বাংলাদেশ দ্রুত শ্রীলঙ্কায় পরিণত হতে যাচ্ছে: ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের অবস্থা দ্রুতই শ্রীলঙ্কার মত হতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, এ দেশের পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার মতে হতে বাধ্য এর কারণ হচ্ছে, এখানকার অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এ দেশে ঋণ বৃদ্ধি পাচ্ছে যা সাধারণ জনগণের ঘাড়েই চাপানো হচ্ছে। এসব কারণে দেশে সমস্যা অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ পথে নামতে বাধ্য হবে।

শুক্রবার (১৩ মে) দুপুর ৩ টায় সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের খারুয়াডাঙ্গা এলাকায় নির্বাচনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে সরকারের পদত্যাগ করা উচিৎ উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রী নিজে একজন বড় ব্যবসায়ি মানুষ। উনার ব্যবসায়িদের চরিত্র সম্পর্কে ধারণা থাকা উচিৎ ছিল। সেক্ষেত্রে ব্যবসায়িদের বিশ্বাস করা মানে তাদের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। গোটা যে অবস্থাটা সে অবস্থায় আমরা দেখতে পাই সরকারের পরিচ্ছন্ন মদদে এই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তাদের সিন্ডিকেট দায়ি এই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের প্রশ্নে জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা সম্পূর্নভাবে এই রাষ্ট্রকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। তাদের পদত্যাগ করা উচিৎ কারণ গোটা দেশের মানুষ জানে তাদের সব ক্ষেত্রে ব্যর্থতা, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, টাকা পাচার, অর্থনিতিকে ধ্বংস করে দেওয়া সব মিলিয়ে তাদের পদত্যাগ করা উচিত।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, অর্থ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, ইউনিয়ন সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম ও জেলার অন্য সংগঠনের নেতারা।

অর্থ পাচারকারী ও মদদদাতাদের তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি ফখরুলের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদেশে অর্থ পাচারকারীসহ তাদের মদদদাতাদের তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১৫ মে) বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব এই দাবি জানান।

তিনি বলেন, আমাদের প্রশ্ন এরকম কতজন পিকে হালদার আছে, আর এরকম কতজন মানুষ আছে? আমরা কিছুদিন আগে দেখেছি যে, হাজার হাজার কোটি টাকা তারা দেশ থেকে লুট করে বিদেশে পাঁচার করে দিচ্ছে।

`আমরা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমরা জানতে চাই যে, এই ধরনের (পিকে হালদারের মতো) হাজার হাজার কোটি টাকা কত পাচার হয়েছে। একদিনে তো পাচার হয়নি। কীভাবে কোন পদ্ধতি পাচার হলো? কারা তার সঙ্গে জড়িত ছিলো, কারা মদদ দিয়েছে- সেই বিষয়গুলো পরিস্কার করে জাতির সামনে তুলে ধরার জন্য আমরা আজকে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।'

মির্জা ফখরুল বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে এই যে দুর্নীতি হচ্ছে, চুরি হচ্ছে, ডাকাতি করে অর্থ পাঁচার করা হচ্ছে তা অবশ্যই তদন্ত করে বের করে জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।

'সুযোগ পেলেই বিএনপির লোকদেরকে হয়রানি করা আর কিছু চুনো-পুঁটি লোককে ধরে হয়রানি করা। আমরা জানতে এর সুষ্ঠু তদন্ত করে জনগণের সামনে এই ধরনের যারা বড় বড় আছেন বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের তদন্ত করে তাদেরকে সামনে আনতে হবে, আইনের আওতায় আনতে হবে।'

তিনি বলেন,  আপনি খবরের কাগজ খুলে দেখেছেন যে, একজন পিকে হালদার যিনি হাজার হাজার কোটি টাকা ‍বিদেশে পাচার করেছে তাকে পার্শ্ববর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এটা ভালো কথা।

`আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজেই বলেছেন, হাজার হাজার কোটি টাকা যারা পাচার করেছে তাদেরকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেয়া হবে না। তার মানে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন আওয়ামী লীগের লোকেরা তারা হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে।'

এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই দুঃসহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে, আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে হলে আমাদের সকল ধর্মের, মতের, রাজনৈতিক দলের লোকদেরকে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদেরকে (সরকার) পরাজিত করতে হবে।

বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বিএনপি ও দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানান দলটির মহাসচিব।

;

জনগণেরও প্রশ্ন, বিএনপি আসলে কি চায়?- কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আসলে কি চায় তারা নিজেরাই জানে না।

তিনি বলেন, এটা এখন জনগণেরও প্রশ্ন, বিএনপি আসলে কি চায়? যা তারা নিজেরাও জানে না। তারা একবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার, কখনো নিরপেক্ষ আবার কখনো চায় জাতীয় সরকার।

রোববার (১৩ মে) নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে বিএনপি নেতাদের কাছে এমন প্রশ্ন রেখে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

জনগণ নাকি বিএনপি নেতাদের দিকে তাকিয়ে আছে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, আসলে জনগণ তাকিয়ে নেই, জনগণ ভালো করেই জানে যে- দলের নেতারা চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকে টেমস নদীর ওপার থেকে নির্দেশনা আসার জন্য।

তিনি বলেন, যারা আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ, এমনকি দলের চেয়ারপারসনের মুক্তির জন্য একটা মিছিলও বের করতে পারেনি, জনগণের সেই দলের দিকে তাকিয়ে থেকে লাভ নেই ।

বিএনপি নেতাদের একেক সময় একেক রকম চাওয়া দেখে জনগণ আজ বিভ্রান্ত উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নেতিবাচক রাজনীতি করতে করতে বিএনপি এখন খাদের কিনারায়।

দেশ ও জাতি নাকি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে- বিএনপি মহাসচিবের এমন মন্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আসলে দেশ ও জাতি নয়, ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে বিএনপি।

দেশ কোন পথে যাবে, তার ফয়সালা রাজপথে হবে- বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশে গোপন ষড়যন্ত্র বাদ দিয়ে বিএনপি রাজপথে আসুক ভালো কথা, তাদের যে কোন শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচীকে আমরা স্বাগত জানাই।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে যদি আবারও জ্বালাও-পোড়াও করা হয়, আগুন সন্ত্রাস চালানো হয়, পেট্রোল বোমা মেরে নিরীহ মানুষ পুড়িয়ে মারা হয়, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়, সর্বপরি বিএনপি যদি দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবার অপচেষ্টা করে- তাহলে জনগণের জানমাল রক্ষায় দেশবাসীকে সাথে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

আমার বক্তব্যকে বিকৃতি করে মির্জা ফখরুল বারবার পাচারের কথা উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন,  তাদের নেতা তারেক রহমান দন্ডিত, পলাতক আসামী। তিনি অর্থ পাচারের অভিযোগে ২২ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে পাচার করেছেন। এফবিআই তদন্ত করে তা খুঁজে পেয়েছ এবং বাংলাদেশের আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে গেছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে প্রশ্ন রেখে বলেন, তাহলে নিজেদের এতো ধোঁয়া তুলসীপাতা ভাবার কোন কারণ আছে কী? তা আপনার (মির্জা ফখরুল) কাছে জানতে চাই।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

;

প্রয়োজনে জান দিতে হবে: নজরুল ইসলাম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রয়োজনে জান দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

রোববার (১৫ মে) দুপুরে ডিআরইউ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আবদুল মতীনের ২৭তম মৃত্যুবাষির্কীতে 'নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই' শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে লেবার পার্টি।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, যখন কোন ক্ষমতাসীন দল যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় থাকতে চায় ৷ ক্ষমতায় থাকার জন্য যেকোন শর্তে, যে কোনো আপোসে, যেকোনো ষড়যন্ত্রে রাজি আছে। তখন তাকে সরানোর জন্য সংগ্রাম ছাড়া কোন উপায় থাকে না। তাকে আলোচনার মাধ্যমে, যুক্তি দিয়ে তো বোঝাতে পারবেন না। কারণ তারা জানে যে তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেনি এবং ভবিষ্যতে যদি নির্বাচন হয় তাহলে তারা ক্ষমতায় আসতে পারবে না।

বাংলাদেশের জনগণের ওপর একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ৯০ ভাগ মানুষ নির্দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন চায়। ৮৫ ভাগ মানুষ মনে করে দেশের অবস্থা ভালো না। এই গবেষণা যদি এখন কেউ করে তাহলে দেখবেন ৯০ ভাগ এখন ৯৫-৯৬ হয়ে গেছে। কিন্তু তারপরও কি শুনবে এই সরকার? না। শুনবে না।

তিনি বলেন, কেউ যদি মনে করে এখন যে রাজনীতি চলছে এটাই রাজনীতি। এর আগে বাংলাদেশে কিছু হয়নি তাহলে ভুল। এই সরকার আসার পর থেকে আমরা লড়াই লড়াই বলছি, আন্দোলনটাকে জিয়ে রেখেছি। এটা যদি না করতাম তাহলে কি চাইলেই এখন আন্দোলন করতে পারতাম? দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন সংগ্রাম করছি তার একটা গুরুত্ব আছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, লড়াইয়ে ময়দানে প্রমাণ হবে কে কত বড় লিডার। মুখ দিয়ে দেশ উদ্ধার করা যাবে না। মুখের কাজ না। প্রয়োজনে জান দিতে হবে। গুলি খেতে হবে। মার খেতে হবে। আমাদের অনেক নেতা নিহত হয়েছেন, খুন হয়েছেন, গুম হয়েছেন। কিন্তু তারা আন্দোলনের মাঠে ছিলেন। সবাইকে নিয়ে আন্দোলন করতে হবে বলেও জানান তিনি।

'অনেক বলে আমরা ঘরের মধ্যে মিটিং করি। আমাদের ঘরে মিটিং করা দোষ? আমরা না হয় ঘরে মিটিং করি। আপনাদের বাইরে যেতে নিষেধ করছে কে? আপনারা কিছু করবেন না। অন্যরা কিছু করলে তাদের সমালোচনা করবেন। সমালোচনার অধিকার আছে আপনাদের?'

'বিএনপি নেতাদের পদত্যাগ করা উচিত'- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমন মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, আপনারা ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে ছিলেন। পদত্যাগ করেছিলেন? আমাদের পদত্যাগ করার কথা বলার উনি কে? বিএনপি তো সেই দল যাদেরকে ১৯৮২ সালে জোর করে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। আন্দোলন সংগ্রাম করে ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসে। এটা ইতিহাস।

লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন দলটির মহাসচিব লায়ন ফারুক রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ওবায়দুল কবির, গণ-অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নূর, কৃষক দলের লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

;

নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগরে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।

শনিবার (১৪ মে) রাতে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এ ছাড়া নতুন কমিটির জন্য জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।

একই সঙ্গে জেলা ছাত্রলীগ ঘোষিত সদর উপজেলা, নোয়াখালী পৌরসভা ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ ও সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ, সেনবাগ উপজেলা, সেনবাগ পৌরসভা ও সেনবাগ কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত জেলায় দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতৃবৃন্দের কাছে জমা দিতে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা সশরীরে নোয়াখালী গিয়ে জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করবেন।

এর আগে, গত ১ মে ঘোষিত সেনবাগ উপজেলা কমিটি, পৌর শাখা কমিটি, কলেজ শাখা কমিটি এবং ১১ মে নোয়াখালী সদর উপজেলা কমিটি, নোয়াখালী পৌর শাখা কমিটি, নোয়াখালী সরকারি কলেজ ও সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ শাখা কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, গত ১ মে ও ১১ মে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে পকেট কমিটি ঘোষণা করে। এ নিয়ে বিদায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে জুতা মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে পদ বঞ্চিত একাংশের নেতাকর্মীরা।

জেলা ছাত্রলীগের বিদায়ী কমিটির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরমান ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত আদনান নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এ বিষয়ে জানতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আরমান ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত আদনানের মুঠোফোনে কল করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাই তাদের বক্তব্য যায় নি।

নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন বলেন,অচিরেই ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র মেনে জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

;