‘ভূমি সমস্যার নিরসন হলেই পাহাড়ে সব সমস্যার সমাধান হবে’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য প্রদানকালে ওবায়দুল কাদের

রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য প্রদানকালে ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

পার্বত্য শান্তি চুক্তির প্রতিটি শব্দ শেখ হাসিনার সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, আমি নেত্রীর পক্ষ থেকে বলতে চাই শান্তি চুক্তির প্রতিটি ওয়াদা পূরণ করবে শেখ হাসিনার সরকার। ভূমির জটিলতা ছাড়া আর সবকিছুই শেখ হাসিনার সরকার পাহাড়ে করেছে। কি নেই আজ রাঙামাটিতে, সবই আছে। ভূমি সমস্যার সমাধান হলেই পাহাড়ে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আমরা কাজ করে যাচ্ছি, আমাদের উপর, শেখ হাসিনার উপর আস্থা রাখুন। হানাহানি-মারামারি, রক্তপাত এই পাহাড়ে আর চাই না।

মঙ্গলবার রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়াল বক্তব্যপ্রদানকালে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি দলীয় অর্ন্তকোন্দল নিয়ে বলেন, আগামী বছর নির্বাচন। অর্ন্তকলহ থেকে আপনারা নিজেদের বিরত রাখুন। নিজেদের কলহ আপন ঘরে যার শক্র, তার শত্রুতা করার জন্য বাইরের শত্রুর দরকার নেই। দুঃসময়ের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করুন, যারা এক সময় একই সাথে পার্টি করেছে। ঘরের কহল নিজেরা বসে সমাধান করুন, আলাপ আলোচনা করুন।

তিনি বলেন, পাহাড়ে আপনারা অনেক ঝুঁকি নিয়ে আওয়ামী লীগকে গড়ে তুলেছেন। জীবনের অনেক ঝুঁকি নিয়ে আপনারদের আজ এ পর্যন্ত আসতে হয়েছে। এখনো ঝুঁকি আছে। এখনো সংঘাতে রক্তপাত মাঝে মাঝে আমরা দেখতে পাই। এই রক্তপাত বন্ধ করতে হবে। পাহাড়ি-বাঙালি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের পার্টিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় ধরে রাখতে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে সেতুমন্ত্রী বলেন, মানুষের হাসি দেখলে বিএনপি নেতাদের মুখে কালো মেঘের ছায়া পড়ে। পদ্মা সেতুসহ দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন-অর্জনে মানুষ যখন আনন্দিত, তখন বিএনপি নেতাদের বুকে ব্যথা সৃষ্টি হয়। মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা তখন বিষ-জ্বালায় দিশেহারা হয়ে পড়েন।

রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদারের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ওয়াসিকা আয়েশা খান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মুছা মাতব্বর, রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী প্রমুখ।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল আর নেই



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন।

বুধবার (২৯ জুন) সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১২ জুন (রোববার) রক্তচাপ বেড়ে গেলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নির্মল রঞ্জন গুহ। পরে দ্রুত তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সে সময় তার পালস পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হলে পালস পাওয়া যায়।

পরদিন সকালে নির্মল রঞ্জনের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং হার্টে ব্লক ধরা পড়ে। হাসপাতালে তার হৃৎপিণ্ডে স্টেন্ট বসানো হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি ঠেকানো যায়নি। পরে ১৬ ‍জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গারপুর নেওয়া হয়।

;

বিএনপি নেতা আলাল করোনা আক্রান্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আবারও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বিএন‌পির যুগ্ম মহাস‌চিব সৈয়দ মোয়া‌জ্জেম হো‌সেন আলাল।

বুধবার (২৯ জুন) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে বনানী প্রভা হেলথ সেন্টারে কোভিড-১৯ ভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছেন।

তিনি নিয়মিত চিকিৎসা নিতে ১৩ জুন ভারত যাচ্ছিলেন যেতে দেওয়া হয়নি বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। গতকাল উচ্চ আদালতের নির্দেশে আবার ভারতে যাবার প্রাক্কালে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করতে গিয়ে পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছেন।

;

বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখানে ডুবে গেছে: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখানে ডুবে গেছে।

তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখানে ডুবে গেছে। তাই প্রথমে তারা আবোল-তাবোল বলছিলো এখন বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে, কি বলবে বুঝতে পারছে না। আমি আশা করবো, তারা তাদের রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখান থেকে উদ্ধার করতে পারবে এবং অতীতের অপকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে জনগণের কাছে যাবে।’

মঙ্গলবার বিকেলে নন্দীপাড়া মাদ্রাসা মাঠে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সবুজবাগ থানার অন্তর্গত ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন ইউনিটসমূহের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু আহমদ মন্নফী উদ্বোধক ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. হুমায়ুন কবীর প্রধান বক্তা হিসেবে এবং সহ-সভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাত,  সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন বক্তব্য রাখেন। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি আশরাফুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন দাস।

আগামী সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আর দেড় বছর পরে নির্বাচন। এখন বিএনপিকে দেখা যায় না, মাঝেমধ্যে গর্ত থেকে উঁকি দিয়ে তাকায় আর চোরাগোপ্তা মিছিল করে। আইনগতভাবেই বেগম জিয়া এবং তারেক রহমানের নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই সেজন্য তারা নির্বাচনে যাবে কি না, সে নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকে। তবে যতো কথাই বলুক, আগামী নির্বাচনে তারা অংশ নেবে এবং নির্বাচনের আগে গর্তের ভেতর থেকে বেরিয়ে নানা ধরণের বিভ্রান্তি ছড়াবে।’

‘আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সারাদেশ ঘুরে নেতাকর্মীদের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা দেখেছি, আগামী নির্বাচনেও ইনশাআল্লাহ আমাদের ধস নামানো বিজয়ের মধ্যদিয়ে তারা ভেসে যাবে’ উল্লেখ করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘সেই বিজয় নিশ্চিত করতে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে। ২১ বছর ধরে যারা বুকে পাথর বেঁধে দল করেছে, সমস্ত রক্তচক্ষু, ষড়যন্ত্রের মধ্যেও দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছে, তাদেরকেই নেতৃত্বে দরকার। যারা গত সাড়ে ১৩ বছরে নতুন আওয়ামী লীগ হয়েছে তারা বিরোধী দল দেখে নাই, শুধু ক্ষমতা দেখেছে, সুতরাং তাদেরকে নেতৃত্বে আনার কোনো প্রয়োজন নেই।’

তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হবে। কোনো নেতাকর্মীর উদ্ধত আচরণের জন্য আমরা দলের মর্যাদা বিসর্জন দিতে পারি না। আর মাদক, দখল-চাঁদাবাজির সাথে যুক্তদেরকে বর্জন করুন। আমাদের দলে তাদের দরকার নেই।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সংসদে বিএনপি নেতারা বলেছেন, শক্তিশালী বিরোধী দল দরকার। আমরাও চাই আপনারা শক্তিশালী হোন। কিন্তু তারা একে একে যেসব আত্মহননের সিদ্ধান্ত নেয়, সে কারণে তারা শক্তিশালী হতে পারে না। আশা করবো তারা আত্মহননের সিদ্ধান্ত পরিহার করে নিজেরা শক্তিশালী হবে, দেশের গণতন্ত্রকেও শক্তিশালী করবে।’

;

বিরোধী দল ও মতকে দমনে আরও হিংস্র রূপে সরকার: ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্র পরিচালনার সকল ক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে এবং ভয়াবহ আওয়ামী দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতেই সরকার বিরোধী দল ও মতকে দমনে এখন আরও হিংস্র রূপ ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফ চট্টগ্রাম আদালতে হাজিরা দিতে গেলে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি জানিয়ে এ বিবৃতি দেন তিনি।

পুলিশ কর্তৃক সাইফুল ইসলাম সাইফকে আটক এবং তার কোন হদিস না দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ঘটনা আতঙ্কজনক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের চট্টগ্রাম মহানগর নেতা সাইফুল ইসলাম সাইফকে এভাবে আটক ও গুম করে রাখা নির্মম মনুষ্যত্বহীনতা এবং ভয়ানক অশুভ সঙ্কেত। এর আগেও তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে পায়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে দুই রাউন্ড গুলি করে, তাতে সাইফুল ইসলাম সাইফ চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। আবারও তাকে একই কায়দায় আটক এবং তার কোন সন্ধান না পাওয়া গভীর উদ্বেগজনক। রাষ্ট্র পরিচালনার সকল ক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে এবং ভয়াবহ আওয়ামী দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতেই সরকার বিরোধী দল ও মতকে দমনে এখন আরও হিংস্র রূপ ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, এটি সবার নিকট দৃশ্যমান যে, সাইফুল ইসলাম সাইফকে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। সাইফুল ইসলাম সাইফ পুলিশের নিকটই আছে। তাকে এভাবে নিখোঁজ করে রাখায় দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও তার পরিবার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমি অবিলম্বে সাইফুল ইসলাম সাইফকে জনসমক্ষে হাজির করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

;