জামায়াত এখনও পাকিস্তানের সৈনিক হিসেবে কাজ করছে: হানিফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জামায়াতে ইসলামী রাজাকারের দল বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বাংলাদেশে যারা জামায়াতের রাজনীতি করে, তারা এখনও পাকিস্তানের সৈনিক হিসেবে কাজ করছে। আর এদের দোসর বিএনপি।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একাত্তরের মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী। তারা একাত্তরে পাকিস্তানের সৈনিক ছিলো। এখনও স্বাধীন বাংলাদেশে রাজাকার হিসেবেই তারা আছে। তারা পাকিস্তানি আদর্শ বহন করে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার উপকূল সরকারি কলেজ মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

হানিফ বলেন, যখন কাদের মোল্লার ফাঁসি হলো পাকিস্তানের পার্লামেন্টে নিন্দা প্রস্তাব পাস হয়েছে। তার ফাঁসি কার্যকরের পর পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরী নিসার আলী খান বলেছেন, কাদের মোল্লা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পাকিস্তানের অকুতোভয় সৈনিক ছিলেন। আমরা অবাক হলাম। ১৯৭১ সালে যে রাজাকার ছিল ২০১৩ সালে এসেও সে কিভাবে পাকিস্তানের সৈনিক থাকে। তার মানে তারা এখনও পাকিস্তানের সৈনিক।

একইভাবে মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ তাদের যখন রায় কার্যকর হলো পাকিস্তানের পার্লামেন্টে নিন্দা প্রস্তাব পাস হয়েছে। নিজামীকে বেসামরিক খেতাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে এসমস্ত রাজাকার-আলবদর পাকিস্তানের প্রেতাত্মাদের কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে।

বিএনপি দেশের উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রেখেছে এমন নজির নেই উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, আমাদের উন্নয়ন আপনাদের (বিএনপি) পছন্দ হয় না। তাহলে আপনারাই বলেন, ক্ষমতায় থাকতে দেশের কি উন্নয়ন করেছেন। ক্ষমতায় থাকতে উন্নয়ন করেছে এমন কিছুই তারা দেখাতে পারে না। আপনারা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের জিজ্ঞেস করে দেখবেন, ক্ষমতায় থাকতে কোন উন্নয়ন তারা করেছে? দেখবেন তারা একটাও দেখাতে পারবে না। তারাতো কাজ করে নাই।

‘শেখ হাসিনা ফিরেছিলেন বলেই বাংলাদেশ অর্থনীতিতে মুক্তি লাভ করেছে’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের এই দিনে স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে বাংলাদেশে পা রাখেন। ওই দিন এখন স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে। এক পাশে আমি, অপর পাশে রাজ্জাক ভাই। নেত্রী বললেন, ক্ষমতার জন্য আসিনি। দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এসেছি। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তায়িত হচ্ছে। এটাই আমাদের বড় পাওয়া।

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা দেশে এসেছিলো বলেই বাংলাদেশ আজ অর্থনীতিতে মুক্তি লাভ করেছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন অনেক দূর এগিয়ে গেছে; সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন স্বাধীন বাংলাদেশ হবে মর্যাদাশালী, ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা। আমরা সেই পথেই বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছি। ইনশাল্লাহ্ বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন পূরণ হবে। এটাই শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে আমাদের প্রত্যাশা।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দোস্ত মাহামুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ভোলা সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জুলফিকার আহমেদ, আশরাফ হোসেন লাবু, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক আরজু , জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, ভোলা সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুসসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

;

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে ফখরুল

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে ফখরুল

  • Font increase
  • Font Decrease

অসুস্থ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও আহত নাটোর জেলা ছাত্র নেতৃবৃন্দকে দেখতে হাসপাতালে যান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে শ্যামলী স্পেশালাইজ হাসপাতালে অসুস্থ মির্জা আব্বাসের চিকিৎসকের কাছে থেকে শারীরিক অবস্থা বিষয়ে খোঁজ নেন মির্জা ফখরুল। সে সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

গত ১৪ মে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে আওয়ামী লীগের হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হন নাটোর জেলা ছাত্র নেতা এস এম মোস্তফা আনাম ও শরিফুল ইসলাম সুমন। বর্তমানে তারা শ্যামলী পুঙ্গ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব।

এছাড়া সোমবার (১৬ মে) বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে অসুস্থ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর আব্দুল মঈন খানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে যান বিএনপি মহাসচিব।

;

হাসপাতালে মির্জা আব্বাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৭ মে) সকালে অসুস্থ হয়ে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইড হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতার তথ্য নিশ্চিত করে তার ব্যক্তিগত সহকারী সোহেল জানান, পেটের পীড়ায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোলিভার বিভাগের অধীনে ভর্তি হয়েছেন মির্জা আব্বাস।

;

‘কৃষিতে জিয়াউর রহমান-খালেদা ছাড়া কেউ ভূমিকা রাখেনি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীকালে বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য কেউ কার্যকর ভূমিকা রাখেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সেই সমস্ত কাজে হাত দেয়, যেখানে তাদের নিজস্ব মুনাফা হয়, কমিশন পায়।

মঙ্গলবার (১৭ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, চলতি বছর সুনামগঞ্জ জেলায় বাঁধ নির্মাণে সরকারি বরাদ্দ ছিল ১২২ কোটি টাকা এবং গত ৫ বছরে এই টাকার পরিমাণ ছিল ৬২১ কোটি টাকা, যা বাঁধ রক্ষায় তেমন কোন কাজে আসেনি। বরং এই বরাদ্দকৃত টাকা ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রী-এমপি, সরকারি কর্মকর্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকতারা এই টাকা হরিলুট করেছে। যে সমস্ত বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে তা এতই দুর্বল যে, মাত্র ২৪ ঘণ্টার পানির চাপ সামলাতে পারেনি।

'প্রতি বছর এভাবে বাঁধ নির্মাণের নামে হাওর অঞ্চলে সরকারি অর্থ লুটের মহোৎসব চলে। এর ফলে কৃষকরা হয় সর্বশান্ত, অপরদিকে সরকারি দলের লোকজন ও তাদের আত্মীয় স্বজনরা হয় আঙুল ফুলে কলাগাছ।

তিনি বলেন, শুধু দেশের হাওর অঞ্চলই নয়, এই চিত্র দেশের সার্বিক কৃষি সেক্টরে। বর্তমান অবৈধ সরকারের আমলে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত। উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আলু চাষিরা তাদের আলুর ন্যুনতম মূল্য না পেয়ে রাস্তায় আলু ফেলে প্রতিবাদ জানানোর খবরও কেউ ভুলে যায়নি। এর আগে কৃষকরা ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার প্রতিবাদে পাকা ধানের জমিতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

ফখরুল বলেন, দেশের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মানুষ এখনও সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষি আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য-বর্তমান সরকারের আমলে কৃষি ও কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে তেমন কোন উদ্যোগ বা তৎপরতা নেই।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ প্রথম দিকে কৃষকদের জন্য কার্ডের ব্যবস্থা করেছে। সার দেওয়ার জন্য সেই কার্ডের ব্যবস্থা করলেও কৃষকদের নিকট কোন সার পৌঁছায়নি।

কৃষকদের দুর্দশা লাঘব ও শস্য নিরাপত্তা রক্ষায় কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব।

সুপারিশ সমূহ হলো- হাওড় রক্ষা বাঁধ নির্মাণে সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাট বন্ধ করতে হবে। এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

বছর বছর বাঁধ নির্মাণ না করে সিমেন্ট ও বালু দিয়ে তৈরিকৃত ব্লক ফেলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিনা সুদে বিশেষ ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।

ঋণগ্রস্ত কৃষকের ঋণের সুদ মওকুফ এবং স্বাভাবিক অবস্থা না ফেরা পর্যন্ত ঋণের কিস্তি নেওয়া বন্ধ করতে হবে।

হাওর অঞ্চলে শস্য বিমা চালু করতে হবে।

হাওর অঞ্চলের কৃষকের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য গণমূখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, কৃষকদলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি,নাজিম উদ্দিন আলম ও মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।

;