বৈঠক শেষে ফখরুল বললেন, ‘কার্যকর’আলোচনা হয়েছে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন দলটির সঙ্গে বৈঠক

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন দলটির সঙ্গে বৈঠক

  • Font increase
  • Font Decrease

বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে নাগরিক ঐক্যের সঙ্গে ‘কার্যকর’ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার সঙ্গে দেড় ঘণ্টার বৈঠক শেষে এ কথা জানান।

মঙ্গলবার (২৪ মে) বিকালে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন দলটির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা একটা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য এই আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছি। উদ্দেশ্য একটাই- এটাকে একটা যৌক্তিক পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়া। আমাদের আজকে এই আলোচনা অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে কার্যকরী আলোচনা হয়েছে।’

ফখরুল বলেন, আমরা আশা করছি, এই আলোচনার রেশ ধরে বাকি দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনা ফলপ্রসূ হবে। আমরা অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গেও কথা বলব। অতিদ্রুত আলাপ-আলোচনা তাদের সঙ্গে শেষ করে আমরা আশা করছি যে, আমরা একটা যৌথভাবে আন্দোলনের সূচনা করতে পারব এবং আমরা আশা করি, খুব শিগগিরই আমরা এই কাজটা করতে পারব।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই বৈঠক আনুষ্ঠানিক হলেও অনানুষ্ঠানিক পর্যায়ে আমাদের সঙ্গে বিএনপির কথা হয়েছে। আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য যেসব কাজ করা দরকার সবগুলো না হলেও মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে আজকের সভায় আমরা আলোচনা করেছি। এই মৌলিক বিষয়গুলোর একটা হচ্ছে এই সরকারের অধীনে একটা সুষ্ঠু, ভালো, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না। এটা এদেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক দল বলেছে। এরই ভিত্তিতে এই সরকার চলে যাওয়ার পরে পরবর্তী নির্বাচন ও সরকার প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত যারা দায়িত্বে থাকবেন তাকে যে নামে ডাকি আমরা- একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করবেন এই দাবির ভিত্তিতে আমরা বিজয় পর্যন্ত লড়াই করব এই চিন্তায় কাজ করছিলাম। আজকে বৈঠকের প্রথমে আমরা সেই কথার পুনর্ব্যক্ত করেছি।

কী আলোচনা হয়েছে- তার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কথা বলেছি তার প্রধান বিষয় হচ্ছে- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার। তার প্রধান বিষয় হচ্ছে, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন সময়ে একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার। আমরা আলোচনা করেছি নিরপেক্ষ সরকার গঠনের পর নির্বাচন কমিশন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলগুলোকে নিয়ে একটি মতামতের ভিত্তিতে একটা সরকার গঠন করা- যেটা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেছেন যে, একটা জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। এগুলো আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল।

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের রূপরেখা প্রণয়নে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির সংলাপ শুরুর প্রথম দিনে বিকালে বিএনপি মহাসচিব তোপখানা রোডে নাগরিক ঐক্যের কার্যালয়ে যান। কার্যালয়ের পাশে শিশু কল্যাণ পরিষদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে নাগরিক ঐক্যের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিএনপি মহাসচিব।

বিকাল ৫টা থেকে দেড় ঘণ্টা এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার সঙ্গে ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম ও নির্বাহী কমিটির সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন।

নাগরিক ঐক্যের নেতৃত্ব দেন দলটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নান। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলটির উপদেষ্টা এসএম আকরাম, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, জিল্লুর চৌধুরী দিপু, জাহেদ উর রহমান প্রমুখ।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ

পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ।

শুক্রবার (২৪ জুন) বিকালে রাজধানীর শ্যামপুর ধোলাইরপাড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা-মাওয়া সংযোগ সড়কের প্রবেশমুখে আওয়ামী মোটরচালক লীগ আয়োজিত 'পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালি' উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

মোটর চালক লীগ সভাপতি মো: আলী হোসেনের সভাপতিত্বে সহস্রাধিক মোটরচালক র‌্যালিতে যোগ দেয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, '২৫ জুন স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ আনন্দে উদ্বেলিত, উল্লসিত। চালকদের মধ্যে আনন্দ উল্লাস আরও বেশি, কারণ তাদের কষ্ট লাঘব হয়েছে, পদ্মা পাড়ি দেওয়ার জন্য তাদেরকে আর ঘন্টার পর ঘন্টা এমনকি দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হবে না।'

'সরকার কোনো উৎসব আয়োজন করেনি, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করছে' উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'আনন্দ উল্লাস করছে দেশের মানুষ। দেশের প্রতিটা মানুষ আজকে পদ্মা সেতু দেখতে চায়। বাংলাদেশের মানুষের এই আনন্দ-উল্লাসে, বিএনপি-জামায়াতের আনন্দ হচ্ছে না। তাদের মন খারাপ হয়ে গেছে। সেজন্য মির্জা ফখরুল সাহেবসহ বিএনপি নেতারা আবোল-তাবোল কথা বলা শুরু করেছে।'

এসময় বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করতে মোটরচালকদের আহবান জানিয়ে ড. হাছান  বলেন, 'এই বাংলাদেশে দিনের পর দিন হরতাল-অবরোধ ডেকে চালকদের ওপর অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়েছিল বিএনপি-জামাত। বিএনপির নেতৃত্বে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে ঘুমন্ত চালকদের পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। থেমে থাকা গাড়ি-ট্রাকের চালকের আসনে বসে থাকা শত শত চালককে পেট্রোল বোমা মেরে এই বিএনপি হত্যা করেছে। আপনাদের অনুরোধ জানাবো, যারা আপনাদের ভাই-বন্ধু-সহকর্মীদের পেট্রোল বোমা মেরে হত্যা করেছে, তাদেরকে চিরতরে প্রত্যাখ্যান করুন।' পরে মোটরচালকদের একটি র‌্যালি সুশৃঙ্খলভাবে শ্যামপুর এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

;

বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

শুক্রবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে তিনি গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় পৌঁছান। ৫টা ৩০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

এর আগে বিকাল ৩ টায় খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হার্টের সমস্যা নিয়ে গত ১০ জুন দিবাগত রাত থেকে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান শাহাবুদ্দিন তালুকদার বলেন, সংক্রমণ এড়াতে রিস্ক থাকা সত্ত্বেও খালেদা জিয়াকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাসায় প্রতিনিয়ত মনিটরিংয়ে রাখা হবে। জটিলতা দেখা দিলে হাসপাতালে আনা হবে।

মেডিকেল বোর্ডের সদস্য এফ এম সিদ্দিকী বলেন, খালেদা জিয়ার কিডনির জটিলতা কিছুটা সমাধান করা গেলেও, অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, উনার ব্লাডিংয়ের চান্স, সিরোসিস অব লিভার সেটা কিন্তু রয়ে গেছে। এটার কোন চিকিৎসা হয়নি আমরা শুধু উনার ব্লিডিং স্পট গুলোকে মাইগ্রেশন করে বন্ধ করে রেখেছি। সেগুলি গত ছয় মাসে কি অবস্থা হয়েছে আমরা কিন্তু ফলোআপ করতে পারিনি। এখন কারিয়ার কন্ডিশনের জন্য ওনার ফলোআপ করাটা আরো রিস্কি হয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও খালেদা জিয়ার ফ্লাই করার মত শারীরিক সক্ষমতা আছে। বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করলে হয়তো তিনি সুস্থ্য হয়ে উঠবেন।

;

খালেদা জিয়া সন্ধ্যায় বাসায় ফিরতে পারেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আজ শুক্রবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় বাসায় ফিরতে পারেন।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএনপি প্রধানের চিকিৎসক ও দলটির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, বিকেলে ম্যাডামের কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে। তার পরে ওনাকে বাসায় নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এরআগে, হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় ১০ জুন গভীর রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। পরের দিন দুপুরে খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করা হয়। এতে তার হার্টে কয়েকটি ব্লক ধরা পড়ে। ব্লকের একটিতে পরানো হয় রিং।

গত ১৫ জুন খালেদা জিয়াকে করোনারি কেয়ার ইউনিট থেকে কেবিনে নেওয়া হয়।

;

বন্যা প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থা করেনি সরকার: ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

যে কারণে বন্যা হচ্ছে তা প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থা সরকার এখনও করেনি, বরং বন্যা বাড়ানোর জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২৪ জুন) রাজধানীর খিলগাঁও বিএনপি নেতা চৌধুরী আলমের গুমের একযুগ পূর্তি উপলক্ষে তার পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ফখরুল বলেন, চৌধুরী আলমকে গত ১২ বছর ধরে তার পরিবার এবং দলের পক্ষ থেকে খুঁজে কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এতদিন পর্যন্ত এই সরকার তার কোন খোঁজ দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ সরকার আসার পরে এ ধরনের ঘটনার অনেকগুলো সংঘটিত হয়েছে। এ পর্যন্ত বিএনপি'র ৬'শর উপরে নেতা-কর্মী গুম হয়েছে কিন্তু তাদের কোনো সন্ধান সরকার দিতে পারেনি।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের যে আইন রয়েছে এখানে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে জোর করে যদি কাউকে নিয়ে যাওয়া হয় সেটা মানবাধিকার লঙ্‌ঘন, অপরাধ। এতেই প্রমাণিত হয় এই সরকার ফ্যাসিবাদী। তাদের ১৫ বছর দুঃশাসনে বাংলাদেশের কত মানুষ পরিবার হারা হয়েছে, সন্তানহারা হয়েছে, কতজন স্বামীহারা হয়েছেন, কতজন পুত্রহারা হয়েছে তার কোনো সঠিক হিসাব নেই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্র আন্দোলনকে দমন করার জন্য গুম, খুন, বেআইনিভাবে আটক করে তাকে হত্যা করা, জুডিশিয়াল কিলিং এমন ভাবে বেড়েছে যেটা কোন সভ্য সমাজে হতে পারে না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে মানুষের মৌলিক অধিকার গুলোকে কেড়ে নিয়েছে, জীবনের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। যাদেরকে গুম করা হয়েছে তাদেরকে জীবনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

আজকে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এটা শুধু গুমের বিষয় নয়। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই সরকার জনগণের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সিলেট সুনামগঞ্জের বন্যার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গতকাল আমি সিলেটে গিয়েছিলাম এর ভয়াবহতা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। মানুষ যে কষ্টে আছে তাদেরকে ত্রাণের ব্যবস্থা করে দেওয়া, তাদের বাঁচার চেষ্টা করে দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা তারা (সরকার) করেনি। অথচ তথাকথিত প্রধানমন্ত্রী তিনি হেলিকপ্টারে করে ঘুরলেন। পরে সার্কিট হাউসে নেমে কয়েকজন লোককে টোকেনের মাধ্যমে ত্রাণ দিয়েছেন তারপরও তিনি বলেছেন সব হয়ে যাবে।

অবিলম্বে বন্যার্ত এলাকাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখরুল বলেন, গুমের জন্য, হত্যার জন্য, মানুষের উপর নির্যাতনের জন্য ভোটের অধিকার হরণের জন্য এই সরকারের পদত্যাগ দাবি করছি। অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জোর দাবি জানাচ্ছি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন,আওয়ামী লীগের নেতারা প্রত্যেকে মিথ্যেবাদী। তারা অনর্গল মিথ্যা কথা বলেন।

এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক আব্দুস সালাম ও সদস্য সচিব রবিউল আলম মজনু সহ দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

;