কিভাবে পালাবেন সেই পথ খুঁজুন, বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বিএনপি নেতারা কিভাবে পালাবেন, সেই পথ খোঁজার জন্য তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

শনিবার (১৪ মে) চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এই আহবান জানান।।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যারা শ্রীলঙ্কার তুলনা বাংলাদেশে দেয়, তারা অনেক আগেই শ্রীলঙ্কার মতো পালিয়েছেন। কেননা আজকের শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতিতে তারাও পড়েছিলেন, তাই তারা এসব কথা বলছেন।   শ্রীলঙ্কার নেতারা এখন যেভাবে পালাচ্ছেন, বিএনপির নেতারাও সেভাবে আগেই পালিয়ে গেছেন। তারেক রহমান ‘আমি আর রাজনীতি করবো না’ মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন। ঢাকায় তাদের নেতা মাহবুবুর রহমানকে তাদের দলের নেতাকর্মী ও সাধারন জনগণ ধাওয়া করেছিল, জুতা নিক্ষেপ করেছিল। ৮০ সালে জিয়াউর রহমান যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যান তখন তাকেও ধাওয়া করা হয়েছিল। এখন আপনারা নিজেরা কিভাবে পালাবেন সেই পথ খুঁজুন।’

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি’র সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমানের পরিচালনায়  তৃণমূলের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য  ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন,  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভীসহ বিএনপি নেতারা পদ্মা নদীর ওপারে কীভাবে যাবেন তিনি তা দেখার অপেক্ষায় আছেন। তারা কি গাড়িতে চড়ে পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে যাবেন, নাকি আওয়ামী লীগের নৌকায় চড়ে ওপারে যাবেন, তিনি সেটি দেখার অপেক্ষায় আছেন বলে উল্লেখ করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন,  ‘আমাদের সরকার যখন পদ্মা সেতু করছিল, তখন বিএনপি দেশে গুজব ছড়িয়েছিলো যে, পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে মানুষের মাথা লাগবে।’  আবার সরকার যখন ভারত থেকে করোনা টিকা নিয়ে এসে, দেশের মানুষকে দেয়া শুরু করলো। তখন বিএনপি গুজব ছড়ালো যে, ঐ টিকা কাজ করে না। রিজভী সাহেব বক্তব্য দিলেন, আমাদের করোনা টিকা অকেজো। পরে তিনি লুকিয়ে লুকিয়ে টিকা ঠিকই নিয়েছিলেন। আমাদের চট্টগ্রামের ডা. জাফরুল্লাহও কথা বলেছিলেন টিকা নিয়ে। পরে তিনিও লজ্জা ভেঙে টিকা নেন এবং বলেন, ‘আমার আরাম লাগছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বলেন, তৃণমূল হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রাণ। জন্মলগ্ন থেকে তৃণমূলের নেতারাই এ দলকে টিকিয়ে রেখেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে নানা সমস্যা নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। অনেক নেতা দ্বিধান্বিত ও বিচলিত হয়েছেন, অনেক নেতা দল ত্যাগ করেছেন, মূল নেতৃত্বের সাথে বেঈমানি করেছেন। কিন্তু তৃণমূল কখনো আওয়ামী লীগের সাথে বেঈমানী করে নাই। হাছান মাহমুদ বলেন,‘ আমরা আজকে প্রায় সাড়ে ১৩ বছর ক্ষমতায়, এতদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে আমাদের অনেকের মধ্যে আলস্য এসেছে। দলের মধ্যে সুবিধাবাদীদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। আজকে আমাদেরকে ভাবতে হবে, আমরা কিভাবে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবো। আমি দেখতে পাই নেতা আসলে বিপুল শ্লোগান হয়, সেলফি তোলার জন্য প্রতিযোগিতা হয়, কিন্তু সেই ছবি তুলে শুধু ফেসবুকে দেয়া ছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অন্য কাজ করতে আমি দেখিনা।’ নিজেকে  আওয়ামী লীগের মাইকিং করা কর্মী উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম  অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রায় ৭ কোটি মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে। প্রায় সাড়ে ১২ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিরূপ সমালোচনা হয়, তখন তার প্রতিবাদে আমাদের নেতা-কর্মীদের যেভাবে সরব হওয়া দরকার, সেটি হতে দেখিনা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড গুলো তুলে ধরার জন্য তরুণ নেতাদের অনুরোধ জানিয়ে ড. হাছান বলেন, গ্রামীণ জনপদে অনেক রাস্তাঘাট-কালভার্ট নির্মাণ হয়েছে। সেখানে ১৩ বছর আগে কি ছিল, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের কারণে আজ কি হয়েছে, সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের ধর্ম সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সংসদের চীপ হুইপ আবু সাঈদ মাহমুদ স্বপন ও সংসদ সদস্য মোস্তফিজুর রহমান, নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও ওয়াসিকা আয়েশা খান প্রমুখ।

অর্থনীতিতে ‘অশনি সংকেত’ দেখছে বিএনপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সূচক পর্য়ালোচনায় বর্তমান অর্থনীতিতে ‘অশনি সংকেত’ দেখছে বিএনপি।

বুধবার (১৮ মে) বিকালে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত জানাতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান যে অর্থনৈতিক অবস্থা যেটাকে আমি মনে করি এটা হচ্ছে এলার্মিং, এটা অশনি সংকেত আমাদের জন্য।

‘অদূর ভবিষ্যতে আমরা যে শ্রীলংকার মতো বিপদে পড়তে পারি তার আশঙ্কাও আমাদের মধ্যে (স্থায়ী কমিটি) করা হয়েছে এবং সেই আশঙ্কা এখন আছে এবং এটাকে বাস্তবভিত্তিকই বলা যেতে পারে।'

গত ১৬ মে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পর্য়ালোচনা করে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে তা সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক ধরনের অস্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, রুপ্তানি এবং রেমিট্যান্স আয়ে ঘাটতির কারণে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে বড় ধরনের সমস্যা হচ্ছে। টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের দাম বৃদ্ধিসহ নানা কারণে অসহনীয় হয়ে উঠেছে জিনিসপত্রের দাম। মনে হচ্ছে আগামী দিনে পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে উঠবে।

‘রিজার্ভ নিয়ে আত্মতুষ্টির কিছু নেই। এটি দ্রুত কমে আসছে। গত আট মাসে রিজার্ভ ৪৮ বিলয়ন ডলার থেকে ৪২ বিলিয়ন ডলারে নেমে গেছে। পরের দুই মাসে এটা আরো ৪ বিলিয়ন ডলার কমে যাবে। এভাবে যদি রপ্তানির তুলনায় আমদানি বাড়তে থাকে এবং সেটা যদি রেমিট্যান্স দিয়ে পুরণ করা না যায় তাহলে অতি দ্রুত বাংলাদেশ ব্যাংকে রিজার্ভ শেষ হয়ে যাবে। রিজার্ভ শেষ হওয়ায় কি ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে শ্রীলংকার চলমান পরিস্থিতি তার নিকৃষ্টতম উদাহরণ।'

বাংলাদেশে এই মুহূর্তে যে রিজার্ভ রয়েছে তা দিয়ে মাত্র পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আমদানি ব্যয় আমাদের বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। আমদানি যে হারে বেড়েছে, রপ্তানি যে হারে বাড়েনি। আবার প্রবাসী আয়ও কমে গেছে। ফলে প্রতি মাসে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ‘এলার্মিং’ অবস্থায় উল্লেখ করে অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষক মির্জা ফখরুল বলেন, আইএমএফের সুপারিশ মোতাবেক সঠিক নিয়মে রিজার্ভ হিসাব করলে বর্তমানে বাংলাদেশের রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার। বাস্তবিকভাবে আইএমএফ প্রনীয় নিয়মে রিজার্ভ হিসাব করা হলে বাংলাদেশের হাতে আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে মাত্র সাড়ে তিন মাসের। যা একেবারেই অশনিসংকতে।

বর্তমান এই অবস্থা থেকে দেশকে রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটি মনে করে বর্তমান বিভীষিকাময় অর্থনৈতিক নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতার জন্য জবাবদিহিহীন এই অবৈধ সরকারই দায়ী। দেশকে রক্ষার জন্য, মানুষকে বাঁচানোর জন্য, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এই মুহূর্তে সার্বজনীন ঐক্যের মাধ্যমে রাজপথে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলে অনতিবিলম্বে এই সরকারকে হটানোর বিকল্প নাই।

;

‘শেখ হাসিনাকে সরানো সহজ নয়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
জনসমাবেশ

জনসমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে আয়োজিত এক জনসমাবেশে বক্তারা বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন বলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়েছেন। তাই দেশের মানুষ শেখ হাসিনার সঙ্গেই থাকবেন। শেখ হাসিনা এক শান্তির প্রতীকের নাম। তাকে সরানো সহজ ব্যাপার নয়।

রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নগরীর বাটার মোড় এলাকায় মঙ্গলবার (১৭ মে) বিকালে এ জনসমাবেশের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন প্রয়োজন মনে করে তখনই রাস্তায় শত সহস্র মানুষের ঢল নামাতে পারে। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে এই কর্মসূচি সেটি আবার প্রমাণ করেছে।

লিটন বলেন, বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়ে অভিমানে তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশে না-ও ফিরতে পারতেন। বলতে পারতেন- গেলাম না দেশে। কিন্তু তারা তা করেননি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের দেশ গড়তে তারা ফিরে এসেছেন। বলেছিলেন, জীবন দিয়ে হলেও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করব। এখন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সেসব স্বপ্নই পূরণ করছেন।

জনসমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন দলের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যখন অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে গণতন্ত্র কেড়ে নিলেন, তখন আলোর দিশারী হয়ে দেশে ফিরেছিলেন শেখ হাসিনা। তিনি ফিরেছিলেন বলে দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে। বঙ্গবন্ধু-জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার হয়েছে। দেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে।

নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালের সভাপতিত্বে এই জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়েব উদ্দিন লাভলু ও মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বেগম আখতার জাহান, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার, সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারা ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মুনসুর রহমান, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আদিবা আনজুম মিতা, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিনাতুননেসা তালুকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু, নগরের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, জেলার সদস্য ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্না প্রমুখ। জনাকীর্ণ এই সমাবেশে জেলা ও মহানগরের সকল ইউনিটের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

;

‘শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন বলেই অর্থনীতিতে মুক্তি লাভ করেছি’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের এই দিনে স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে বাংলাদেশে পা রাখেন। ওই দিন এখন স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে। এক পাশে আমি, অপর পাশে রাজ্জাক ভাই। নেত্রী বললেন, ক্ষমতার জন্য আসিনি। দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এসেছি। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তায়িত হচ্ছে। এটাই আমাদের বড় পাওয়া।

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা দেশে এসেছিলো বলেই বাংলাদেশ আজ অর্থনীতিতে মুক্তি লাভ করেছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন অনেক দূর এগিয়ে গেছে; সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন স্বাধীন বাংলাদেশ হবে মর্যাদাশালী, ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা। আমরা সেই পথেই বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছি। ইনশাল্লাহ্ বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন পূরণ হবে। এটাই শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে আমাদের প্রত্যাশা।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দোস্ত মাহামুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ভোলা সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জুলফিকার আহমেদ, আশরাফ হোসেন লাবু, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক আরজু , জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, ভোলা সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুসসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

;

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে ফখরুল

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে ফখরুল

  • Font increase
  • Font Decrease

অসুস্থ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও আহত নাটোর জেলা ছাত্র নেতৃবৃন্দকে দেখতে হাসপাতালে যান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে শ্যামলী স্পেশালাইজ হাসপাতালে অসুস্থ মির্জা আব্বাসের চিকিৎসকের কাছে থেকে শারীরিক অবস্থা বিষয়ে খোঁজ নেন মির্জা ফখরুল। সে সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

গত ১৪ মে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে আওয়ামী লীগের হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হন নাটোর জেলা ছাত্র নেতা এস এম মোস্তফা আনাম ও শরিফুল ইসলাম সুমন। বর্তমানে তারা শ্যামলী পুঙ্গ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব।

এছাড়া সোমবার (১৬ মে) বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে অসুস্থ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর আব্দুল মঈন খানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে যান বিএনপি মহাসচিব।

;