বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কোভিড-১৯ মহামারী এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তার দলের নেতাকর্মীসহ কাউকে যেন কষ্ট না পেতে হয়, তা নিশ্চিত করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা।

রোববার (৪ জুলাই) এক বৈঠকে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমার একটা নেতাকর্মী যেন কোন কষ্ট না পায়, দেশের মানুষ যেন কষ্ট না পায়, আমরা সেই ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন অনুযায়ী, বাংলাদেশকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তর করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। কেউ আর হতদরিদ্র, গৃহহীন ও ক্ষুধার্ত থাকবে না, সেজন্য সরকারের পদক্ষেপে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কোন এলাকায় যেন কোন একটা মানুষও গরিব না থাকে, ভিক্ষা করে খেতে যেন না হয়, কেউ যেন কষ্ট না পায়, তাদের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে। আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটা নেতাকর্মীর এটা মাথায় রাখতে হবে যে, শুধু আমি খাবো, আমি ভালো থাকবো, আমি শান শওকতে থাকবো, আর আমার পাড়া প্রতিবেশি খাবে না- এটা যেন না হয়।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর দলের কর্মীদের পাশাপাশি দেশবাসীকে মনে করিয়ে দেন যে, চলমান করোনাভাইরাস এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দ্বিগুণ আঘাতের কারণে বিশ্ব এখন এক সংকটময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কাজেই প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি তাঁর আহবান পুণর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে, এমন কি আমেরিকা এবং ইংল্যান্ডের মতো বড় দেশগুলো এখন খাদ্য সংকটে ভুগছে। আমরা এখনও ভালো অবস্থানে আছি এবং ভালো থাকার চেষ্টা করছি, এরজন্য  দেশবাসীর সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।’

জিয়া কখনই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না: হানিফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি বলে জিয়া মুক্তিযুদ্ধা ছিলেন। আমরা অস্বীকার করছি না। কিন্তু সে কি স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলো? অবশ্যই তার কর্মকাণ্ডে সেটি প্রমাণ হয় না। যদি তিনি সত্যি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হতেন তাহলে বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকাণ্ডের পর ইনডেমনিটি আইন করে খুনিদের রক্ষা করতেন না। জিয়া যদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত না থাকে তাহলে তিনি খুনিদের বিচার কেন করেননি? তাদের বিচার করতে তার কি সমস্যা ছিলো? সে উল্টো তাদের পুরস্কৃত করেছিলো। তাদের রাষ্ট্রদূত বানিয়েছিলো।

সোমবার (১৫ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদ আয়োজিত কেআইবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

হানিফ বলেন, বিএনপি জন্ম হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি দিয়ে। তারা এখনো এ রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তারা পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করে। তারা কখনো চায় না দেশের মানুষ ভালো থাকুক। তারা শুধু চায় যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় যেতে। তাদের এখন দেশে-বিদেশে সবখানে ষড়যন্ত্র করে। তারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। তাদের নেতারা সব সময় মিথ্যাচার নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখ ছিলো ৫ সেপ্টেম্বর। তিনি হঠাৎ করে ১৫ আগস্ট কেক কাটা শুরু করলেন। এর কারণ ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী। গোটা জাতির শোকের ও বেদনার দিন এরা আনন্দ করে, কারণ বঙ্গবন্ধু এ দেশকে স্বাধীন করেছেন আর খালেদা জিয়া পাকিস্তানের পক্ষের শক্তি। সে স্বাধীনতা চায়নি। ১৯৮৪ সালে যখন খালেদা জিয়া বিএনপির নেত্রী হন তখন তার পিতা তৎকালীন পত্রিকা ‘নিপুন’ এ সাক্ষাৎকারে বলেছেন ১৯৪৫ সালে যখন ২য় বিশ্ব যুদ্ধ শেষ হলো ৫ সেপ্টেম্বর সেদিন খালেদা জিয়া জন্মগ্রহণ করেছিলো। কতটা খারাপ মন মানসিকতার হলে এভাবে কারো শাহাদাত বার্ষিকীতে মানুষ আনন্দ উল্লাস করতে পারে।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মহাসচিব কৃষিবিদ মো. খায়রুল আলম প্রিন্সের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব কৃষিবিদ এম. আমিনুল ইসলাম। সভাপতির বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের সহ-সভাপতি কৃষিবিদ প্রফেসর এ. কে. এম. সাইদুল হক চৌধুরী।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ সভাপতি কৃষিবিদ ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের সাবেক মহাসচিব কৃষিবিদ মো. মোবারক আলী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী কৃষিবিদ মসিউর রহমান হুমায়ূন প্রমুখ।

;

১৫ আগস্টের খুনি চক্র এখনও সোচ্চার: শেখ তাপস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

১৫ আগস্টের খুনি চক্র এখনও সোচ্চার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

রোববার (১৪ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কদমতলী থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে তবারক বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ মন্তব্য করেন।

শেখ তাপস বলেন, ১৫ আগস্ট কাল রাতে সংগঠিত ইতিহাসের নিকৃষ্টতম হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত খুনি চক্র নিত্য-নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা রোধ করতে চায়। এই খুনি চক্র এখনও সোচ্চার রয়েছে।

যত ষড়যন্ত্রই হোক না কেন শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল -- বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে ওঠবে। সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তাই যত ষড়যন্ত্র, দুরভিসন্ধিই হোক না কেন --ঘাতক চক্রের সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে আমরা আরও ঐক্যবদ্ধভাবে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে এই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। আজকে জাতীয় শোক দিবসে এটাই আমাদের প্রত্যয়।

ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ সময় খুনি চক্রকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশের মাটি থেকে নির্মূল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আকাশ কুমার ভৌমিকের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী প্রধান আলোচক এবং আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদ সদস্য ও ঢাকা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায় ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজ হোসেন বিশেষ আলোচক হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

;

বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়াউর রহমান জড়িত: হানিফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলো। জিয়া বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুনর্বাসন করেছে। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী কর্নেল রশিদ বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বলেছিলো, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তারা কিভাবে জড়িত ছিলো।

তিনি বলেন, রশিদ বলেছিলো হত্যাকাণ্ডের আগে একাধিকবার তারা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছে। জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর ২য় সর্বোচ্চ ব্যক্তি ছিল। সে বিষয়টা জেনেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি। জিয়াউর রহমান তাদের বলেছিলো তোমরা এগিয়ে যাও। আমি তোমাদের পিছনে থাকবো। এটাই তো বড় প্রমাণ যে জিয়া বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে জড়িত।

রোববার (১৪ আগস্ট) বিকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকাণ্ডের পর জিয়া ইনডেমনিটি আইন করে খুনিদের রক্ষা করেছিলো। খুনিরা যাতে জিয়ার নাম না বলে এজন্যই তাদের ইনডেমনিটি দিয়েছিলো জিয়া। জিয়া যদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত না থাকে তাহলে তিনি খুনিদের বিচার কেন করেননি। তাদের বিচার করতে তার কি সমস্যা ছিলো। সে উল্টো তাদের পুরস্কৃত করেছিলো।

হানিফ বলেন, জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ারও তখন থেকে বঙ্গবন্ধুর ওপর একটা ক্ষোভ ছিলো। কারণ বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছিলো। আর এরা ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। এখন পর্যন্ত খালেদা জিয়া পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলে। কর্নেল ফারুককে সংসদে বসিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধের সাথে বেইমানি করেছে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার ১৯৯১ সালে যখন প্রধানমন্ত্রী হলেন তখন তার জীবনীতে জন্ম তারিখ ছিলো ৫ সেপ্টেম্বর। এই খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালে হঠাৎ করে ১৫ আগস্ট কেক কাটা শুরু করলো। এর কারণ ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী। গোটা জাতির শোকের ও বেদনার দিন এরা আনন্দ করে।

শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের মহাসচিব কে এম শহিদ উল্লার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সাংগঠনিক সচিব ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন রতনসহ শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও শতাধিক শিশু কিশোর।

;

জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বঙ্গবন্ধু আজীবন উৎসাহ যোগাবে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বঙ্গবন্ধু আজীবন উৎসাহ যোগাবে: জিএম কাদের

জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বঙ্গবন্ধু আজীবন উৎসাহ যোগাবে: জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

দুর্নীতি, দুঃশাসন আর জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়াই করতে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন উৎসাহ যোগাবে। তাঁর কর্মময় সংগ্রামী জীবনে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় লড়াই করেছেন।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

শোক বাণীতে বলেন, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর শাহাদাত বার্ষিকী। আমরা এই শোকাবহ দিনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। একই সাথে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট কালরাতে শহীদ সকল সদস্যের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষুধা ও দারিদ্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন আজীবন। শোকাবহ এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার- ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র মুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং বৈষম্যহীন একটি কল্যাণময় রাষ্ট্র বিনির্মাণের মাধ্যমে আমরা “নতুন বাংলাদেশ” গড়ে তুলবো।

;