২০ বছর পর সম্মেলন, পদ পেতে দুই ডজন নেতার দৌড়ঝাঁপ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামীকাল ১১মে লক্ষ্মীপুর সদর থানা ও পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নামে ত্রি-বার্ষিক হলেও প্রকৃতপক্ষে প্রায় ২০ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এসব সম্মেলন। সম্মেলনে আওয়ামী লীগের উক্ত দুই ইউনিটের পরবর্তী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এই দুই কমিটির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক পদে কমপক্ষে দুই ডজন নেতার নাম বিভিন্নভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে।
লক্ষ্মীপুর সদর থানা ও পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে এসব সভাপতি ও সম্পাদক পদ প্রত্যাশীরা ইতিমধ্যে দলীয় লবিং-গ্রুপিং সহ নির্ধারিত কাউন্সিলরদের সাথে সংযোগে ব্যাস্ত সময় পার করছেন। দিন রাত পৌর এলাকার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও ইউনিয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করে চলছেন তারা।

তবে দুইটি সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে যে কাউন্সিলর তালিকা তৈরী করা হয়েছে তা নিয়ে তৃনমূল নেতা-কর্মীদের মাঝে বিতর্ক ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। নেতারা নিজেদের ইচ্ছামত মনগড়াভাবে বিতর্কিতদের সমন্বয়ে কাউন্সিলর তালিকা করেছেন বলে অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে।
ফলে ২০ বছর পর অনুষ্ঠিতব্য এসব সম্মেলন নিয়ে দলীয়দের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনার পাশাপাশি চরম রাগ-ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা যায়।

এসব সম্মেলনে বিভিন্ন পদে প্রত্যাশী প্রার্থীরা কাউন্সিলর ছাড়াও জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথেও সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করছেন। সম্মেলনে বেশ কয়েকজন সাবেক ছাত্রনেতা প্রার্থী হয়েছেন।

এদিকে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত পদপ্রত্যাশীরা। তাদের সমর্থনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ ব্যানার ফেষ্টুনে চেয়ে গেছে লক্ষ্মীপুর শহর।

লক্ষ্মীপুর সদর থানা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- মহিউদ্দিন বকুল,হুমায়ূন কবির পাটওয়ারী,হেদায়েত হোসেন। এছাড়া সাধারন সম্পাদক পদে মীর শাহ আলম,আলমগীর হোসেন,বোরহান চৌধুরী,সৈয়দ সাইফুল হাসান পলাশ,মিজানুর রহমান পাটওয়ারী ও মনিরুজ্জামান পাটওয়ারীর নাম শোনা যাচ্ছে।

এদের মধ্যে সভাপতি প্রার্থী মহিউদ্দিন বকুল লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও সদর উপজেলার সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। দলীয় রাজনীতিতে তার দীর্ঘ ত্যাগ ও শ্রম রয়েছে।

একইপদে আরেক প্রার্থী হুমায়ুন কবির পাটওয়ারী সদর থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক। তিনি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও উপজেলার চররুহিতা ইউপির আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন তার নিকটতম আত্মীয়। এ সুবাদে দলীয় বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড নেতা-কর্মীদের সাথে তার বিশেষ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এ পদে আরেক প্রার্থী হেদায়েত হোসেন। তিনি ছাত্রজীবনে লক্ষ্মীপুরের কফিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজে ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। পরে যুবলীগের একটি ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ছিলেন বলেও জানা যায়। চাকরির সুবাদে দীর্ঘ সময় তিনি স্থানীয় রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ হয়নি। তবে এ সময়ে তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত নেতা হিসেবে বাংলাদেশ সরকারী কর্মচারী কল্যাণ পরিষদে বিভিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ওই পরিষদের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের নেতা হিসেবে তিনি আওয়ামী লীগ সরকার এর বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড সহ নানান ইভেন্টে সম্পৃক্ত রয়েছেন। এছাড়া এলাকার নেতা-কর্মীদের সাথে তিনি ব্যাক্তি উদ্যোগে বিভিন্নভাবে যোগাযোগে নিয়মিত ছিলেন বলে জানা যায়। দলীয় রাজনীতির বিভিন্ন আয়োজন সহ সামাজিক অসংখ্য কাজে তার দান অনুদান এর খবরও জানা যায়। সদর থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে তিনি নিজের প্রার্থীতা ঘোষণার পর ইউনিয়ন পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের সাথে দীর্ঘদিন থেকে সংযোগ করে চলছেন।

সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী মীর শাহ আলম ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ধারাবাহিকভাবে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালন করেন। তিনি উপজেলার দক্ষিন হামছাদি ইউপির আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান।

অপর প্রার্থী সৈয়দ সাইফুল হাসান পলাশ লক্ষ্মীপুর সরকারী কলেজ ছাত্রলীগ ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা। তিনি জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি। রাজনীতিতে তার দীর্ঘ সময়ের নিষ্ঠা, শ্রম ও ত্যাগ রয়েছে। রাজনৈতিক কারনে তিনি ও তার পরিবার বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। জেলাজুড়ে তার ব্যাক্তিগত অসংখ্য কর্মী-সমর্থক রয়েছে।

একই পদে প্রার্থী বোরহান উদ্দিন চৌধুরী শুরুতে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগে যোগদান করে বিভিন্নভাবে দলীয় দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সময়ের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

চররমনীমোহন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আলমগীর হোসেন। তিনিও এ পদে প্রার্থী। তিনি জেলা যুবলীগ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগে দায়িত্বে থেকে সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়া জেলা পরিষদের সাবেক কাউন্সিলর তিনি।

আরেক প্রার্থী মনিরুজ্জামান পাটওয়ারী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি বরাবরই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।

এছাড়া মিজানুর রহমান পাটওয়ারী সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক। তিনি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে দলীয় কর্মকান্ডে ভূমিকা রেখে আসছেন।

একইদিন একই স্থানে পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি পদে যারা আলোচনায় রয়েছেন তাদের মধ্যে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ আহম্মদ পাটোয়ারী, জাকির হোসেন ভুইয়া আজাদ, এডভোকেট মাহাবুবুর রহমান রাসেল, জসিম উদ্দিন মাহামুদ, এডভোকেট মাহাফুজুর রহমান সোহেল ও এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপুর নাম শোনা যাচ্ছে।

সাধারন সম্পাদক পদে এডভোকেট জহির উদ্দিন বাবর, আরিফ হোসেন মিঠু, আবুল খায়ের স্বপন ও রাইমা বেগম এর নাম রয়েছে।

আরও অনেকেই রয়েছেন যারা সরাসরি আলোচনায় না আসলেও সম্মেলনের দিন প্রার্থীতা ঘোষণা দিতে পারেন।

পৌর কমিটির সভাপতি পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে বর্তমান পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী। দীর্ঘদিন ধরে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি জেলা যুবলীগের আহ্বায়কের দায়িত্বও পালেন করেছেন। কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে ইসমাইল হোসেন চৌধুরীকে পুনরায় সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত করার জন্য সমর্থকদের অনেকেই দোয়া ও সহযোগীতা চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

পৌর আওয়ামী লীগের আরেক সভাপতি প্রার্থী সৈয়দ আহম্মদ পাটোয়ারী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক। যুবলীগের দায়িত্ব ছাড়ার পর দীর্ঘদিন পদপদবী ছাড়াই আন্দোলন-সংগ্রাম, দলীয় কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতি শুরু করেন কলেজ জীবন থেকে। তিনি লক্ষ্মীপুর সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তৎকালে ছাত্রলীগের প্যানেলে জিএস প্রার্থী ছিলেন। পরে সদর উপজেলা ছাত্রলীগ, জেলা ছাত্রলীগ, ও জেলা যুবলীগের দায়িত্ব পালন করেন।

অপর সভাপতি প্রার্থী জাকির হোসেন ভুইয়া আজাদ জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারন সম্পাদক এড. নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়নসহ আশির দশকে জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্বে ছিলেন। পরে কর্ম জীবনে ব্যস্ত হয়ে পড়লেও আওয়ামী রাজনীতির সাথে সবসময় সম্পৃক্ত ছিলেন। সমাজে তিনি রাজনীতিক ও সামাজিক ব্যাক্তি হিসাবে বেশ পরিচিত।

আরেক প্রার্থী এডভোকেট মাহাবুবুর রহমান রাসেল সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক।

সভাপতি পদে প্রার্থী জসিম উদ্দিন মাহামুদ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা। পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক। এছাড়া তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর।

এডভোকেট মাহাফুজুর রহমান সোহেল পৌর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

পৌর কমিটির সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী এডভোকেট জহির উদ্দিন বাবর বর্তমান পৌর কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পদক। বরাবরই একজন আওয়ামী পরিবারের সন্তান। বাবার দেখানো পথেই রাজনীতি শুরু করেন। তার বাবা বর্ষিয়ান আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম এডভোকেট নুরুল হক। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তার বাবা মরহুম এডভোকেট নুরুল হক এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। লক্ষ্মীপুর আওয়ামী লীগের রাজনীতি এক সময় তাদের বাসা থেকে পরিচালিত হত। রাজনৈতিক জীবনে তিনি স্কুল থেকে ছাত্রলীগ শুরু করে কলেজ ছাত্রলীগ, পৌর ছাত্রলীগ, জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করেন।

এ পদে আরেক প্রার্থী আবুল খায়ের স্বপন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর। তিনি কলেজ জীবন থেকে আওয়ামী রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। পরে পৌর ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করেন। কর্ম জীবনে প্রবাসে গিয়েও আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছাড়েননি। তিনি সৌদি আরব বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। দেশে ফিরে ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নেন।

একই পদে অপর প্রার্থী আরিফ হোসেন মিঠু। নব্বইর দশকে ফ্রিডম পার্টি যখন বেশ সক্রিয় ছিল তখন শহরে হাতে গোনা কয়েকজন ছাত্রলীগের মধ্যে আরিফ হোসেন মিঠু অন্যতম। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌর ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালনকালে ছাত্রলীগকে একটি শক্তশালী সংগঠনে পরিণত করেন। পরবর্তীতে কর্ম জীবনে ব্যস্ত হয়ে পড়লেও আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন সবসময়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক নেতাকর্মী জানান, আগামী ১১মে লক্ষ্মীপুর পৌর কমিটির সম্মেলনে সভাপতি পদে ট্রাম্প কার্ড হতে পারেন বর্তমান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম সালাউদ্দিন টিপু। এর কারন হিসেবে দলীয়রা জানায় নেতা হওয়ার এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সকল যোগ্যতা সালাউদ্দিন টিপুর মধ্যে রয়েছে। তিনি লক্ষ্মীপুর সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদে ছাত্রলীগের প্যানেলের ভিপি ছিলেন। পরে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পৌর এলাকা ও জেলা জুড়ে তার অসংখ্য কর্মী-সমর্থক রয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশনা অনুযায়ী সদর থানাসহ বিভিন্ন উপজেলা কমিটির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। পূর্ব নির্ধারিত ১১ মে সদর থানা ও লক্ষ্মীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে এতে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শাহজাহান কামাল, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজির রায় নন্দী উপস্থিত থাকবেন।

প্রধান বক্তা হিসেবে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন সরকার ও দলের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডগুলো তুলে ধরবেন। লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের এন আহম্মদীয়া বিদ্যালয় মাঠে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

‘জনগণের কল্যাণ নয়, যেখানে মধু সেখানেই সরকারের মনোযোগ’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, জনগণের কল্যাণ এখন আর এ সরকারের লক্ষ্য নয়। মেগা প্রজেক্ট নিয়েই তাদের যত মনোযোগ, কারণ সেখানে মধু আছে। এখন এ মেগা প্রজেক্টগুলো দুর্নীতি আর টাকা পাচারের উৎস হয়ে উঠেছে।

সোমবার (৪ জুলাই) দুপুরে গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসন রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ইকবাল হাসান টুকু বলেন, গত শনিবার গাজীপুরে বন্যার্তদের সহযোগিতায় বিএনপির ত্রাণ তহবিল সংগ্রহ কার্যক্রমে পুলিশ বাধা দিয়েছে। অথচ বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষ অনাহারে ভুগছেন এবং চিকিৎসার অভাবে নানা প্রকার রোগে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এ সময় সরকারি ত্রাণ দেওয়া তো দূরের কথা বিএনপির মানুষের কাছ থেকে ত্রাণ সংগ্রহ কর্মকাণ্ডকে পুলিশ পণ্ড করে দেয়।

বর্তমান অনির্বাচিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের জনগণের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা না থাকায় তারা সচেতনভাবেই বিএনপির ত্রাণ তৎপরতাকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনে আশেপাশের জেলাগুলোতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ও আলোকসজ্জার জন্য প্রায় শত কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। চট্টগ্রামে কনসার্ট করে আর ঢাকায় আতশবাজি ফুটিয়ে বিপুল অর্থ নষ্ট করা হয়েছে। কিন্তু সারাদেশে বন্যার্ত ও বানভাসি মানুষ না খেয়ে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে সেজন্য সরকারের অর্থ বরাদ্দ দিতে পারছে না।

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, ভয়াবহ বন্যায় বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন জেলায় বন্যা দুর্গতদের মধ্যে সাহায্য প্রদানের লক্ষ্যে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে একটি জাতীয় ত্রাণ কমিটির গঠন করেছে বিএনপি। গণমানুষের দল হিসেবে বিএনপি কর্তৃক এরই মধ্যে লক্ষাধিক পরিবারকে নানাভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে। পানিবন্দী মানুষদের উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসা ও ঔষধ, গৃহনির্মাণ এবং কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্নভাবে বন্যার্তদের সহযোগিতা করছে বিএনপি।

টুকু বলেন, বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের উদ্যোগে বানভাসিদের মধ্যে পৃথকভাবে ত্রাণ প্রদান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ড্যাব ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনও রোগবালাইয়ের চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ, বিশুদ্ধ পানির ট্যাবলেট বিতরণ করে চলছে।

তিনি বলেন, আমরা বন্যার্ত মানুষের দুর্ভোগের এ দুঃসময়ে ক্ষমতাসীন মহলকে সকল ধরণের সংকীর্ণ রাজনৈতিক কূটকৌশল পরিহার করে আর্তমানবতার সেবায় আত্মনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক হাজী হামিনুর রশিদ ইয়াসিন উপস্থিত ছিলেন।

;

কোনও ষড়যন্ত্র দেশের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

কোনও অপশক্তির ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত ও কল্যাণকর রাষ্ট্র বিনির্মাণে সক্ষম হবো। জয় আমাদের হবেই, ইনশাল্লাহ।

সোমবার (৪ জুলাই) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ সর্বদাই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পথ চলে। আওয়ামী লীগ জনগণের প্রভু নয়, সেবক হয়ে থাকতে চায়। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কারো বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দেয়নি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গায়েবি মামলার কথা বলে রাজনীতিতে গায়েবি আওয়াজ তোলার অপচেষ্টা করছেন। যেহেতু জনগণের সঙ্গে বিএনপির কোন সম্পর্ক নেই সেহেতু তারা গায়েবি ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতেই আস্থা রাখে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে দুর্নীতির সাম্রাজ্য বিস্তার ও ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে গণবিরোধী অবস্থানের কারণে বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক অপশক্তি হিসেবে চিহ্নিত। দীর্ঘ স্বৈরশাসন ও বিএনপির অপরাজনীতিকে পরাজিত করে আওয়ামী লীগই প্রমাণ করেছে রাষ্ট্রক্ষমতা দম্ভ প্রদর্শনের জন্য নয়; ক্ষমতা দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য সরকারি পরিষেবা মানুষের দ্বোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবি দেশের জনগণকে আতঙ্কিত করে। কারণ তারা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনের নামে জনগণের উপর যে ভয়াবহ অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়েছিল, তার দগ দগ ক্ষত এখনও দেশবাসীর মানসপটে অমলিন। মির্জা ফখরুল কথায় কথায় সাংবিধানিকভাবে বৈধ ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারকে অবৈধ অভিহিত করে সংবিধান লঙ্ঘনের অপরাধ করছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত আওয়ামী লীগ এদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করতে বদ্ধপরিকর। দেশের গণতন্ত্র হারিয়ে যায় নাই যে তা ফিরিয়ে আনতে হবে। বরং প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনপি’র সকল কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয়েছে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী ধারায়। গণতন্ত্র ধ্বংসই শুধু নয়, বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে। স্বৈরতন্ত্রের প্রতিভ‚ বিএনপিই এদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠার প্রধান অন্তরায়। অন্যদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা এবং ভোট তথা ভাতের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম করে আসছে।

তিনি আরও বলেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের গণতন্ত্র সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয় গণআকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে যার মধ্য দিয়ে জনগণের শাসন তথা গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা এগিয়ে চলেছে।

;

জাপা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ, আহত ৫



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জাতীয় পার্টি

জাতীয় পার্টি

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের (কাকরাইল) পাশে একটি রেস্টুরেন্টের সামনে মোটরবাইক রাখাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জাতীয় পার্টির ৫জন কর্মী আহত হয়েছে পার্টির যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন।

রোববার (৩ জুলাই) রাত ৭টার দিকে ওই ঘটনার বিষয়ে রমনা মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে জাপার পক্ষ থেকে।

মাহমুদ আলম আরও জানিয়েছেন, পাশের ভবনের রয়েছে একটি রেস্টুরেন্ট, তার সামনে বাইক রাখাকে নিয়ে কথাকাটি হয়।এরপর তারা বিনা উস্কানিতে আমাদের কর্মীদের উপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। এতে আমাদের ৫ জন আহত হয়, যারা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে আমাদের লোকজন সংগঠিত হলে রেস্টুরেন্ট মালিকের লোকজন পালিয়ে যায়।

ওই ঘটনায় জাপার যুগ্ম যুববিষয়ক সম্পাদক দ্বীন ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ২ জনের নাম উল্লেখসহ ১২ জনকে আসামী করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সন্ধ্যা সাতটার দিকে জাতীয় পার্টির কাকরাইল অফিসে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কার্যালয়ে কর্মীসভা চলছিল। দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপিসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মীসভায় যোগ দিতে জাপার এক নেতা কাকরাইলের দলীয় কার্যালয়ের পাশে মজার হাড়ি রেস্তোরার সামনে মটর বাইক পার্কিং করলে হোটেলের দারোয়ান বাধা দেয়। এ নিয়ে বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে দ্বীন ইসলামসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী গাড়ি সরিয়ে বিষয়টি সেখানেই মিমাংসা করার চেষ্টা করেন। 

এ সময় দোকানের মালিকের ভাই মানুসহ দোকান কর্মচারীরা এসে জাপা নেতাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এতে উপস্থিত নেতাকর্মীরা মারমুখি হয়ে উঠেন। বিষয়টি নিয়ে দোকান কর্মচারীদের সঙ্গে জাপা নেতাকর্মীদের হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে মারামারি লেগে যায়। দোকানের কর্মচারীরা হোটেল থেকে লাকড়ি, গাছের টুকরো এনে জাপা নেতাকর্মীদের উপর হামলা করে। জাপা নেতাকর্মীরাও চেয়ার ছুড়ে মারে। প্রায় আধঘন্টা সংঘর্ষ চলাকালে দোকান কর্মচারীদের হামলায় আহত হন জাপার লালবাগ থানার সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেনসহ ৫ জন। এসময় দোকান কর্মচারীরা দলের মহাসচিবের গাড়ি ভাঙ্গচুর করে। 

পরে থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় পুলিশের সামনে ঘটনার বিচার চেয়ে জাপা নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।

;

গণতন্ত্র ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত মানুষের মুক্তি আসবে না: ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত এদেশের মানুষের মুক্তি আসবে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানা বিএনপি’র নেতা ও কলমা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক তুহিন খন্দকার, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজিব খান এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি অহিদুল ইসলামসহ ১৯ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এই বিবৃতি দেন বিএনপি মহাসচিব।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'জনগণের ঘাড়ে জোর করে চেপে বসা বর্তমান অবৈধ শাসকগোষ্ঠী সারাদেশে বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়েরের মনুষ্যত্বহীন যে সংস্কৃতি জোরদার করেছে তাতে এটি নিশ্চিত করে বলা যায়-আওয়ামী লীগ দেশের প্রভু হয়ে থাকতে চায়। সরকার দেশকে বিএনপিশূণ্য করতে বেপরোয়া অমানবিকতায় মেতে উঠেছে।'

তিনি বলেন, জনকল্যাণ নয় বরং দাম্ভিকতা ও মিথ্যার বেসাতি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি বিএনপি’র সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা দায়েরের মাধ্যমে দেশটাকে এখন নরকে পরিণত করেছে সরকার। এধরণের অপকর্মের উদ্দেশ্যই হচ্ছে-সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসন, দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে কেউ যেন প্রতিবাদী হতে সাহস না পায়।

এই অবৈধ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত এদেশের মানুষের মুক্তি আসবে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হবে না বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

আমি অবিলম্বে উল্লিখিত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বানোয়াট মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান তিনি।

;