গণ কমিশনের আয়-ব্যায়ের অনুসন্ধান করতে হবে: জাপা মহাসচিব



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ১১৬ জন আলেমের বিরুদ্ধে যারা দুদকে অভিযোগ করেছে, সেই গণ কমিশনের আয়-ব্যায়ের অনুসন্ধান করতে হবে।

বুধবার (২৫ মে) দুপুরে জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে পার্টির সম্পাদক মন্ডলীর এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, গণকমিশন এর কোন আইনি ভিত্তি নেই। কে বা কারা এবং কেন এই গণকমিশন সৃষ্টি করেছে তা খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি অনুরোধ করছি।

গণকমিশনের সাথে জড়িতদের আয়-ব্যায় ও লেনদেন অনুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশণ এর প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন, গণকমিশনের তথ্য মতে বুজুর্গদের হয়রানি করা ভালো হবে না। দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে, এমন বাস্তবতায় মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে ফেরাতেই গণকমিশন কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় পার্টি নিজস্ব রাজনীতি নিয়ে রাজনীতির মাঠে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় পার্টি কারো জোটে নেই, কারো জোটে যেতে জাতীয় পার্টি অঙ্গীকারও করেনি। আগামী নির্বাচনে দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় পার্টি। জাতীয় পার্টি মানুষের অধিকারের স্বার্থে কখনোই আপোষ করবে না। তাই তিনশো আসনেই প্রার্থী দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছে। দেশের মানুষ এখন আর দল দুটিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চেয়ে সাধারণ মানুষের কাছে জাতীয় পার্টি বেশি গ্রহণযোগ্য।

‘বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি এখন পদ্মার গহীন অতলে নিমজ্জিত’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতির কারণে বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি এখন পদ্মার গহীন অতলে নিমজ্জিত।

সোমবার (২৭ জুন) তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

;

বানবাসী মানুষের পাশে নেই সরকার: আমান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বানবাসী মানুষের পাশে নেই সরকার

বানবাসী মানুষের পাশে নেই সরকার

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা কবলিত অসহায় বানবাসী মানুষের পাশে সরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমান উল্লাহ আমান।

শনিবার (২৫ জুন) নেত্রকোনা জেলা বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এদিন সকালে আমান উল্লাহ আমান ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ কয়েকজন নেতৃবৃন্দ ত্রাণ নিয়ে নেত্রকোনায় পৌঁছান। সেখানকার দলীয় নেতৃবৃন্দরা স্বাগতম জানান।

নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার পদমশ্রী এ ইউ খান হাইস্কুল মাঠ, গোবিন্দশ্রী ইউনিয়ন; খালিয়াজুরী উপজেলার খালিয়াজুরী কলেজ ও হাইস্কুল মাঠ; মোহনগঞ্জ উপজেলার পাইকুড়া বাজার, তেতুলিয়া ইউনিয়ন; বারহাট্টা উপজেলা বালীজুরী প্রাইমারী স্কুল, সাওতা ইউনিয়ন এবং নেত্রকোণা সদর উপজেলার মানিকপুর ঈদগাহ মাঠ, আমতলা ইউনিয়নের বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

এ সময় আমান বলেন, ভয়াবহ বন্যায় লাখো মানুষ কষ্টে আছেন। অর্ধাহারে, অনাহারে, বিনা চিকিৎসায় তারা কাতর হয়ে আছেন। অথচ সরকারের সেদিকে কোনো নজর নাই। একদিকে বন্যার্তদের চোখের পানি অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মেতে উঠেছেন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন নিয়ে। কোটি কোটি টাকা এই উৎসবের নামে অপচয় করা হলেও বন্যার্তদের পাশে নেই তারা।

;

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী এড়াতে ব্যাংককে জিএম কাদের!



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি পদ্মা সেতুর উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠান এড়াতে বিদেশ সফরে গেছেন বলে দলীয় একাধিক সূত্র দাবি করেছেন। দেশে থাকলে নানা রকম প্রশ্ন উঠতে পারে তাই এই কৌশল বলে অনেকে মনে করছেন।

তারা মনে করছেন, জিএম কাদের আর সরকারের সঙ্গে মাখামাখা সম্পর্ক দেখাতে চান না। আবার এই মুহূর্তে পুরোপুরি বয়কট করতেও সিনিয়র নেতাদের সমর্থন পাচ্ছেন না।

দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাংককে চিকিৎসাধীন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে দেখার জন্যই এই সফর। তবে পার্টির এই বক্তব্য ধোপে ঠিকছে না। কারণ সোমবার (২৭ জুন) দেশে ফিরতে যাচ্ছেন রওশন এরশাদ। দুই দিন পর যিনি দেশে ফিরছেন তাকে দেখতে যাওয়া হাস্যরসের জন্ম দিয়েছে। গত নভেম্বরে মুমূর্ষ অবস্থায় রওশন এরশাদকে চিকিৎসার জন্য বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এতদিন দেখতে না গিয়ে যখন সুস্থ হয়ে দেশের ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছেন তখন দেখতে যাওয়াকে লোক দেখানো বলে মনে করছেন অনেকেই।

দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রকাশ্য কোন ঘোষণা না দিলেও গোপনে স্পষ্ট করেই বলে দিয়েছেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান না করার জন্য। এমনকি পদ্মা সেতুর প্রস্তুতি সভায় যোগদান থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিলের বরিশাল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রত্না আমিন হাওলাদারকে। আওয়ামী লীগ নেতা আবু হাসনাত আব্দুল্যাহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করতে বসেছিলেন বরিশাল অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে।বরিশাল-৬ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় পার্টির এমপি রতনা আমিন হাওলাদকেও সেই সভায় ডাকা হয়। জাপার ওই এমপি ফোনে জিএম কাদের’র পরামর্শ ও যোগদানের অনুমতি চেয়েছিলেন। জিএম কাদের তাকে সাফ জানিয়ে দেন, কোনভাবেই অংশ নেওয়া যাবে না। এক পর্যায়ে সাফ জানিয়ে দেন, আবু হাসনাত আব্দুল্যাহ’র ডাকা সভায় যোগ দিলে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হবে। পরে ওই সভায় যোগদান থেকে বিরত থাকেন রতনা আমিন হাওলাদার।

শুধু তাই নয়, বিদেশ সফরের আগে ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ৭ দিনের জন্য স্থগিত করার মধ্যেও কেউ কেউ কৌশল হিসেবে দেখছেন। জিএম কাদের ২৩ জুন থাইল্যান্ড সফরে যাওয়ার আগে ঢাকা, সিলেট ও রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়ে যান। নির্দেশনায় বলা হয়েছে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের জন্য ৭ দিনের জন্য এই সিদ্ধান্ত। এখানেও কেউ কেউ ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুজে পাচ্ছেন। তারা বলছেন সিলেট ও রংপুর বিভাগে বন্যা থাকলেও ঢাকা বিভাগের বিষয়টি রহস্যবৃত।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূলত সেতুর দুই প্রান্তে থাকা ঢাকা বিভাগের লোকজন অংশ নেওয়ার কথা। যাতে ঢাকা বিভাগের নেতারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করার জন্য সাংগঠনিক তৎপরতা চালাতে না পারেন। সে জন্যেই এই অবস্থান বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা বিভাগে কয়েকজন সংসদ সদস্য রয়েছেন যারা আওয়ামী ঘেষা বলে পরিচিত। তারা অতীতে আওয়ামী লীগের অনেক অনুষ্ঠানে মিছিল নিয়ে জমায়েত হয়েছেন। এমনও হয়েছে কেন্দ্রের নির্দেশনা অমান্য করে কেউ কেউ ভূমিকা রেখেছেন। তাদের ঠেকাতে জিএম কাদের’র বিশেষ কৌশল বলে মনে করেন খোদ দলের লোকজনেই।

জাতীয় পার্টির দফতর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ বার্তা২৪.কম-কে জানিয়েছে, পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করা বা না করার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। পার্টির চেয়ার‌ম্যান, মহাসচিব দেশের বাইরে রয়েছেন। সে কারণে তারা অংশ নিতে পারছেন না। দলীয় সংসদ সদস্যরা চিঠি পেয়েছেন, তারা চাইলে অংশ নিতে পারবেন।

কেউ অংশ নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, এই মুহূর্তে আমার জানা নেই।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস ও পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভরায় বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আমি যতটুকু জানি দলীয় সংসদ সদস্যসহ যারা আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন তারা অনেকেই অংশ নিয়েছেন।

;

পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ

পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ।

শুক্রবার (২৪ জুন) বিকালে রাজধানীর শ্যামপুর ধোলাইরপাড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা-মাওয়া সংযোগ সড়কের প্রবেশমুখে আওয়ামী মোটরচালক লীগ আয়োজিত 'পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালি' উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

মোটর চালক লীগ সভাপতি মো: আলী হোসেনের সভাপতিত্বে সহস্রাধিক মোটরচালক র‌্যালিতে যোগ দেয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, '২৫ জুন স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ আনন্দে উদ্বেলিত, উল্লসিত। চালকদের মধ্যে আনন্দ উল্লাস আরও বেশি, কারণ তাদের কষ্ট লাঘব হয়েছে, পদ্মা পাড়ি দেওয়ার জন্য তাদেরকে আর ঘন্টার পর ঘন্টা এমনকি দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হবে না।'

'সরকার কোনো উৎসব আয়োজন করেনি, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করছে' উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'আনন্দ উল্লাস করছে দেশের মানুষ। দেশের প্রতিটা মানুষ আজকে পদ্মা সেতু দেখতে চায়। বাংলাদেশের মানুষের এই আনন্দ-উল্লাসে, বিএনপি-জামায়াতের আনন্দ হচ্ছে না। তাদের মন খারাপ হয়ে গেছে। সেজন্য মির্জা ফখরুল সাহেবসহ বিএনপি নেতারা আবোল-তাবোল কথা বলা শুরু করেছে।'

এসময় বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করতে মোটরচালকদের আহবান জানিয়ে ড. হাছান  বলেন, 'এই বাংলাদেশে দিনের পর দিন হরতাল-অবরোধ ডেকে চালকদের ওপর অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়েছিল বিএনপি-জামাত। বিএনপির নেতৃত্বে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে ঘুমন্ত চালকদের পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। থেমে থাকা গাড়ি-ট্রাকের চালকের আসনে বসে থাকা শত শত চালককে পেট্রোল বোমা মেরে এই বিএনপি হত্যা করেছে। আপনাদের অনুরোধ জানাবো, যারা আপনাদের ভাই-বন্ধু-সহকর্মীদের পেট্রোল বোমা মেরে হত্যা করেছে, তাদেরকে চিরতরে প্রত্যাখ্যান করুন।' পরে মোটরচালকদের একটি র‌্যালি সুশৃঙ্খলভাবে শ্যামপুর এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

;