১৯ বছর পর রায়পুরে আ.লীগের সম্মেলন: আলোচনায় এক ডজন নেতা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
১৯ বছর পর রায়পুরে আ.লীগের সম্মেলন: আলোচনায় এক ডজন নেতা

১৯ বছর পর রায়পুরে আ.লীগের সম্মেলন: আলোচনায় এক ডজন নেতা

  • Font increase
  • Font Decrease

১৯ বছর পর আগামী মঙ্গলবার (৩১ মে) লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ সম্মেলন ঘিরে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে অন্তত একডজন নেতার নাম আলোচনায় মুখর হয়ে উঠেছে। এসব পদে প্রার্থীদের চেয়ে কর্মী-সমর্থকদের মাঝে হিসাব-নিকাশ বেশি চলছে। তারা চায়ের দোকান, দলীয় কার্যালয় ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজ নিজ নেতাদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে সকল প্রার্থীই সবার কাছে দোয়া চাইছেন।

এদিকে, দীর্ঘ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে বিভিন্ন জনের নাম শোনা যাচ্ছে। সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ, আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদুল বাকীন ভূঁইয়া ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুন্সি।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন পরিচ্ছন্ন ও মেধাবী রাজনীতিবিদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী নাজমুল কাদের গুলজার। এই নেতাকে শীর্ষ নেতৃত্বে দেখতে চায় তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। তারা বলছেন, সৎ ও পরিচ্ছন্ন নেতা হিসেবে রাজনীতিতে আলাদা ইমেজ রয়েছে গুলজারের। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে মূল্যায়ন করবেন বলে আশাবাদী। তৃণমূলের এই নেতা এর আগে রায়পুর পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক ও বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগের একাধিক পদে থেকে ১৯৭৭ সাল থেকে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন।

এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক হাজী ইসমাইল খোকন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রফিকুল হায়দার বাবুল পাঠান, বর্তমান মেয়র গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মারুফ বিন জাকারিয়ার নাম শোনা যাচ্ছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, রায়পুর শহরের সরকারি মাচ্চেন্টস একাডেমির মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এনিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা জেলাজুড়ে ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণ নির্মাণ করে নিজ নিজ নেতাদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে প্যান্ডেল নির্মাণসহ মাচ্চেন্টস একাডেমির মাঠজুড়ে সামিয়ানা টানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ৩ বছরের জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন হয়েছিল। এতে তোজাম্মেল হোসেন (দুলাল) চৌধুরী সভাপতি এবং রায়পুর পৌরসভার মেয়র হাজি ইসমাইল খোকন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছিল। ৬৭ সদস্যের এই কমিটির সভাপতিসহ ইতিমধ্যে ২১ নেতাই মারা গেছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কারো কারো পক্ষে সমর্থকরা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। সম্মেলনের দিন দ্বিতীয় অধিবেশনে চুড়ান্ত প্রার্থীদের নাম জানা যাবে। আওয়ামী লীগের কমিটিতে সহযোগী সংগঠনের নেতাদের স্থান হবে না। তবে সম্মেলনে সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল আর নেই



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন।

বুধবার (২৯ জুন) সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১২ জুন (রোববার) রক্তচাপ বেড়ে গেলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নির্মল রঞ্জন গুহ। পরে দ্রুত তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সে সময় তার পালস পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হলে পালস পাওয়া যায়।

পরদিন সকালে নির্মল রঞ্জনের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং হার্টে ব্লক ধরা পড়ে। হাসপাতালে তার হৃৎপিণ্ডে স্টেন্ট বসানো হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি ঠেকানো যায়নি। পরে ১৬ ‍জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গারপুর নেওয়া হয়।

;

বিএনপি নেতা আলাল করোনা আক্রান্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আবারও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বিএন‌পির যুগ্ম মহাস‌চিব সৈয়দ মোয়া‌জ্জেম হো‌সেন আলাল।

বুধবার (২৯ জুন) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে বনানী প্রভা হেলথ সেন্টারে কোভিড-১৯ ভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছেন।

তিনি নিয়মিত চিকিৎসা নিতে ১৩ জুন ভারত যাচ্ছিলেন যেতে দেওয়া হয়নি বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। গতকাল উচ্চ আদালতের নির্দেশে আবার ভারতে যাবার প্রাক্কালে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করতে গিয়ে পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছেন।

;

বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখানে ডুবে গেছে: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখানে ডুবে গেছে।

তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখানে ডুবে গেছে। তাই প্রথমে তারা আবোল-তাবোল বলছিলো এখন বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে, কি বলবে বুঝতে পারছে না। আমি আশা করবো, তারা তাদের রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখান থেকে উদ্ধার করতে পারবে এবং অতীতের অপকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে জনগণের কাছে যাবে।’

মঙ্গলবার বিকেলে নন্দীপাড়া মাদ্রাসা মাঠে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সবুজবাগ থানার অন্তর্গত ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন ইউনিটসমূহের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু আহমদ মন্নফী উদ্বোধক ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. হুমায়ুন কবীর প্রধান বক্তা হিসেবে এবং সহ-সভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাত,  সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন বক্তব্য রাখেন। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি আশরাফুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন দাস।

আগামী সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আর দেড় বছর পরে নির্বাচন। এখন বিএনপিকে দেখা যায় না, মাঝেমধ্যে গর্ত থেকে উঁকি দিয়ে তাকায় আর চোরাগোপ্তা মিছিল করে। আইনগতভাবেই বেগম জিয়া এবং তারেক রহমানের নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই সেজন্য তারা নির্বাচনে যাবে কি না, সে নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকে। তবে যতো কথাই বলুক, আগামী নির্বাচনে তারা অংশ নেবে এবং নির্বাচনের আগে গর্তের ভেতর থেকে বেরিয়ে নানা ধরণের বিভ্রান্তি ছড়াবে।’

‘আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সারাদেশ ঘুরে নেতাকর্মীদের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা দেখেছি, আগামী নির্বাচনেও ইনশাআল্লাহ আমাদের ধস নামানো বিজয়ের মধ্যদিয়ে তারা ভেসে যাবে’ উল্লেখ করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘সেই বিজয় নিশ্চিত করতে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে। ২১ বছর ধরে যারা বুকে পাথর বেঁধে দল করেছে, সমস্ত রক্তচক্ষু, ষড়যন্ত্রের মধ্যেও দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছে, তাদেরকেই নেতৃত্বে দরকার। যারা গত সাড়ে ১৩ বছরে নতুন আওয়ামী লীগ হয়েছে তারা বিরোধী দল দেখে নাই, শুধু ক্ষমতা দেখেছে, সুতরাং তাদেরকে নেতৃত্বে আনার কোনো প্রয়োজন নেই।’

তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হবে। কোনো নেতাকর্মীর উদ্ধত আচরণের জন্য আমরা দলের মর্যাদা বিসর্জন দিতে পারি না। আর মাদক, দখল-চাঁদাবাজির সাথে যুক্তদেরকে বর্জন করুন। আমাদের দলে তাদের দরকার নেই।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সংসদে বিএনপি নেতারা বলেছেন, শক্তিশালী বিরোধী দল দরকার। আমরাও চাই আপনারা শক্তিশালী হোন। কিন্তু তারা একে একে যেসব আত্মহননের সিদ্ধান্ত নেয়, সে কারণে তারা শক্তিশালী হতে পারে না। আশা করবো তারা আত্মহননের সিদ্ধান্ত পরিহার করে নিজেরা শক্তিশালী হবে, দেশের গণতন্ত্রকেও শক্তিশালী করবে।’

;

বিরোধী দল ও মতকে দমনে আরও হিংস্র রূপে সরকার: ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্র পরিচালনার সকল ক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে এবং ভয়াবহ আওয়ামী দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতেই সরকার বিরোধী দল ও মতকে দমনে এখন আরও হিংস্র রূপ ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফ চট্টগ্রাম আদালতে হাজিরা দিতে গেলে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি জানিয়ে এ বিবৃতি দেন তিনি।

পুলিশ কর্তৃক সাইফুল ইসলাম সাইফকে আটক এবং তার কোন হদিস না দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ঘটনা আতঙ্কজনক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের চট্টগ্রাম মহানগর নেতা সাইফুল ইসলাম সাইফকে এভাবে আটক ও গুম করে রাখা নির্মম মনুষ্যত্বহীনতা এবং ভয়ানক অশুভ সঙ্কেত। এর আগেও তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে পায়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে দুই রাউন্ড গুলি করে, তাতে সাইফুল ইসলাম সাইফ চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। আবারও তাকে একই কায়দায় আটক এবং তার কোন সন্ধান না পাওয়া গভীর উদ্বেগজনক। রাষ্ট্র পরিচালনার সকল ক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে এবং ভয়াবহ আওয়ামী দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতেই সরকার বিরোধী দল ও মতকে দমনে এখন আরও হিংস্র রূপ ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, এটি সবার নিকট দৃশ্যমান যে, সাইফুল ইসলাম সাইফকে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। সাইফুল ইসলাম সাইফ পুলিশের নিকটই আছে। তাকে এভাবে নিখোঁজ করে রাখায় দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও তার পরিবার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমি অবিলম্বে সাইফুল ইসলাম সাইফকে জনসমক্ষে হাজির করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

;