খালেদা জিয়াকে টুস করে ফেলে দেয়ার প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির সমাবেশ

বিএনপির সমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

'পদ্মা সেতুতে নিয়ে খালেদাকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত’- প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যকে খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকি বলে মনে করছে বিএনপি। এই বক্তব্যের প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে দলটি।

সোমবার (২৩ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ১০টায় এ সমাবেশে শুরু হয়। দুপুর ১টার দিকে সমাবেশ শেষ হয়। এতে ৫ থেকে ৬ হাজার নেতাকর্মীর সামবেশ ঘটে।

এসময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমি নিন্দা ও ধিক্কার জানাই প্রধানমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের জন্য, যিনি খালেদা জিয়াকে টুস করে পদ্মা থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। আজকে সমস্ত দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে ধিক্কার ও নিন্দা জানাচ্ছে। কোনও সভ্য এবং গণতান্ত্রিক সমাজে এই ধরণের ভাষা ব্যবহার করা যায় না।

প্রধানমন্ত্রী কেন এই ধরণের বক্তব্য দিয়েছে প্রশ্ন রেখে বিএনপির মহাসচিব বলেন, তিনি এখন নার্ভাস হয়ে গেছেন। তিনি দেখতে পাচ্ছেন তার ক্ষমতার দিন শেষ। তিনি দেখছেন পাচ্ছেন, সামনে আর ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। তার… টলমল হয়ে গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু করার বড়াই করছেন বলে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, পদ্মা সেতু আপনার একার না, আওয়ামী লীগের পৈত্রিক সম্পতিও না। জনগণের পকেট থেকে যে ট্যাক্স কেটে নিয়েছেন, সেই টাকা দিয়ে করেছেন। এখানে যে দুর্নীতি করেছেন, তা আপনাদের সমস্ত দুর্নীতির সীমা ছাড়িয়ে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণ জানতে চায়, পদ্মা সেতুর জন্য মানুষের কত টাকা কেটে নিয়েছেন। জাতির কত টাকা আপনারা এই পদ্মা সেতুতে ব্যয় করেছেন। আর কত টাকা নিজেদের পকেটে ভরেছেন।

আজকে আওয়ামী লীগ উন্নয়ন-উন্নয়ন করে চিৎকার করছে উল্লেখ করে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিসের উন্নয়ন করেছেন, কার উন্নয়ন করেছেন? উন্নয়ন তো করেছেন পি কে হালদারের। উন্নয়ন করেছেন শিক্ষামন্ত্রীর ভাইয়ের, বেয়াই মোশাররফের ভাইয়ের। আর আপনারা যারা ক্ষমতায় আছেন, তাদের প্রত্যেকের। তারা এই দেশেকে একটা লুটপাটের রাজত্ব তৈরি করেছেন। জনগণের কোনও উন্নয়ন হয় না।

প্রধানমন্ত্রী নিজেকে একটা দুর্গের মধ্যে বন্দী করে রেখেছেন বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনি তো স্বেচ্ছায় নিজেকে-নিজে বন্দী করে রেখেছেন। আপনি তো জনগণকে ভয় পান। জনগণের সামনে আসেন না। জনগণের সামনে আসলে তাদের ভাষা বোঝতে পারতেন। তারা কি বলতে চায় তা বোঝতে পারতেন।

আওয়ামী লীগ দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে বলে দাবি করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, প্রত্যেক দিন অর্থনীতিবিদরা বলছেন- বাংলাদেশের অর্থনীতি রসাতলে যাচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছেন। প্রত্যেক দিন খবরের কাগজ খুললে দেখা যায়, লুটপাট হচ্ছে। আর এর সঙ্গে জড়িত সরকারি দলের লোকেরা।

তিনি আরও বলেন, আপনি খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকি দেন। তিনি হচ্ছেন সেই নেত্রী, যিনি সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। যিনি কোন দিনও নির্বাচনে পরাজয় বরণ করেনি।

খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, তাকে এখন যদি উন্নত চিকিৎসা দেওয়া না হয়, তাহলে তার জীবন হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। আমরা বারবার বলেছি, তাকে মুক্তি দেন। তাই আজকে এখান থেকে দাঁড়িয়ে আহ্বান ও দাবি জানাতে চাই, এখনও সময় আছে তাকে মুক্তি দেন। বিদেশে যাওয়ার সুযোগ দেন। আমাদের ৩৫ লাখ নেতাকর্মীদের যে মামলা আছে, তা তুলে নিন। যারা কারাগারে আছে তাদেরকে মুক্তি দেন।

বানবাসী মানুষের পাশে নেই সরকার: আমান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বানবাসী মানুষের পাশে নেই সরকার

বানবাসী মানুষের পাশে নেই সরকার

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা কবলিত অসহায় বানবাসী মানুষের পাশে সরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমান উল্লাহ আমান।

শনিবার (২৫ জুন) নেত্রকোনা জেলা বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এদিন সকালে আমান উল্লাহ আমান ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ কয়েকজন নেতৃবৃন্দ ত্রাণ নিয়ে নেত্রকোনায় পৌঁছান। সেখানকার দলীয় নেতৃবৃন্দরা স্বাগতম জানান।

নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার পদমশ্রী এ ইউ খান হাইস্কুল মাঠ, গোবিন্দশ্রী ইউনিয়ন; খালিয়াজুরী উপজেলার খালিয়াজুরী কলেজ ও হাইস্কুল মাঠ; মোহনগঞ্জ উপজেলার পাইকুড়া বাজার, তেতুলিয়া ইউনিয়ন; বারহাট্টা উপজেলা বালীজুরী প্রাইমারী স্কুল, সাওতা ইউনিয়ন এবং নেত্রকোণা সদর উপজেলার মানিকপুর ঈদগাহ মাঠ, আমতলা ইউনিয়নের বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

এ সময় আমান বলেন, ভয়াবহ বন্যায় লাখো মানুষ কষ্টে আছেন। অর্ধাহারে, অনাহারে, বিনা চিকিৎসায় তারা কাতর হয়ে আছেন। অথচ সরকারের সেদিকে কোনো নজর নাই। একদিকে বন্যার্তদের চোখের পানি অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মেতে উঠেছেন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন নিয়ে। কোটি কোটি টাকা এই উৎসবের নামে অপচয় করা হলেও বন্যার্তদের পাশে নেই তারা।

;

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী এড়াতে ব্যাংককে জিএম কাদের!



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি পদ্মা সেতুর উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠান এড়াতে বিদেশ সফরে গেছেন বলে দলীয় একাধিক সূত্র দাবি করেছেন। দেশে থাকলে নানা রকম প্রশ্ন উঠতে পারে তাই এই কৌশল বলে অনেকে মনে করছেন।

তারা মনে করছেন, জিএম কাদের আর সরকারের সঙ্গে মাখামাখা সম্পর্ক দেখাতে চান না। আবার এই মুহূর্তে পুরোপুরি বয়কট করতেও সিনিয়র নেতাদের সমর্থন পাচ্ছেন না।

দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাংককে চিকিৎসাধীন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে দেখার জন্যই এই সফর। তবে পার্টির এই বক্তব্য ধোপে ঠিকছে না। কারণ সোমবার (২৭ জুন) দেশে ফিরতে যাচ্ছেন রওশন এরশাদ। দুই দিন পর যিনি দেশে ফিরছেন তাকে দেখতে যাওয়া হাস্যরসের জন্ম দিয়েছে। গত নভেম্বরে মুমূর্ষ অবস্থায় রওশন এরশাদকে চিকিৎসার জন্য বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এতদিন দেখতে না গিয়ে যখন সুস্থ হয়ে দেশের ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছেন তখন দেখতে যাওয়াকে লোক দেখানো বলে মনে করছেন অনেকেই।

দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রকাশ্য কোন ঘোষণা না দিলেও গোপনে স্পষ্ট করেই বলে দিয়েছেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান না করার জন্য। এমনকি পদ্মা সেতুর প্রস্তুতি সভায় যোগদান থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিলের বরিশাল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রত্না আমিন হাওলাদারকে। আওয়ামী লীগ নেতা আবু হাসনাত আব্দুল্যাহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করতে বসেছিলেন বরিশাল অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে।বরিশাল-৬ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় পার্টির এমপি রতনা আমিন হাওলাদকেও সেই সভায় ডাকা হয়। জাপার ওই এমপি ফোনে জিএম কাদের’র পরামর্শ ও যোগদানের অনুমতি চেয়েছিলেন। জিএম কাদের তাকে সাফ জানিয়ে দেন, কোনভাবেই অংশ নেওয়া যাবে না। এক পর্যায়ে সাফ জানিয়ে দেন, আবু হাসনাত আব্দুল্যাহ’র ডাকা সভায় যোগ দিলে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হবে। পরে ওই সভায় যোগদান থেকে বিরত থাকেন রতনা আমিন হাওলাদার।

শুধু তাই নয়, বিদেশ সফরের আগে ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ৭ দিনের জন্য স্থগিত করার মধ্যেও কেউ কেউ কৌশল হিসেবে দেখছেন। জিএম কাদের ২৩ জুন থাইল্যান্ড সফরে যাওয়ার আগে ঢাকা, সিলেট ও রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়ে যান। নির্দেশনায় বলা হয়েছে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের জন্য ৭ দিনের জন্য এই সিদ্ধান্ত। এখানেও কেউ কেউ ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুজে পাচ্ছেন। তারা বলছেন সিলেট ও রংপুর বিভাগে বন্যা থাকলেও ঢাকা বিভাগের বিষয়টি রহস্যবৃত।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূলত সেতুর দুই প্রান্তে থাকা ঢাকা বিভাগের লোকজন অংশ নেওয়ার কথা। যাতে ঢাকা বিভাগের নেতারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করার জন্য সাংগঠনিক তৎপরতা চালাতে না পারেন। সে জন্যেই এই অবস্থান বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা বিভাগে কয়েকজন সংসদ সদস্য রয়েছেন যারা আওয়ামী ঘেষা বলে পরিচিত। তারা অতীতে আওয়ামী লীগের অনেক অনুষ্ঠানে মিছিল নিয়ে জমায়েত হয়েছেন। এমনও হয়েছে কেন্দ্রের নির্দেশনা অমান্য করে কেউ কেউ ভূমিকা রেখেছেন। তাদের ঠেকাতে জিএম কাদের’র বিশেষ কৌশল বলে মনে করেন খোদ দলের লোকজনেই।

জাতীয় পার্টির দফতর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ বার্তা২৪.কম-কে জানিয়েছে, পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করা বা না করার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। পার্টির চেয়ার‌ম্যান, মহাসচিব দেশের বাইরে রয়েছেন। সে কারণে তারা অংশ নিতে পারছেন না। দলীয় সংসদ সদস্যরা চিঠি পেয়েছেন, তারা চাইলে অংশ নিতে পারবেন।

কেউ অংশ নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, এই মুহূর্তে আমার জানা নেই।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস ও পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভরায় বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আমি যতটুকু জানি দলীয় সংসদ সদস্যসহ যারা আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন তারা অনেকেই অংশ নিয়েছেন।

;

পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ

পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ।

শুক্রবার (২৪ জুন) বিকালে রাজধানীর শ্যামপুর ধোলাইরপাড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা-মাওয়া সংযোগ সড়কের প্রবেশমুখে আওয়ামী মোটরচালক লীগ আয়োজিত 'পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালি' উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

মোটর চালক লীগ সভাপতি মো: আলী হোসেনের সভাপতিত্বে সহস্রাধিক মোটরচালক র‌্যালিতে যোগ দেয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, '২৫ জুন স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ আনন্দে উদ্বেলিত, উল্লসিত। চালকদের মধ্যে আনন্দ উল্লাস আরও বেশি, কারণ তাদের কষ্ট লাঘব হয়েছে, পদ্মা পাড়ি দেওয়ার জন্য তাদেরকে আর ঘন্টার পর ঘন্টা এমনকি দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হবে না।'

'সরকার কোনো উৎসব আয়োজন করেনি, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করছে' উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'আনন্দ উল্লাস করছে দেশের মানুষ। দেশের প্রতিটা মানুষ আজকে পদ্মা সেতু দেখতে চায়। বাংলাদেশের মানুষের এই আনন্দ-উল্লাসে, বিএনপি-জামায়াতের আনন্দ হচ্ছে না। তাদের মন খারাপ হয়ে গেছে। সেজন্য মির্জা ফখরুল সাহেবসহ বিএনপি নেতারা আবোল-তাবোল কথা বলা শুরু করেছে।'

এসময় বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করতে মোটরচালকদের আহবান জানিয়ে ড. হাছান  বলেন, 'এই বাংলাদেশে দিনের পর দিন হরতাল-অবরোধ ডেকে চালকদের ওপর অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়েছিল বিএনপি-জামাত। বিএনপির নেতৃত্বে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে ঘুমন্ত চালকদের পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। থেমে থাকা গাড়ি-ট্রাকের চালকের আসনে বসে থাকা শত শত চালককে পেট্রোল বোমা মেরে এই বিএনপি হত্যা করেছে। আপনাদের অনুরোধ জানাবো, যারা আপনাদের ভাই-বন্ধু-সহকর্মীদের পেট্রোল বোমা মেরে হত্যা করেছে, তাদেরকে চিরতরে প্রত্যাখ্যান করুন।' পরে মোটরচালকদের একটি র‌্যালি সুশৃঙ্খলভাবে শ্যামপুর এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

;

বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

শুক্রবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে তিনি গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় পৌঁছান। ৫টা ৩০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

এর আগে বিকাল ৩ টায় খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হার্টের সমস্যা নিয়ে গত ১০ জুন দিবাগত রাত থেকে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান শাহাবুদ্দিন তালুকদার বলেন, সংক্রমণ এড়াতে রিস্ক থাকা সত্ত্বেও খালেদা জিয়াকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাসায় প্রতিনিয়ত মনিটরিংয়ে রাখা হবে। জটিলতা দেখা দিলে হাসপাতালে আনা হবে।

মেডিকেল বোর্ডের সদস্য এফ এম সিদ্দিকী বলেন, খালেদা জিয়ার কিডনির জটিলতা কিছুটা সমাধান করা গেলেও, অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, উনার ব্লাডিংয়ের চান্স, সিরোসিস অব লিভার সেটা কিন্তু রয়ে গেছে। এটার কোন চিকিৎসা হয়নি আমরা শুধু উনার ব্লিডিং স্পট গুলোকে মাইগ্রেশন করে বন্ধ করে রেখেছি। সেগুলি গত ছয় মাসে কি অবস্থা হয়েছে আমরা কিন্তু ফলোআপ করতে পারিনি। এখন কারিয়ার কন্ডিশনের জন্য ওনার ফলোআপ করাটা আরো রিস্কি হয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও খালেদা জিয়ার ফ্লাই করার মত শারীরিক সক্ষমতা আছে। বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করলে হয়তো তিনি সুস্থ্য হয়ে উঠবেন।

;