যেন-তেনভাবে নির্বাচন করতে দেয়া হবে না: গয়েশ্বর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন- দতেনভাবে আয়োজন করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, নির্বাচনে যাবো না ঠিক। তবে যেন -তেনভানে নির্বাচন করতেও দেবো না। আগামী নির্বাচনের জন্য শেখ হাসিনা একমাত্র বাধা বলে মনে করেন বিএনপির এই রাজনীতিবিদ।

শুক্রবার (১৩ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে 'গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সংকটের একমাত্র সমাধান' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপির একাংশের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সম্প্রতি এলডিপি থেকে পদত্যাগ করা দুই শতাধিক নেতা - কর্মীরাও এ সভায় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বক্তারা কর্নেল অলির সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ক্ষমতসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাদের ভয় কি?  গণতন্ত্র ফেরত দেন। শ্রীলঙ্কার মতন বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের মারধর করবে না। বাড়িতে আগুন দিবে না। একশ ভাগ গ্যারান্টি দিলাম।

আন্দোলন চলমান আছে জানিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের শেষ পর্যায়ের ডাক তারেক রহমান দিবেন। সে জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহবান জানান৷

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা জহির উদ্দিন স্বপন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ঢাকার রাস্তাও শ্রীলঙ্কার কলম্বোর মতন হবে। সেই কলম্বোর রাজপথের মতন ঢাকার রাজপথে সেই ফয়সালা হবে। শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন বাংলাদেশে হতে দেয়া হবে না বলে যোগ করেন তিনি৷

এলডিপির একাংশের সভাপতি আব্দুল করিম আব্বাসী বলেন, কর্নেল অলির কাছ থেকে পদত্যাগ করে যারা আমাদের সাথে যোগ দিয়েছেন তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। ঢাকার রাস্তা রক্তে রঞ্জিত করতে হবে তার মাধ্যমেই শেখ হাসিনাকেই পদত্যাগ করাতে হবে।

৮৫ বছরের এই বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, এ লাঠি হাতে নিয়ে বলছি, হাসিনাকে উৎখাত করতে হবে। বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। আমি এই দেশকে একটা সুন্দর দেশ হিসেবে দেখতে চাই বলে যোগ করেন তিনি৷

অলি আহমদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তার গড়া এলডিপি থেকে সরে গেছেন দুই শতাধিক নেতা-কর্মী। তারা আব্দুল করিম আব্বাসী নেতৃত্বাধীন এলডিপিতে যোগদান করেন।

শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ



আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪১তম ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ (১৭ মে)। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর ছয় বছরের নির্বাসনজীবন কাটিয়ে, সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে স্বদেশভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি।

১৯৮১ সালের ১৭ মে বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং বিমানে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে, লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তাঁকে এক নজর দেখতে সেদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ঢাকায় ছুটে আসে। কুর্মিটোলা বিমানবন্দর ও শেরেবাংলানগর পরিণত হয় জনসমুদ্রে।

ওই দিন ছিল দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আর প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি। সব কিছু উপেক্ষা করে লাখ লাখ মানুষ সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢাকা শহর মিছিল আর ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে প্রকম্পিত হয়।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার নিরবচ্ছিন্ন দীর্ঘ সংগ্রাম শুরু হয়। শেরেবাংলানগরে জনতার সংবর্ধনার জবাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।’ তিনি আরো বলেন, ‘জীবনে ঝুঁকি নিতেই হয়, মৃত্যুকে ভয় করলে জীবন মহত্ব থেকে বঞ্চিত হয়।’

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আজকের জনসভায় লাখো চেনামুখ আমি দেখছি। শুধু নেই আমার প্রিয় পিতা বঙ্গবন্ধু, মা আর ভাইয়েরা এবং আরও অনেক প্রিয়জন। শেখ হাসিনা বলেন, ভাই রাসেল আর কোনো দিন ফিরে আসবে না, আপা বলে ডাকবে না। সব হারিয়ে আজ আপনারাই আমার আপনজন।

বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে ফেরার আগেই ওই বছরের (১৯৮১) ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার হোটেল ইডেনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে তার অনুপস্থিতিতেই তাকে সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে পরদিন ১৯৮১ সালের ১৮ মে দৈনিক ‘সংবাদ’ ‘লাখো জনতা অকৃপণ প্রাণঢালা অভ্যর্থনার মধ্যদিয়ে বরণ করে নেয় তাদের নেত্রীকে’ শিরোনামে লিখে, রাজধানী ঢাকা গতকাল (১৭ মে) মিছিলের শহরে পরিণত হয়েছিল। প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টিও মিছিলের গতিরোধ করতে পারেনি। শ্লোগানেও ভাটা পড়েনি। লাখো কণ্ঠের শ্লোগান নগরীকে প্রকম্পিত করেছে।’

সংবাদ আরও লিখে, বিকেল সাড়ে চারটায় আকাশে যখন শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটি দেখা যায় তখন সকল নিয়ন্ত্রণ আর অনুরোধ আবেদন অগ্রাহ্য করে হাজার হাজার মানুষ বিমানবন্দরের ভেতরে ঢুকে যায়। অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই বিমানটি অবতরণ করে। জনতা একেবারেই বিমানের কাছে চলে যায়। বহু চেষ্টার পর জনতার স্রোতকে কিছুটা সরিয়ে ট্রাকটি ককপিটের দরজার একেবারে সামনে নেওয়া হয়। এই সময়ে শেখ হাসিনা ভেতর থেকে জনতার উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন।

বেলা ৪টা ৩২ মিনিটে শেখ হাসিনা সিঁড়ি দিয়ে ট্রাকে নেমে আসেন। এই সময় লাখো জনতার কণ্ঠে ছিল গগন বিদারী শ্লোগান-‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম-মুজিব হত্যার বদলা নেব।’ এ সময় অনেকের চোখে ছিল অশ্রুধারা। যখন তাকে মালা পরিয়ে দেওয়া হয়, তখন শেখ হাসিনাও অঝোর ধারায় কাঁদছিলেন। এ সময় শেখ হাসিনার পরনে ছিল সাদা রঙের ওপর কালো ডোরাকাটা তাঁতের মোটা শাড়ি ও মাথায় ঘোমটা। কুর্মিটোলা থেকে শেখ হাসিনার শেরেবাংলা নগরে এসে পৌঁছাতে সময় লাগে ৩ ঘণ্টা। এ সময় ঝড় বৃষ্টিতে নগর জীবন প্রায় বিপন্ন। রাস্তাঘাট স্বাভাবিক জীবন যখন ব্যাহত তখন এখানে অপেক্ষা করে কয়েক লাখ মানুষ। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তিনি গণসংবর্ধনা মঞ্চে উপস্থিত হন।

ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার নিরবচ্ছিন্ন দীর্ঘ সংগ্রাম শুরু হয়। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তার একটানা অকুতোভয় সংগ্রাম। সেই থেকে দিনটিকে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন শেখ হাসিনা। এরপর ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার (১৭ মে) বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

;

বাংলাদেশ যেন পাচারকারীদের স্বর্গরাজ্য: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশ যেন পাচারকারীদের স্বর্গরাজ্য: জিএম কাদের

বাংলাদেশ যেন পাচারকারীদের স্বর্গরাজ্য: জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, বাংলাদেশ যেনো পাচারকারীদের স্বর্গরাজ্য। একটি চক্র অবৈধভাবে অর্থ আয় করে আবার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হচ্ছে।

সোমবার (১৬ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, বছরে গড়ে দেশ থেকে ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে। গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী গেলো ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৫ বছরে দেশ থেকে পাচার হয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটির দেয়া তথ্যে ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল (২০১৪ সাল বাদে) ৬ বছরে পাচার হয়েছে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এরমধ্যে ২০১৫ সালেই পাচার হয়েছে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, আরব আমিরাত ও থাইল্যান্ড সহ ১০টি দেশে পাচার হচ্ছে। দেশের মানুষ জানতে চাচ্ছে, কিভাবে দায়িত্বশীলদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। দেশের মানুষ জানতে চায় কারা দেশের টাকা পাচারে সহযোগিতা করছে। সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব পালনে অনীহা আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখতে হবে। কারা দেশের টাকা বিদেশে পাচার করছে তাদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। দেশের মানুষ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখতে চায়।

বিবৃতিতে বলেন, দেশের টাকা পাচারকারী ও পাচারে সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান করতে হবে। পাচারকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে, কখনোই পাচার রোধ করা সম্ভব হবে না।

;

মেহেরপুর জেলা আ.লীগের সভাপতি ফরহাদ, সম্পাদক খালেক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মেহেরপুর
মেহেরপুর জেলা আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন, সভাপতি ফরহাদ, সম্পাদক খালেক

মেহেরপুর জেলা আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন, সভাপতি ফরহাদ, সম্পাদক খালেক

  • Font increase
  • Font Decrease

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক গাংনী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ খালেক। তারা দু'জনই দ্বিতীয়বারের মতো এ দায়িত্বে আসলেন। ‌

সোমবার (১৬ মে) বিকেল সাড়ে চারটায় মেহেরপুর শহীদ শামসুজ্জোহা পার্কে সম্মেলনস্থলে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহ সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে কয়েকজনের নাম ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে এই ঘোষণা দেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টায় সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

জাতীয় সঙ্গী‌তের সা‌থে পতাকা উ‌ত্তোলন এবং শান্তীর প্রতীক পায়রা উ‌ড়ি‌য়ে অনুষ্ঠা‌নের উ‌দ্বোধন ক‌রে বাংলা‌দেশ আওয়ামী লী‌গের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। এরপ‌রে জা‌তির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মু‌জিবুর রহমা‌নের প্রতিকৃ‌তি‌তে পুষ্পার্ঘ অর্পণ ক‌রে ম‌ঞ্চে‌ প্রবেশ করেন নেতৃবুন্দ।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক,  নির্বাহী সদস‌্য পারভীন জামান কল্পনা, অ‌্যাড গ্লো‌রিয়া ঝর্ণাসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হসেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক। অনুষ্ঠা‌নে উপ‌স্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রথম পর্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভার্চুয়াল বক্তৃতায় নেতাকর্মীদের দিক নি‌র্দেশনা দেন বাংলাদেশ লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল কাদের।

বিকেলে দ্বিতীয় পর্বে জেলা আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য শুধুমাত্র কাউন্সিলরদের নিয়ে অধিবেশন শুরু হয়।

২০১৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ সম্মেলনে ফরহাদ হোসেন সভাপতি এবং এম এ খালেক সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছিলেন।

;

লক্ষ্মীপুরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে কোরআন খতম



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে কোরআন খতম

লক্ষ্মীপুরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে কোরআন খতম

  • Font increase
  • Font Decrease

১৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল ও র‌্যালি করেছে যুবলীগ।

সোমবার (১৬ মে) জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বায়েজীদ ভূঁইয়ার উদ্যোগে আবু বকর সিদ্দিক (রা:) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে যুবলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ অংশ নেয়।

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশে মানবিক যুবলীগের ব্যানারে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন মসজিদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে যুবলীগ নেতা বায়েজীদ।

;