আর মার খাব না, আঘাত আসল পাল্টা আঘাত: গয়েশ্বর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, নেতাকর্মীদের বলব, আগামী দিনে শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন। রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন। আপনারা মূল্যায়িত হবেন, জাতির কাছে সম্মানিত হবেন। টেলিভিশনে ছবি তোলার প্রবণতা আমাদের বদলাতে হবে। এখন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময়। ছাত্র যুবকরা যেই স্লোগান দিত, সেই স্লোগান দিতে হবে। স্লোগান দিতে হবে অ্যাকশন অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন, খালেদা জিয়ার অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন, তারেক রহমানের অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

কুমিল্লায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ সারাদেশে নেতাকর্মীদের ওপর ক্ষমতাসীনদের হামলার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

এতে উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের সভাপতিত্বে ও দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সরাফত আলী সপু, আজিজুল বারী হেলাল, ছাত্র দলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, কুমিল্লায় ড. মোশাররফ হোসেনের বাড়িতে হামলা হয়েছে, ফেনীতে ভিপি জয়নালের বাড়িতে হামলা হয়েছে। আরও অনেক জায়গায় হামলা হয়েছে। কিন্তু মিডিয়া খোঁজ রাখে না। এটা তাদের (ক্ষমতাসীনদের) পরিকল্পিত মহড়া।

তিনি বলেন, এখন হামলার প্রতিবাদ নয়, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, হামলা হলে পাল্টা হামলা, আঘাত আসলে পাল্টা আঘাত করতে হবে। যেখানেই হামলা সেখানেই প্রতিরোধ সেখানেই পাল্টা হামলা, এটা আমার গণতান্ত্রিক অধিকার। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অন্যায়ভাবে শুধু আমি মার খাব, আমি মার খাওয়ার দায়িত্ব নেব, অন্যরা আমাকে মেরে যাবে-এটা সংবিধানে নেই। আমরা যা করি সংবিধান সম্মত।

বিএনপির এই নেতা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রতিবাদ করার অধিকার আছে, কথা বলার অধিকার আছে, আমার মিছিল করার অধিকার আছে, হরতাল-অবরোধ করার অধিকার আছে। এতে যারা বাধা দিবে, তাদের আমরা মোকাবিলা করবো। পোশাকে হোক বিনা পোশাকে হোক আর ছাড় দেওয়ার সময় নেই। আর মুখ বুঝে পিঠে লাঠির মার খাওয়ার সময় নেই। আমরা রাজপথে রক্ত দেব, আর যারা রক্ত নিবে-সেই দিন শেষ জনগণের বাংলাদেশ সামনে অপেক্ষা করছে।

সরকারের মন্ত্রী-এমপি তাদের আত্মীয় স্বজনের দুর্নীতি ও মুদ্রা পাচার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, লুটপাটের জন্য দেশ স্বাধীন হয়নি। জনগণ দেশ স্বাধীন করেছে সুখে থাকার জন্য, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র দেখার জন্য। আমরা সেই রাষ্ট্রের জন্য লড়াই করছি। আমরা ক্ষমতার জন্য লড়াই করছি না, জনগণকে ক্ষমতাবান করতে লড়াই করছি। জনগণ ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, প্রতিবেশী একটি দেশ আগামী নির্বাচনের সিট দেওয়ার জন্য ফেরি করছে। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন আপনি সিট দেওয়ার কে? সংবিধানের কোনো পাতায় লেখা আছে? এইসব ফেরিওয়ালারা যেখানে সেখানে ফেরি করতে যান। নেতাকর্মীদের বলব রাস্তায় পেলে পা দুইটা ভেঙে দেবেন। এখন দালাল ধরতে হবে, এই সরকারের ফাঁদে যারা পা দেবে তাদের ঘেরাও করতে হবে। তাদেরকে নজরে রাখতে হবে। আমরা একটা সিদ্ধান্তে একমত হয়েছি, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়।

জাপা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ, আহত ৫



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জাতীয় পার্টি

জাতীয় পার্টি

  • Font increase
  • Font Decrease
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের (কাকরাইল) পাশে একটি রেস্টুরেন্টের সামনে মোটরবাইক রাখাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জাতীয় পার্টির ৫জন কর্মী আহত হয়েছে পার্টির যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম বার্তা২৪কমকে নিশ্চিত করেছেন।

রোববার (৩ জুলাই) রাত ৭টার দিকে ওই ঘটনার বিষয়ে রমনা মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে জাপার পক্ষ থেকে।

মাহমুদ আলম আরও জানিয়েছেন, পাশের ভবনের রয়েছে একটি রেস্টুরেন্ট, তার সামনে বাইক রাখাকে নিয়ে কথাকাটি হয়।এরপর তারা বিনা উস্কানিতে আমাদের কর্মীদের উপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। এতে আমাদের ৫ জন আহত হয়, যারা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে আমাদের লোকজন সংগঠিত হলে রেস্টুরেন্ট মালিকের লোকজন পালিয়ে যায়।

ওই ঘটনায় জাপার যুগ্ম যুববিষয়ক সম্পাদক দ্বীন ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ২ জনের নাম উল্লেখসহ ১২ জনকে আসামী করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সন্ধ্যা সাতটার দিকে জাতীয় পার্টির কাকরাইল অফিসে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কার্যালয়ে কর্মীসভা চলছিল। দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপিসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মীসভায় যোগ দিতে জাপার এক নেতা কাকরাইলের দলীয় কার্যালয়ের পাশে মজার হাড়ি রেস্তোরার সামনে মটর বাইক পার্কিং করলে হোটেলের দারোয়ান বাধা দেয়। এ নিয়ে বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে দ্বীন ইসলামসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী গাড়ি সরিয়ে বিষয়টি সেখানেই মিমাংসা করার চেষ্টা করেন। 

এসময় দোকানের মালিকের ভাই মানুসহ দোকান কর্মচারীরা এসে জাপা নেতাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এতে উপস্থিত নেতাকর্মীরা মারমুখি হয়ে উঠেন। বিষয়টি নিয়ে দোকান কর্মচারীদের সঙ্গে জাপা নেতাকর্মীদের হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে মারামারি লেগে যায়। দোকানের কর্মচারীরা হোটেল থেকে লাকড়ি, গাছের টুকরো এনে জাপা নেতাকর্মীদের উপর হামলা করে। জাপা নেতাকর্মীরাও চেয়ার ছুড়ে মারে। প্রায় আধঘন্টা সংঘর্ষ চলাকালে দোকান কর্মচারীদের হামলায় আহত হন জাপার লালবাগ থানার সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেনসহ ৫ জন। এসময় দোকান কর্মচারীরা দলের মহাসচিবের গাড়ি ভাঙ্গচুর করে। 

পরে থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় পুলিশের সামনে ঘটনার বিচার চেয়ে জাপা নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।
;

গণতন্ত্র ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত মানুষের মুক্তি আসবে না: ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত এদেশের মানুষের মুক্তি আসবে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানা বিএনপি’র নেতা ও কলমা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক তুহিন খন্দকার, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজিব খান এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি অহিদুল ইসলামসহ ১৯ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এই বিবৃতি দেন বিএনপি মহাসচিব।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'জনগণের ঘাড়ে জোর করে চেপে বসা বর্তমান অবৈধ শাসকগোষ্ঠী সারাদেশে বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়েরের মনুষ্যত্বহীন যে সংস্কৃতি জোরদার করেছে তাতে এটি নিশ্চিত করে বলা যায়-আওয়ামী লীগ দেশের প্রভু হয়ে থাকতে চায়। সরকার দেশকে বিএনপিশূণ্য করতে বেপরোয়া অমানবিকতায় মেতে উঠেছে।'

তিনি বলেন, জনকল্যাণ নয় বরং দাম্ভিকতা ও মিথ্যার বেসাতি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি বিএনপি’র সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা দায়েরের মাধ্যমে দেশটাকে এখন নরকে পরিণত করেছে সরকার। এধরণের অপকর্মের উদ্দেশ্যই হচ্ছে-সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসন, দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে কেউ যেন প্রতিবাদী হতে সাহস না পায়।

এই অবৈধ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত এদেশের মানুষের মুক্তি আসবে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হবে না বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

আমি অবিলম্বে উল্লিখিত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বানোয়াট মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান তিনি।

;

বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম এক ধরনের ত্রাণ বিলাস: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম এক ধরনের ত্রাণ বিলাস বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (৩ জুলাই) দলের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ফেনীর সোনাগাজিতে বিএনপি নেতারা ত্রাণ বিতরণের নামে নাটক করেছে। তারা ফেনী থেকে ফেরত এসে সংবাদ সম্মেলন করেছে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সাহস থাকলে নিশ্চয়ই তারা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতো। তারা সাহায্য প্রদানের চেয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে অধিক মনোযোগী।

যতদিন পর্যন্ত বিএনপি অপরাজনীতি ছেড়ে জনকল্যাণে মনোনিবেশ না করবে ততদিন পর্যন্ত তাদের সকল অপকৌশল জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে দলের রাজনৈতিক শক্তি ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু তাদের কাল্পনিক অভিযোগ দিন দিন বাড়বে— এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি নেতারা বানভাসি মানুষের সাথে লোক দেখানো ফটোসেশন করছে। তাদের এক চিমটি সাহায্য মানুষের ভোগান্তির সাথে নির্মম পরিহাস ছাড়া কিছু নয়। সাহায্যের নামে বিএনপির লোক দেখানো ত্রাণ থেকে মানুষ পরিত্রাণ চায়।

তিনি বলেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জনমানুষের পাশে রয়েছে। অতীতেও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। আর যারা রাজনীতিকে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের হাতিয়ার মনে করে, যাদের জন্মই হয়েছিল স্বৈরতন্ত্রকে দীর্ঘস্থায়ী করে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার জন্য তারা জনগণের দুর্দশা নিয়েও অপরাজনীতি করে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা হাস্যকর অভিযোগ করেছেন যে, আওয়ামী লীগ নাকি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনৈতিক দল! অথচ দেশের মানুষ ভাল করেই জানে, কোন দল সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক, কাদের রাজনৈতিক দর্শনে সন্ত্রাসনির্ভরতা রয়েছে। এদেশের রাজনীতিতে সন্ত্রাসের জন্মদাতা, লালনকর্তা বিএনপি। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের নির্মম-নিষ্ঠুরতম হত্যাকাণ্ডের বেনিফিশিয়ারি বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে। তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রত্যক্ষ মদদ ও পৃষ্ঠপোষকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট নৃশংস গ্রেনেড হামলা সংঘটিত হয়েছিল। এদেশে আগুন সন্ত্রাস আর জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারার ভয়াবহ অপসংস্কৃতিও তারা চালিয়ে যাচ্ছে। যারা জনবিচ্ছিন্ন, যাদের পায়ের তলায় মাটি নেই, যারা অপরাজনীতির কারণে জনপ্রত্যাখ্যাত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডই তাদের রাজনৈতিক হাতিয়ার। এই সন্ত্রাসের বিপরীতে দাঁড়িয়ে গণআকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে জনকল্যাণের রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ।

অন্যদিকে গণভিত্তির মধ্য দিয়ে কিংবা জনগণের সংগঠিত প্রয়াস হিসেবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা হয়নি- এক নিষ্ঠুর স্বৈরশাসকের বন্দুকের নলের মুখে জনগণকে জিম্মি করে বিএনপির সৃষ্টি হয়েছিল। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিএনপি একটি সন্ত্রাসনির্ভর ও ষড়যন্ত্রমুখী রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগন্ত্রে কাছে চিহ্নিত। শুধু দেশেই নয়, কানাডার আদালত বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শুধু সন্ত্রাসনির্ভরতাই নয়, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিবিরোধী অপশক্তি হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে বিএনপি। তাদের বোঝা উচিত, কথামালার বৃষ্টিতে এদেশের জনগণের মন ভেজে না। জনগণ মুখোশের অন্তরালে থাকা তাদের প্রকৃত চেহারা চেনে ও জানে।

;

আ.লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মুকুল বোস মারা গেছেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আ.লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মুকুল বোস মারা গেছেন

আ.লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মুকুল বোস মারা গেছেন

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য মুকুল বোস মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)।

শনিবার (২ জুলাই) চেন্নাই এপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সোয়া পাঁচটায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মুকুল বোস বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে মুকুল বোসের বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, এক পুত্র এক কন্যা রেখে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও  আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল বোসের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের সবশেষ কাউন্সিলের পর ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি মুকুল বোসকে দলটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য করা হয়।

;