ইভিএম-এ ভোট নেয়া যুক্তি যুক্ত হবে না: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, নিরক্ষরতার জন্য নির্বাচনে যে দেশে নামের পাশে প্রতিক ব্যবহার করতে হয় কারণ, সবাই প্রার্থীর নাম পড়ে ভোট দিতে পারে না। এমন বাস্তবতায় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট নেয়া যুক্তি যুক্ত হবে না।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয় পার্টির মত বিনিময় সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ইভিএম এর নির্বাচনে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারে না, কারণ ব্যালট পেপার থাকে না। ভোটিং মেশিন যে রেজাল্ট দিবে, তাই ঘোষণা হবে। বিষয়টি হচ্ছে, দেশের মানুষ চাঁদে পাঠাতে চাচ্ছে সরকার কিন্তু সেখানে বসবাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এভাবে চলতে পারেনা, বাচঁতে হলে লড়তে হবে।

তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, একদলীয় স্বৈরশাসন চালু হয়েছে। সংবিধানকে কাটাকাটি করে স্বৈরতন্ত্রকে বৈধতা দেয়া হয়েছে। ১৯৯১ সালের পর থেকে সাংবিধানিক স্বৈরশাসন চলছে দেশে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার কথা উল্লেখ করে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান  আরো বলেন, সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আসা অনেক নেতা ও তাদের সৃষ্ট রাজনৈতিক দল সু-শাসনের নজির স্থাপন করে জনগণের কাছে নন্দিত হয়েছেন। এরশাদ দেশে সুশাসন ও গণতন্ত্র নিশ্চিত করেছিলেন। তাছাড়া এখন আমরা যারা রাজনীতি করছি, তারা কেউই ক্যান্টনমেন্ট থেকে আসিনি। গণতন্ত্র ধংস করতে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৯০ সালে হুসেইন মুহম্মদ এর বিরুদ্ধে মিথ্যে প্রচারনা আর অপবাদ দিয়ে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করতে অপচেষ্টা করা হয়েছে। স্বৈরতন্ত্র নিপাতক যাক আর গণতন্ত্র মুক্তি পাক স্লোগান দেওয়া হয়েছে এরশাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা হস্তান্তরের পর হয়েছে পুরোটাই উল্টো, গণতন্ত্র নিপাত গেছে আর স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশে গণতন্ত্র নেই তাই জনগণের মালিকানা নেই।

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টা বলেছেন, দেশে কোন বেকার নেই অথচ দেশে বেকারের সংখ্যা পাঁচ কোটি। যারা দেশের বেকারত্ব বোঝে না, তারা মানুষের কষ্টও বোঝে না। যারা মানুষের কষ্ট বোঝে না, তাদের দেশ পরিচালনার অধিকার নেই।

তিনি বলেন, কাউকে ক্ষমতায় বসাতে জাতীয় পার্টি কারো সাথে জোট করবে না। জাতীয় পার্টি মানুষের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয় পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক মোঃ শফিকুল ইসলাম সেন্টুর সভাপতিত্ব করের। জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম পাঠানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মোঃ মজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ সেলিম, যুগ্ম মহাসচিব সামছুল হক, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু। 

‘শেখ হাসিনাকে সরানো সহজ নয়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
জনসমাবেশ

জনসমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে আয়োজিত এক জনসমাবেশে বক্তারা বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন বলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়েছেন। তাই দেশের মানুষ শেখ হাসিনার সঙ্গেই থাকবেন। শেখ হাসিনা এক শান্তির প্রতীকের নাম। তাকে সরানো সহজ ব্যাপার নয়।

রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নগরীর বাটার মোড় এলাকায় মঙ্গলবার (১৭ মে) বিকালে এ জনসমাবেশের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন প্রয়োজন মনে করে তখনই রাস্তায় শত সহস্র মানুষের ঢল নামাতে পারে। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে এই কর্মসূচি সেটি আবার প্রমাণ করেছে।

লিটন বলেন, বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়ে অভিমানে তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশে না-ও ফিরতে পারতেন। বলতে পারতেন- গেলাম না দেশে। কিন্তু তারা তা করেননি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের দেশ গড়তে তারা ফিরে এসেছেন। বলেছিলেন, জীবন দিয়ে হলেও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করব। এখন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সেসব স্বপ্নই পূরণ করছেন।

জনসমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন দলের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যখন অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে গণতন্ত্র কেড়ে নিলেন, তখন আলোর দিশারী হয়ে দেশে ফিরেছিলেন শেখ হাসিনা। তিনি ফিরেছিলেন বলে দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে। বঙ্গবন্ধু-জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার হয়েছে। দেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে।

নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালের সভাপতিত্বে এই জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়েব উদ্দিন লাভলু ও মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বেগম আখতার জাহান, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার, সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারা ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মুনসুর রহমান, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আদিবা আনজুম মিতা, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিনাতুননেসা তালুকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু, নগরের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, জেলার সদস্য ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্না প্রমুখ। জনাকীর্ণ এই সমাবেশে জেলা ও মহানগরের সকল ইউনিটের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

;

‘শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন বলেই অর্থনীতিতে মুক্তি লাভ করেছি’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের এই দিনে স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে বাংলাদেশে পা রাখেন। ওই দিন এখন স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে। এক পাশে আমি, অপর পাশে রাজ্জাক ভাই। নেত্রী বললেন, ক্ষমতার জন্য আসিনি। দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এসেছি। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তায়িত হচ্ছে। এটাই আমাদের বড় পাওয়া।

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা দেশে এসেছিলো বলেই বাংলাদেশ আজ অর্থনীতিতে মুক্তি লাভ করেছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন অনেক দূর এগিয়ে গেছে; সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন স্বাধীন বাংলাদেশ হবে মর্যাদাশালী, ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা। আমরা সেই পথেই বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছি। ইনশাল্লাহ্ বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন পূরণ হবে। এটাই শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে আমাদের প্রত্যাশা।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দোস্ত মাহামুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ভোলা সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জুলফিকার আহমেদ, আশরাফ হোসেন লাবু, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক আরজু , জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, ভোলা সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুসসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

;

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে ফখরুল

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে ফখরুল

  • Font increase
  • Font Decrease

অসুস্থ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও আহত নাটোর জেলা ছাত্র নেতৃবৃন্দকে দেখতে হাসপাতালে যান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে শ্যামলী স্পেশালাইজ হাসপাতালে অসুস্থ মির্জা আব্বাসের চিকিৎসকের কাছে থেকে শারীরিক অবস্থা বিষয়ে খোঁজ নেন মির্জা ফখরুল। সে সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

গত ১৪ মে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে আওয়ামী লীগের হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হন নাটোর জেলা ছাত্র নেতা এস এম মোস্তফা আনাম ও শরিফুল ইসলাম সুমন। বর্তমানে তারা শ্যামলী পুঙ্গ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব।

এছাড়া সোমবার (১৬ মে) বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে অসুস্থ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর আব্দুল মঈন খানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে যান বিএনপি মহাসচিব।

;

হাসপাতালে মির্জা আব্বাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৭ মে) সকালে অসুস্থ হয়ে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইড হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতার তথ্য নিশ্চিত করে তার ব্যক্তিগত সহকারী সোহেল জানান, পেটের পীড়ায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোলিভার বিভাগের অধীনে ভর্তি হয়েছেন মির্জা আব্বাস।

;