হাসপাতালের পথে খালেদা জিয়া



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ফের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। তার সঙ্গে আছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বুধবার (৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে গুলশান বাসভবন ফিরোজা থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশ্য রওনা হন খালেদা জিয়া।

মঙ্গলবার (০৫ এপ্রিল) চিকিৎসকদের একটি টিম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সবশেষ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে বাসায় আসেন। পর্যবেক্ষণ শেষে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথমে খালেদা জিয়া রাজি না হলেও চিকিৎসক টিম তাকে হাসপাতালে নেওয়ার কারণ বোঝাতে সক্ষম হয়।

জানা জানায়, শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকরা রোজা রাখতে বারণ করলেও তিনি রোজা রাখার চেষ্টা করেন। এতে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এর আগে, ৮১ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর গত ১ ফেব্রুয়ারি বাসায় ফিরেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানো হয়। করোনার কারণে ২০২০ বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্ত সাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এখন পর্যন্ত পাঁচ বার খালেদা জিয়ার মুক্তির সময় বাড়ানো হয়েছে।

দেশের জনগণ পরিবর্তন চায়: মোশাররফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশের জনগণ চায় পরিবর্তন। জনগণ চায় এই সরকার অতি দ্রুত তার পদ থেকে পদত্যাগ করুক বা আমরা তাদের সরিয়ে দেই। সেটা করতে হলে আমাদের সকলকে অবশ্যই রাস্তায় নামতে হবে। এদেশের মানুষ আর এই সরকারকে দেখতে চায় না।

বুধবার (০৬ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ২০১১ সালের ৬ জুলাই সংসদ ভবনের সামনে তৎকালীন বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুকসহ বিএনপির জনপ্রতিনিধিদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মোশররফ বলেন, এখানে একজন বলেছেন -আমরা আন্দোলন করলেও সরকার যাবে, না করলেও যাবে। যদি ঘটনা সেইটায় হয় তাহলে জাতি আরেকটা অন্ধকারে প্রবেশ করবে। আর রাস্তায় নেমে আমরা যদি এদেরকে বাধ্য করতে পারি। তাহলে জনতার কাছে ক্ষমতা আসবে। সরকারের শেষ প্রচেষ্টা হিসাবে আমাদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে।

তিনি বলেন, আমরা এদেশে গণতন্ত্র পূর্ণ উদ্ধার করতে চাই। আমরা এদেশে অতিদ্রুত সরকারকে হটাতে চাই। এদেশের জনগণ একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। যে নির্বাচনে সরকার নিজের হাতে নিজের ভোট দিতে পারবে। ইভিএম মেশিনে নয়। আর এর মাধ্যমে জনগণের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয়তাবাদী নবীন দলের সভাপতি হুমায়ূন আহমেদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল রানা প্রমুখ।

;

জনগণের মতপ্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জনগণের মতপ্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাই নির্বাচনী ব্যবস্থাকে অধিকতর গণতান্ত্রিক ও আধুনিক করার লক্ষ্যে কাজ করছে বর্তমান সরকার।

বুধবার (০৬ জুলাই) তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের আস্থা কতটুকু- নির্বাচন দিয়ে দেখতে বলেছন বিএনপি মহাসচিব, এই প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে আসুন,যথাসময়ে নির্বাচন হবে সংবিধানসম্মত ভাবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনেই প্রমাণ হবে - জনগণ কি ইতিবাচক রাজনীতির দিকে, নাকি নেতিবাচক রাজনীতির দিকে।

বাংলাদেশের জনগণ কি উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিবে,নাকি লুটপাটের পক্ষে রায় দিবে, এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের "মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের" উদ্দেশে বলেন দেশে যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, মানুষ কি উন্নয়ন আর অর্জনকে ভোট দেবে - নাকি দুর্নীতিকে ভোট দেবে?

সারাক্ষণ নির্বাচন আতঙ্কে ভুগতে থাকা বিএনপি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়েই আগে ভাগে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একথা সেকথা বলছেন বলে মত প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের।

নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ হলে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ নাকি দৃশ্যমান হবে, - মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের নিরপেক্ষতার কথা প্রসঙ্গে বলেন আপনাদের দৃষ্টিতে নিরপেক্ষতার মানদন্ড কী? তার প্রমাণ আপনারা ক্ষমতাসীন হয়ে বারবার দেখিয়েছেন।

বিএনপি নেত্রী এক সময় বলেছিলেন " দেশে শিশু আর পাগল ছাড়া কেউই নিরপেক্ষ নয়",দেশবাসী জানে যতক্ষণ বিএনপির ক্ষমতা দখলের পথ নিরাপদ না হবে,নির্বাচনে জেতার গ্যারান্টি না পাবে - ততদিন তাদের নিরপেক্ষতার মানদন্ড নিশ্চিত হবে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন বিএনপি যে কোন উপায়ে নির্বাচনে জয়ের নিশ্চয়তা এবং পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারার মানসিকতাই এখন সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রধান অন্তরায়।

জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতা দখলের রাজনীতি এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন ক্ষমতার প্রশ্নে তাদের কাছে স্বৈরতন্ত্র ও গণতন্ত্র সবই সমান।

তিনি বলেন ষড়যন্ত্রের মন্ত্র ও ক্ষমতার তন্ত্রে বিভোর বিএনপির এ দেশের গণতন্ত্র, জনমত,নির্বাচন এবং রাজনীতির অর্থবহ ও কল্যাণকর কোন পন্থাতে আস্থা ছিলো না,এখনও নেই।

আওয়ামী লীগ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুপ্রাণিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রকাশিত জনগণের মতামতের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শ্রদ্ধাশীল জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন জনগণই আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস।

তিনি বলেন এদেশে এ যাবৎ নির্বাচন ব্যবস্থা যতটুকু উন্নতি হয়েছে বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা পর্যন্ত আওয়ামী সরকারই এ উন্নতি করেছে

ওবায়দুল কাদের বলেন গনতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করেনি শেখ হাসিনা সরকার বরং অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করেছে।

দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই বিএনপি নেতারা রাতদিন সরকারের অন্ধ সমালোচনা করছেন, মিডিয়ায় ঝড় তুলছেন, সংসদে আনুপাতিক হারের চেয়ে বেশি সময় পাচ্ছেন,বক্তব্য দিচ্ছেন পার্লামেন্টে, পার্লামেন্টের বাইরে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন বিএনপি থেকে গণতন্ত্র শিখতে চাি না,বিএনপির গনতন্ত্রের মূলে রয়েছে জনগণের অধিকার হরণ,ভোটারবিহীন নির্বাচন, হ্যা- না ভোট,সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার,আগুন সন্ত্রাস আর দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর শেখ হাসিনা সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় বিএনপি নেতাদের বুকে বিষজ্বালা বেড়েই চলছে, আর এ থেকেই হতাশায় ভুগতে থাকা বিএনপি নেতারা আবোলতাবোল বলছেন।

;

আট দিনের মাথায় ফের ব্যাংকক গেলেন রওশন এরশাদ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আট দিন দেশে অবস্থানের পর মেডিকেল চেকআপের জন্য ফের থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে ব্যাংককের পথে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যান তিনি।

তার সঙ্গে রয়েছেন রংপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য পুত্র রাহ্গির আল মাহী সাদ এরশাদ ও পুত্রবধূ মহিমা সাদ।

দুপুরে রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে তাকে বিদায় জানান সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, সাবেক এমপি সালাউদ্দিন মুক্তি, পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা রানী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু, এমএ সাত্তার, মঞ্জুরুল হক সাচ্চা, সিলেট জেলা ছাত্র সমাজের সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান ডালিম, সিলেট মহানগর জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি শিউল আক্তার ও হাফসা আক্তার প্রমুখ।

উল্লেখ্য গেলো ২৭ জুন দেশে ফিরে হোটেল ওয়েস্টিনে অবস্থান করেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ।

;

আন্দোলনের নামে বিএনপি নেতারা ভাষণ শিল্পের বিকাশেই ব্যস্ত: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি শেষ কবে আন্দোলন করেছে তা আওয়ামী লীগের মনে নেই বলে মন্তব্য করে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতারা আন্দোলনের নামে শুধু ভাষণ শিল্পের বিকাশেই ব্যস্ত।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিন জেলার ১০ উপজেলায় ত্রাণ বিতরণে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি ত্রাণের নামে বন্যার্তদের মুড়ি কলা বিতরণ করে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বন্যা দুর্যোগে বিএনপি মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে শুধু ভাষণ দেয়। ত্রাণের নামে বন্যার্তদের মুড়ি কলা বিতরণ করে। তাদের কার্যক্রম ফটোসেশন ছাড়া আর কিছুই নয়।

;