সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

কর্তৃত্ববাদী সরকারের সামনে প্রশাসন বা সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো অসহায় হয়ে পড়ে। তাই কর্তৃত্ববাদী সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি।

শনিবার (২০ মে) দুপুরে জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোকিত মানুষ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নাজমিন সুলতানা তুলির নেতৃত্বে একদল নারী উদ্যোক্তা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের হাতে ফুল দিয়ে দলটিতে যোগ দেন।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ইতিমধ্যেই সরকার প্রধান ঘোষণা করেছেন আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। সবগুলো আসনে ইভিএম-এ ভোট গ্রহণ না করলেও, যে সকল আসনে সরকার দলীয় প্রার্থীরা প্রকাশ্যে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না সেখানে হয়তো ইভিএম-এ ভোট গ্রহণ চলবে। জাতীয় পার্টি প্রহসনের নির্বাচন চায় না। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলকে আলোচনার জন্য ডাকা হলে, আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সংলাপে অংশ নেবো।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশে উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থা চালু করেছে। উপনিবেশিক আমলে মানুষকে শোষণ করতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হতো। প্রশাসকদের জবাবদিহিতা থাকতো শুধু সরকারের কাছে, কারণ সাধারণ মানুষের কাছে প্রশাসকদের কোন জবাবদিহিতা থাকে না। বর্তমানে দেশে গণতন্ত্রের ছিটেফোঁটাও নেই। সকল ক্ষেত্রে প্রসাশক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, রাজনীতিবিদদের কোন কর্তৃত্ব নেই। তাই দেশের জনগণের কাছে কারো জবাবদিহিতা নেই।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির আদর্শগত পার্থক্য থাকলেও, চরিত্রগত কোন পার্থক্য নেই। দল দুটি দুর্নীতি, দুঃশাসন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দলবাজি করে মানুষের মাঝে বিভেদ তৈরি করেছে। তারা বারবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে দেশের মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। দেশের মানুষের কোন অধিকার নেই, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নেই। হাসপাতালের জন্য বড় বড় ভবন তৈরি হচ্ছে, কিন্তু হাসপাতালে ডাক্তার নেই, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হচ্ছে, কিন্তু সেখানে লেখাপড়া নেই, ছাত্রদের শুধু পাশ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোন উদ্যোগ নেই। অভিযোগ আছে জাতিকে ধ্বংস করতে মাদক বিস্তারে ক্ষমতাশীনরা জড়িত।

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। গেলো তিন বছরে মানুষের ব্যয় বেড়েছে ৪০ শতাংশ, কিন্তু আয় বাড়েনি। আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কারণে দেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায় না। মন্ত্রীরা যা বলেন, তা সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন না। মন্ত্রীরা দেশের মানুষকে সম্মান দিয়ে কথা বলতে জানেন না। আবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বিএনপিকেও বিশ্বাস করেন না সাধারণ মানুষ। দুটি দলের বিকল্প হিসেবে জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায় দেশের মানুষ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, এডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের এমপি, নাজনীন সুলাতানা, মাসরুর মওলা, ভাইস চেয়ারম্যান শফিউল্লাহ শফি, মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল আহসান শাহজাদা, আব্দুল হামিদ ভাসানী, মো. বেলাল হোসেন, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য এনাম জয়নাল আবেদীন, হুমায়ুন খান প্রমুখ।

‘গণতন্ত্রের প্রশ্নে সরকার কখনই মাথা নত করবে না’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
'গণতন্ত্রের প্রশ্নে শেখ হাসিনা সরকার কখনই মাথা নত করবে না'

'গণতন্ত্রের প্রশ্নে শেখ হাসিনা সরকার কখনই মাথা নত করবে না'

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক বাবু সুজিত রায় নন্দী বলেছেন, শান্তি, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার কখনই অশুভ শক্তির কাছে মাথা নত করবে না।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিকালে রাজধানীর গুলশান লেকশোর হোটেলে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল (ডিআই) কর্তৃক আয়োজিত তরুণ নেতৃত্ব গঠন ফেলোশিপ প্রোগ্রামে তিনি এসব কথা বলেন।

সুজিত রায় নন্দী বলেন, গত ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। পদ্মা সেতু আমাদের মর্যাদার প্রতীক, সক্ষমতার প্রতীক, সাহসিকতার প্রতীক। এর সফল নায়ক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অশুভ শক্তি মেনে নিতে পারছে না। দেশে তারা মাথা চাড়া দিয়ে দাঁড়াতে পারেনি শুধু মাত্র শেখ হাসিনার কারণে। সন্ত্রাসীদের কোনো জায়গা বাংলাদেশে হবে না। বাংলাদেশ হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার গণতান্ত্রিক দেশ।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক বলেন, রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিযোগিতা থাকবে কিন্তু প্রতিহিংসা নয়। আমরা কেউ হিংসাত্মক মনোভাব পোষণ করব না। মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করেই কাজ করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল পার্টির প্রধান ডানা ওল্ডস, ক্রিস্টিন ওয়াল, ডিরেক্টর অফিস অফ ডেমোক্রেসি, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড গভর্নেন্স, ইউএসএআইডি, লেসলি রিচার্ডস,ডেপুটি চিফ অফ পার্টি, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদনান এমপি, বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন।

;

সুইচ গেটগুলো খুলে অপরাধ করেছে ভারত: জাফরুল্লাহ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

গজলডোবার সব সুইচ গেটগুলো খুলে দিয়ে ভারত আন্তর্জাতিক অপরাধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ভারতের অন্যায় হলো গজলডোবার সব সুইচ গেটগুলো আমাদেরকে না জানিয়ে অতর্কিত খুলে দেয়া। এইটা একটা রাজনৈতিক অপরাধ করেছে তারা। এটা আন্তর্জাতিক অপরাধ।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বন্যা, খরা ও পরিবেশ বিপর্যয় রোধে সরকারের ব্যর্থতা ও উদাসীনতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন। গণঅধিকার পরিষদ এই সমাবেশের আয়োজন করে।

বাজেট প্রসঙ্গে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আজকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে ভুলটা করছেন আমাদের বোকা বানাচ্ছেন। একটা বাজেট করেছেন সেখানে একটা শব্দ নেই- কীভাবে গণতন্ত্র আসবে। কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। উনারা এইটা দখল করে রাখবে। প্রতিটা ক্ষেত্রে ভুল। এখানে ক্ষুদ্র খামারি- শ্রমিক তার জন্য কোন বরাদ্দ নাই। তার চাইতেও বড় কথা, বাংলাদেশে ১২-১৩ লাখ রোহিঙ্গা এসেছিলো। এখন হয়ে গেছে ২৫ লাখ। আগামী ১০ বছরে এইটা আরও বাড়বে, তার জন্য কোন বরাদ্দ নাই।

জাফরুল্লাহ বলেন, আমাদের অধিকার ফেরত দিতে বাংলাদেশকে ১৫ থেকে ১৭টা প্রদেশে ভাগ করতে হবে। তাহলে দেখা যাবে এখানে যারা উপস্থিত আছে তাদেরও দু একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাবে। তারা মুখ্যমন্ত্রী হলে নতুনত্ব দিবে। আমাদের সততা আনবে, উদাহরণ সৃষ্টি করবে। ঘুষ কমাবে, দুর্নীতি কমাবে। তোমরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তোমাদের এই ভবিষ্যতের বিজয় পথে আমি তোমাদের সঙ্গে আছি।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খানসহ অনান্য নেতারা।

;

‘দমন-পীড়ন নয় বরং গণতান্ত্রিক অধিকারে বিশ্বাস করে সরকার’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বর্তমান সরকার দমন-পীড়ন নয় বরং সকল দল- মতের নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক অধিকারে বিশ্বাস করে।

বুধবার (২৯ জুন) এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও দুরভিসন্ধিমূলক বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে একথা বলেন তিনি।

বিরোধী দল দমনে সরকার নাকি হিংস্র রূপ ধারণ করেছে, - মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের তার বিবৃতিতে বলেন, তার এমন অভিযোগের মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়েছে - বিএনপি চিরাচরিত মিথ্যাচারের অপরাজনীতি থেকে এখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি।

বিএনপি মহাসচিবের উপস্থিতিতে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতারা বিভিন্ন রাজনৈতিক সমাবেশে ‘৭৫ এর হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার’ স্লোগানের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়ে বক্তৃতা প্রদান করেছে, এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও ফৌজদারি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করার পরও বিএনপি নেতাদের দমনে হিংস্র আচরণ তো দূরের কথা সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলেও জানান কাদের।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাদের এমন উসকানিমূলক বক্তব্যের পরও আওয়ামী লীগ সহনশীল আচরণ করেছে।

বিএনপি নেতারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে ব্যর্থ হয়ে এবং তাদের দেশবিরোধী ধ্বংসাত্মক রাজনীতির কারণে জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়ে প্রলাপ বকতে শুরু করেছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাদের ব্যর্থতা ও হতাশা ঢাকতে সরকারের বিরুদ্ধে কল্পিত নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ তুলছে।

দেশে নাকি সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে, - বিএনপি মহাসচিবের এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল একদিকে বলছেন দেশ সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে বলেন বিরোধী মতের উপর দমন-পীড়ন হচ্ছে, বিএনপি মহাসচিবের এই দ্বিচারিতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

বিএনপি মহাসচিব রাজনৈতিক বক্তব্যের আড়ালে এসকল সন্ত্রাসীদের রক্ষা করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছেন উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশ যখন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে বিশ্বের রোল মডেল হিসেবে অনন্য মর্যাদায় অভিষিক্ত তখন মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন বক্তব্য দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের শামিল।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীররা আজ সন্ত্রাসের কথা বলেন, বলেন বিরোধী দল দমনের কথা, - অথচ বিরোধীদল দমন-পীড়ন ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় রাজনৈতিক সন্ত্রাস সৃষ্টির মধ্য দিয়েই ইতিহাসের কুখ্যাত স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান বিএনপি নামক রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেছিলো।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির শীর্ষ নেতা বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের যে বিষবৃক্ষ রোপিত হয়েছিলো, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাহসী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই সমূলে তার মূলোৎপাটন ঘটেছে।

;

মকারির নির্বাচনে বিএনপি যাবে না: টুকু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচনে অংশ নিবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল মাহমুদ টুকু বলেছেন, এই সরকারের অধীনে আগে একবার নির্বাচন হয়েছিল আমরা সেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। আমরা বিশ্বাস করে সেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম কিন্তু তারা দিনের ভোট রাতেই শেষ করে দিয়েছে। এখন ইভিএম, ইভিএম করছে। অর্থাৎ রাতের বেলা সিল মারতে হবে না দিনের বেলা ঘরে বসেই সব ভোট নিয়ে নিতে পারবে। এরকম মকারির নির্বাচনে মধ্যে আমরা যাব না।

বুধবার (২৯ জুন) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। যুবদলের নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে মাজার জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

টুকু বলেন, যতক্ষণ একটি নিরপেক্ষ সরকার না আসবে বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশ নিবে না। বিএনপি একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচন করতে চায়।

তিনি বলেন, বিএনপি দেখিয়ে দিয়েছে গণতন্ত্র কাকে বলে। বেগম খালেদা জিয়া পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিয়েছিল। সেই নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপি পরাজয় বরণ করেছিল। এটাকেই বলে আসল গণতন্ত্র। এই সরকারের যদি সৎ সাহস থাকে তাহলে তারা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে আসুক। আমরা যদি পরাজয় বরণ করি করব। তবে খেলাটা ফেয়ার হতে হবে।

সিইসির চারদিনে ভোট করার প্রস্তাব সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপির নীতিনির্ধারক বলেন, তিনি হাইব্রিড কিনা জানিনা আবার তিনি চার দিনে কেনো নির্বাচন করতে চান সেটাও জানি না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জন্মের আগে থেকেও আমরা একদিনেই ভোট করি। চার দিনে ভোট করার মানে হলো ভোটগুলো এনে ডিসি অফিসে রাখা, আর ডিসি অফিসকে কেউ বিশ্বাস করে না। সুতরাং এটি বাংলাদেশ হবে না।

এসময় বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, বর্তমান সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্না, সিনিয়র সহ সভাপতি মামুন হাসান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মিল্টন, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

;