্দশা নিয়েও অপরাজনীতি করে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা হাস্যকর অভিযোগ করেছেন যে, আওয়ামী লীগ নাকি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনৈতিক দল! অথচ দেশের মানুষ ভাল করেই জানে, কোন দল সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক, কাদের রাজনৈতিক দর্শনে সন্ত্রাসনির্ভরতা রয়েছে। এদেশের রাজনীতিতে সন্ত্রাসের জন্মদাতা, লালনকর্তা বিএনপি। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের নির্মম-নিষ্ঠুরতম হত্যাকাণ্ডের বেনিফিশিয়ারি বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে। তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রত্যক্ষ মদদ ও পৃষ্ঠপোষকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট নৃশংস গ্রেনেড হামলা সংঘটিত হয়েছিল। এদেশে আগুন সন্ত্রাস আর জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারার ভয়াবহ অপসংস্কৃতিও তারা চালিয়ে যাচ্ছে। যারা জনবিচ্ছিন্ন, যাদের পায়ের তলায় মাটি নেই, যারা অপরাজনীতির কারণে জনপ্রত্যাখ্যাত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডই তাদের রাজনৈতিক হাতিয়ার। এই সন্ত্রাসের বিপরীতে দাঁড়িয়ে গণআকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে জনকল্যাণের রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ।

অন্যদিকে গণভিত্তির মধ্য দিয়ে কিংবা জনগণের সংগঠিত প্রয়াস হিসেবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা হয়নি- এক নিষ্ঠুর স্বৈরশাসকের বন্দুকের নলের মুখে জনগণকে জিম্মি করে বিএনপির সৃষ্টি হয়েছিল। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিএনপি একটি সন্ত্রাসনির্ভর ও ষড়যন্ত্রমুখী রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগন্ত্রে কাছে চিহ্নিত। শুধু দেশেই নয়, কানাডার আদালত বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শুধু সন্ত্রাসনির্ভরতাই নয়, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিবিরোধী অপশক্তি হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে বিএনপি। তাদের বোঝা উচিত, কথামালার বৃষ্টিতে এদেশের জনগণের মন ভেজে না। জনগণ মুখোশের অন্তরালে থাকা তাদের প্রকৃত চেহারা চেনে ও জানে।

;

আ.লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মুকুল বোস মারা গেছেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আ.লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মুকুল বোস মারা গেছেন

আ.লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মুকুল বোস মারা গেছেন

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য মুকুল বোস মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)।

শনিবার (২ জুলাই) চেন্নাই এপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সোয়া পাঁচটায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মুকুল বোস বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে মুকুল বোসের বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, এক পুত্র এক কন্যা রেখে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও  আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল বোসের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের সবশেষ কাউন্সিলের পর ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি মুকুল বোসকে দলটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য করা হয়।

;