প্রয়োজনে জান দিতে হবে: নজরুল ইসলাম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রয়োজনে জান দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

রোববার (১৫ মে) দুপুরে ডিআরইউ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আবদুল মতীনের ২৭তম মৃত্যুবাষির্কীতে 'নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই' শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে লেবার পার্টি।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, যখন কোন ক্ষমতাসীন দল যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় থাকতে চায় ৷ ক্ষমতায় থাকার জন্য যেকোন শর্তে, যে কোনো আপোসে, যেকোনো ষড়যন্ত্রে রাজি আছে। তখন তাকে সরানোর জন্য সংগ্রাম ছাড়া কোন উপায় থাকে না। তাকে আলোচনার মাধ্যমে, যুক্তি দিয়ে তো বোঝাতে পারবেন না। কারণ তারা জানে যে তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেনি এবং ভবিষ্যতে যদি নির্বাচন হয় তাহলে তারা ক্ষমতায় আসতে পারবে না।

বাংলাদেশের জনগণের ওপর একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ৯০ ভাগ মানুষ নির্দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন চায়। ৮৫ ভাগ মানুষ মনে করে দেশের অবস্থা ভালো না। এই গবেষণা যদি এখন কেউ করে তাহলে দেখবেন ৯০ ভাগ এখন ৯৫-৯৬ হয়ে গেছে। কিন্তু তারপরও কি শুনবে এই সরকার? না। শুনবে না।

তিনি বলেন, কেউ যদি মনে করে এখন যে রাজনীতি চলছে এটাই রাজনীতি। এর আগে বাংলাদেশে কিছু হয়নি তাহলে ভুল। এই সরকার আসার পর থেকে আমরা লড়াই লড়াই বলছি, আন্দোলনটাকে জিয়ে রেখেছি। এটা যদি না করতাম তাহলে কি চাইলেই এখন আন্দোলন করতে পারতাম? দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন সংগ্রাম করছি তার একটা গুরুত্ব আছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, লড়াইয়ে ময়দানে প্রমাণ হবে কে কত বড় লিডার। মুখ দিয়ে দেশ উদ্ধার করা যাবে না। মুখের কাজ না। প্রয়োজনে জান দিতে হবে। গুলি খেতে হবে। মার খেতে হবে। আমাদের অনেক নেতা নিহত হয়েছেন, খুন হয়েছেন, গুম হয়েছেন। কিন্তু তারা আন্দোলনের মাঠে ছিলেন। সবাইকে নিয়ে আন্দোলন করতে হবে বলেও জানান তিনি।

'অনেক বলে আমরা ঘরের মধ্যে মিটিং করি। আমাদের ঘরে মিটিং করা দোষ? আমরা না হয় ঘরে মিটিং করি। আপনাদের বাইরে যেতে নিষেধ করছে কে? আপনারা কিছু করবেন না। অন্যরা কিছু করলে তাদের সমালোচনা করবেন। সমালোচনার অধিকার আছে আপনাদের?'

'বিএনপি নেতাদের পদত্যাগ করা উচিত'- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমন মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, আপনারা ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে ছিলেন। পদত্যাগ করেছিলেন? আমাদের পদত্যাগ করার কথা বলার উনি কে? বিএনপি তো সেই দল যাদেরকে ১৯৮২ সালে জোর করে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। আন্দোলন সংগ্রাম করে ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসে। এটা ইতিহাস।

লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন দলটির মহাসচিব লায়ন ফারুক রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ওবায়দুল কবির, গণ-অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নূর, কৃষক দলের লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগরে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।

শনিবার (১৪ মে) রাতে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এ ছাড়া নতুন কমিটির জন্য জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।

একই সঙ্গে জেলা ছাত্রলীগ ঘোষিত সদর উপজেলা, নোয়াখালী পৌরসভা ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ ও সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ, সেনবাগ উপজেলা, সেনবাগ পৌরসভা ও সেনবাগ কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত জেলায় দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতৃবৃন্দের কাছে জমা দিতে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা সশরীরে নোয়াখালী গিয়ে জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করবেন।

এর আগে, গত ১ মে ঘোষিত সেনবাগ উপজেলা কমিটি, পৌর শাখা কমিটি, কলেজ শাখা কমিটি এবং ১১ মে নোয়াখালী সদর উপজেলা কমিটি, নোয়াখালী পৌর শাখা কমিটি, নোয়াখালী সরকারি কলেজ ও সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ শাখা কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, গত ১ মে ও ১১ মে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে পকেট কমিটি ঘোষণা করে। এ নিয়ে বিদায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে জুতা মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে পদ বঞ্চিত একাংশের নেতাকর্মীরা।

জেলা ছাত্রলীগের বিদায়ী কমিটির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরমান ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত আদনান নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এ বিষয়ে জানতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আরমান ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত আদনানের মুঠোফোনে কল করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাই তাদের বক্তব্য যায় নি।

নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন বলেন,অচিরেই ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র মেনে জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

;

কিভাবে পালাবেন সেই পথ খুঁজুন, বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বিএনপি নেতারা কিভাবে পালাবেন, সেই পথ খোঁজার জন্য তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

শনিবার (১৪ মে) চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এই আহবান জানান।।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যারা শ্রীলঙ্কার তুলনা বাংলাদেশে দেয়, তারা অনেক আগেই শ্রীলঙ্কার মতো পালিয়েছেন। কেননা আজকের শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতিতে তারাও পড়েছিলেন, তাই তারা এসব কথা বলছেন।   শ্রীলঙ্কার নেতারা এখন যেভাবে পালাচ্ছেন, বিএনপির নেতারাও সেভাবে আগেই পালিয়ে গেছেন। তারেক রহমান ‘আমি আর রাজনীতি করবো না’ মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন। ঢাকায় তাদের নেতা মাহবুবুর রহমানকে তাদের দলের নেতাকর্মী ও সাধারন জনগণ ধাওয়া করেছিল, জুতা নিক্ষেপ করেছিল। ৮০ সালে জিয়াউর রহমান যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যান তখন তাকেও ধাওয়া করা হয়েছিল। এখন আপনারা নিজেরা কিভাবে পালাবেন সেই পথ খুঁজুন।’

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি’র সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমানের পরিচালনায়  তৃণমূলের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য  ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন,  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভীসহ বিএনপি নেতারা পদ্মা নদীর ওপারে কীভাবে যাবেন তিনি তা দেখার অপেক্ষায় আছেন। তারা কি গাড়িতে চড়ে পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে যাবেন, নাকি আওয়ামী লীগের নৌকায় চড়ে ওপারে যাবেন, তিনি সেটি দেখার অপেক্ষায় আছেন বলে উল্লেখ করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন,  ‘আমাদের সরকার যখন পদ্মা সেতু করছিল, তখন বিএনপি দেশে গুজব ছড়িয়েছিলো যে, পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে মানুষের মাথা লাগবে।’  আবার সরকার যখন ভারত থেকে করোনা টিকা নিয়ে এসে, দেশের মানুষকে দেয়া শুরু করলো। তখন বিএনপি গুজব ছড়ালো যে, ঐ টিকা কাজ করে না। রিজভী সাহেব বক্তব্য দিলেন, আমাদের করোনা টিকা অকেজো। পরে তিনি লুকিয়ে লুকিয়ে টিকা ঠিকই নিয়েছিলেন। আমাদের চট্টগ্রামের ডা. জাফরুল্লাহও কথা বলেছিলেন টিকা নিয়ে। পরে তিনিও লজ্জা ভেঙে টিকা নেন এবং বলেন, ‘আমার আরাম লাগছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বলেন, তৃণমূল হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রাণ। জন্মলগ্ন থেকে তৃণমূলের নেতারাই এ দলকে টিকিয়ে রেখেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে নানা সমস্যা নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। অনেক নেতা দ্বিধান্বিত ও বিচলিত হয়েছেন, অনেক নেতা দল ত্যাগ করেছেন, মূল নেতৃত্বের সাথে বেঈমানি করেছেন। কিন্তু তৃণমূল কখনো আওয়ামী লীগের সাথে বেঈমানী করে নাই। হাছান মাহমুদ বলেন,‘ আমরা আজকে প্রায় সাড়ে ১৩ বছর ক্ষমতায়, এতদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে আমাদের অনেকের মধ্যে আলস্য এসেছে। দলের মধ্যে সুবিধাবাদীদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। আজকে আমাদেরকে ভাবতে হবে, আমরা কিভাবে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবো। আমি দেখতে পাই নেতা আসলে বিপুল শ্লোগান হয়, সেলফি তোলার জন্য প্রতিযোগিতা হয়, কিন্তু সেই ছবি তুলে শুধু ফেসবুকে দেয়া ছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অন্য কাজ করতে আমি দেখিনা।’ নিজেকে  আওয়ামী লীগের মাইকিং করা কর্মী উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম  অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রায় ৭ কোটি মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে। প্রায় সাড়ে ১২ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিরূপ সমালোচনা হয়, তখন তার প্রতিবাদে আমাদের নেতা-কর্মীদের যেভাবে সরব হওয়া দরকার, সেটি হতে দেখিনা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড গুলো তুলে ধরার জন্য তরুণ নেতাদের অনুরোধ জানিয়ে ড. হাছান বলেন, গ্রামীণ জনপদে অনেক রাস্তাঘাট-কালভার্ট নির্মাণ হয়েছে। সেখানে ১৩ বছর আগে কি ছিল, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের কারণে আজ কি হয়েছে, সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের ধর্ম সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সংসদের চীপ হুইপ আবু সাঈদ মাহমুদ স্বপন ও সংসদ সদস্য মোস্তফিজুর রহমান, নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও ওয়াসিকা আয়েশা খান প্রমুখ।

;

ঈদের সময়ও শান্তিতে থাকতে পারিনি: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ঈদের সময়ও শান্তিতে থাকতে পারিনি: রিজভী

ঈদের সময়ও শান্তিতে থাকতে পারিনি: রিজভী

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ঈদের সময়েও আওয়ামী লীগ বিএনপির নেতাকর্মীদের শান্তিতে থাকতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘এ দেশের জনগণ ভালো নেই। বর্তমান ভয়াবহ দুঃশাসনের মধ্যে ভালো ধাকবেন কী করে? কেউ ভালো নেই। ঈদের সময়ও আমাদের শান্তিতে থাকতে দেয়নি। ঈদের মাঝেও আমাদের অনেক নেতার বাড়িতে হামলা করেছে আওয়ামী দুস্কৃতিকারীরা।’

রোববার বিকালে রাজশাহী জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজশাহী নগরীর ভুবন মোহন পার্কে এ সমাবেশ হয়। সরকারের উদ্দেশ্যে রিজভী বলেন, ‘আবার যদি ২০১৪ সালের মত প্রতিদ্বন্দ্বীহীন নির্বাচন করেন, আবার যদি ২০১৮ সালের মত নিশিরাতের নির্বাচন করেন তাহলে জীবজন্তু আওয়ামী লীগের নেতাদের মাংস খেয়ে ফেলবে। এ জন্য আপনাদের সাবধান করলাম।’

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈসা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা কবির হোসেন, দলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চিত্রনায়ক উজ্জ্বল, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল। পরিচালনা করেন সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার।

;

‘বিএনপির জাতীয় ঐক্যের ডাক জনগণের সঙ্গে তামাশা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির জাতীয় ঐক্যের ডাক জনগণের সঙ্গে নতুন তামাশা বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (১৪ মে) সকালে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তার বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে বলেন, যারা নিজ দলের চেয়ারপারসনের মুক্তির জন্য দেখার মতো একটা মিছিল পর্যন্ত করেতে পারেনি, তাদের মুখে সরকার পতনের আন্দোলনের কথা মানায় না। আগে নিজ দলে ঐক্য ফিরিয়ে আনুন।

তিনি বলেন, আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থতার দায়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপ দিয়ে ভাসতে ভাসতে এখন শ্রীলঙ্কা দ্বীপে পৌঁছেছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এসেছিলেন বলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন অর্জনে বিশ্বের বিস্ময়। প্রতিটি সংকট ও দুর্যোগে দক্ষতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়ে শেখ হাসিনা সফলতা অর্জন করেছেন।

বাংলাদেশ ঋণগ্রস্ত নয়, বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকেও ঋণ দিয়েছে, বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে যাবে, বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ খুশি থাকলে মির্জা ফখরুলদের মন খারাপ হয়ে যায়। ভালো লোকদের দলে টানুন আর খারাপদের দল থেকে বের করে দিন।

আওয়ামী লীগ করে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছে যারা তাদের চিহ্নিত করে দল থেকে বের করে দিন, সম্প্রতি ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিবের টিপ্পনীর জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে কেউ অপকর্ম করলে রেহাই পায় না, শাস্তি পেতে হয়, বিএনপির আমলে এমন একটাও নজির নেই যে, তারা শাস্তি দিয়েছে।

ঐতিহাসিক নোমানি ময়দানে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আ ফ ম আবদুল ফাত্তাহর  সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, আবদুর রহমান,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক।

;